দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধে​র সাথে প্রথম মুক্তিযুদ্ধে​র সামঞ্জস্যতা এবং উত্তরণের ধারনাঃ

by Abdullah Mahmud
 
লেখাটা যখন লিখছি তখন চলছে সরকারের পেটুয়া যৌথ বাহিনীর অভিযান। অনেকেই বর্তমান সংকটকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেন। সংকটের মূল কিন্তু একজায়গায়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগের নিরঙ্কুশ বিজয় হয়েছিল কিন্তু পাকিস্তানের স্বৈরশাসক ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে ছিল। স্বৈরশাসক ক্ষমতা হস্তান্তর না করাতে যে সংকটের সৃষ্টি হয়েছিল, তা থেকেই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছিল ১৯৭১ সালে। সংকট শুধুমাত্র ক্ষমতা হস্তান্তর না করার প্রেক্ষাপটই ছিলনা সাথে যুক্ত হয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানের দীর্ঘ দিনের শোষণ-নিপীড়ন এবং জুলুম-নির্যাতনের প্রতিবাদে জনগণের বিস্ফোরণ। অনেকেই বর্তমান সংকট কে মুক্তিযুদ্ধের সাথে তুলনা করে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আর তাই দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের সাথে প্রথম মুক্তিযুদ্ধের সামঞ্জস্যতা খোঁজার একটা প্রয়াস থেকেই এই লেখা।
 
২০১৩ সালের সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের প্রথম সামঞ্জস্যতা হোল; ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরির অন্যতম কারন ছিল জনগণের রায়ে নির্বাচনে জয়ী দলকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে স্বৈরশাসকের জোরপূর্বক ক্ষমতা ধরে রাখা। ২০১৩ সালের  সংকটের মুলেও জনগণের মতকে তোয়াক্কা না করে স্বৈরশাসকের ন্যায় জোরপূর্বক ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা।
 
২০১৩ সালের সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের দ্বিতীয় মিল হোল; ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরির আরকটি কারন হোল পশ্চিম পাকিস্তানের দীর্ঘ দিনের শোষণ-নিপীড়ন এবং জুলুম-নির্যাতনের প্রতিবাদে জনগণের বিস্ফোরণ। আজকের প্রেক্ষাপটেও যে সংকট তৈরি হয়েছে তা শুধুমাত্র নির্বাচন কেন্দ্রিক ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয় না। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ১৯৭১ সালের মতই সীমাহীন দুর্নীতি, শোষণ-নিপীড়ন এবং জুলুম-নির্যাতনের প্রতিবাদে জনগণের বিস্ফোরণ। গ্রামে গঞ্জে সাধারন জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছে সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে।
 
২০১৩ সালের সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের তৃতীয় মিল হোল; ১৯৭১ সালে প্রভাবশালী রাষ্ট্রের বেশির ভাগই পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যায় যুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। ২০১৩ সালের সংকটেও এখন পর্যন্ত বুজা যাচ্ছে প্রভাবশালী রাষ্ট্রের বেশির ভাগই আওয়ামীলীগের অন্যায়কে পরোক্ষ ভাবে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে।
 
বর্তমান সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের চতুর্থ সামঞ্জস্যতা হোল; ১৯৭১ সালে আওয়ামীলীগের অধিকাংশ নেতারা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেননি, তাদের অধিকাংশের নিকট প্রথম দিকে প্রেক্ষাপটটা ছিল ক্ষমতায় যাওয়ার আর তাই কেউ স্বেচ্ছায় কারাবরণ করেছিলেন কেউবা ভারতে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেছিলেন। ক্ষমতার জন্য আন্দোলন আর জনগণের মুক্তির জন্য সংগ্রাম এক জিনিস নয়। জনগণের মুক্তির সংগ্রাম অধিকাংশ স্বার্থপর রাজনীতিবিদরা করতে পারেননা। মুক্তি সংগ্রামে যে ধরনের সততা, ঐকান্তিকতা এবং নিষ্ঠার প্রয়োজন হয়, তা দুর্নীতিপরায়ন রাজনীতিবিদদের থাকেনা। ২০১৩ সালে এসেও বিএনপির অধিকাংশ নেতারা ক্ষমতার জন্য আন্দোলন করছেন, জনগণের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করতে পারছেননা। জনগণের মুক্তির সংগ্রাম করতে পারছেননা বলেই সারাদেশে মানুষ যখন তীব্র আন্দোলন করছে তখন ঢাকায় নেতারা ১৯৭১ সালের মতই কেউ স্বেচ্ছায় কারাবরণ করছেন আর কেউবা আত্মরক্ষার জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
বর্তমান সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের পঞ্চম মিল হোল; ১৯৭১ সালে এদেশের মানুষ নিগ্রহের শিকার হয়েছিল অন্য অঞ্চল থেকে আসা পশ্চিম পাকিস্তানিদের রাষ্ট্রযন্ত্রের সিদ্ধান্তের দ্বারা। ২০১৩ সালে এসেও মানুষ নিগৃহীত হচ্ছে অন্য অঞ্চল ভারত থেকে সরাসরি রাষ্ট্রযন্ত্রের নিয়ন্ত্রনের দ্বারা।
 
বর্তমান সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের ষষ্ট মিল হোল; ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানিরা পাক হানাদার বাহিনী দ্বারা নির্বিচারে পাখির মত গুলি করে মানুষ মেরেছিল। এখনকার সরকারও নিজেদের স্বৈরশাসন আঁকড়ে রাখার জন্য পাক হানাদার বাহিনির ন্যায় যৌথ বাহিনী দিয়ে নির্বিচারে পাখির মত গুলি করে মানুষ মারছে।
 
বর্তমান সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের সপ্তম মিল হোল; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সংকটে অপরচুনিস্ট গ্রুপ অনেক ছিল। ইনফ্যাকট শেখ মুজিবুর রহমান তার লেজিটিমেট ক্ষমতা চেয়েছিলেন; স্বাধীনতা বা স্বাধীন বাংলাদেশের ধারনা উনার নিকট ছিলনা। ২০১৩ সালের সংকটেও অনেক ধরনের অপরচুনিস্ট গ্রুপ কাজ করছে।
 
বর্তমান সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের অষ্টম মিল হোল; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম আরেকটি কারন হোল মুষ্টিমেয় গুষ্ঠির স্বার্থ, সংস্কৃতি রক্ষার জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের উপর রাষ্ট্রযন্ত্রের নিষ্পেষণ, ২০১৩ সালে এসেও  মুষ্টিমেয় গুষ্ঠির স্বার্থ, সংস্কৃতি রক্ষার জন্য রাষ্ট্র সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের উপর নিষ্পেষণ চালাচ্ছে।
 
বর্তমান সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের নবম মিল হোল; ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের মিডিয়ার অধিকাংশই পাকিস্তান সরকারের অন্যায় দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। ২০১৩ সালে এসেও বাংলাদেশের অধিকাংশই মিডিয়াই সরকারের অন্যায় দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বর্তমান সংকটের সাথে ১৯৭১ সালের দশম সামঞ্জস্যতা হোল; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের কিছু মানুষ পাকিস্তানকে রক্ষার জন্য দেশের সাথে বেঈমানি করে রাজাকার হয়েছিল। ২০১৩ সালে এসেও এদেশেরই কিছু মানুষ চেতনা রক্ষার নামে দেশের অধিকংশ মানুষের মতের বিরুদ্ধে ভারতের দালালী করছেন।
 
এভাবে আরও অনেক সামঞ্জস্যতা আপনি খুঁজে পাবেন  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সাথে ২০১৩ সালের সংকটের। এই সংকট থেকে উত্তরনের পথ সম্পর্কে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের কথা বলছেন। উত্তরনের সম্ভাব্য উপায় কি হতে পারে সে সম্পর্কে  আলকপাত করছি-
যারা বলছেন দুইদলের মধ্যে সংলাফের মাধ্যমে সমাধান করতে; তাদের বুজা উচিত আওয়ামীলীগ চাইলেও সমঝোতায় পৌঁচতে পারবেনা, কেননা আওয়ামীলীগ চালাচ্ছে ভারতের নীতিনির্ধারক। ভারতের এজেনডা বাস্তবায়নের জন্যই ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসেছে। (সত্যিকার জনগণের ভোটে সরকার ক্ষমতায় আসেনি- এ সহজ হিসাব বুজার জন্য পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোর ভোট কাস্টিঙের পরিসংখ্যান দেখলেই বুজতে পারবেন)।
 
যারা ভাবছেন জাতিসংঘ কিংবা বিভিন্ন পরাশক্তির হস্তক্ষেপে সমাধান হতে পারে; তাদের ধারনাও ভুল। কোন দেশেরই সংকট উত্তরণে জাতিসংঘ কিংবা বিভিন্ন পরাশক্তির সরাসরি হস্তক্ষেপ করেনা যদিনা তাদের সরাসরি স্বার্থজড়িত থাকে। সে দিক থেকে চিন্তা করলে আমাদের উল্টো আতঙ্কিত হতে হয়; কেননা পরাশক্তির পক্ষে যায় এমন উপকরন সরকার লালন করছে।
 
আরেকটি ধারনা হোল সেনাবাহিনীর ক্যুর মাধ্যমে সমাধান হতে পারে। তাদের জ্ঞাতার্থে বলছি; পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন অফিসারকে হত্যা করা হয়েছিল একারনেই যে ভারতের স্বার্থপরিপন্থী কোন দেশপ্রেমিক এবং আপোষহীন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যাতে তাদের ছকের বাধা না হতে পারে। এখনকার সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ অফিসাররা ভারতের প্রতি নতজানু। কেন ২০২১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার কথা বলা হয় তা বোধকরি ব্যাখ্যা করার প্রয়জন নেই।
 
সংকট থেকে মুক্তির আরেকটা ধারনা হোল সুশীলসমাজ এবং বুদ্ধিজীবীদের নেত্রিত্তে এই সরকারকে উৎখাত করে তৃতীয় শক্তির মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন। সে ধরনের সম্ভাবনাও খুবই ক্ষীণ। আর সেটা হলেও সংকট থেকে উত্তরনের সুযোগ থাকবেনা। তৃতীয় শক্তির এমন কোন শক্তি নেই যে তারা সার্বভৌমত্ত রক্ষা করে দেশ চালাবেন। তৃতীয় শক্তি আসলে তা ভারতের নিকট নতজানু হয়েই আসবে। রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাদের কোন জনসম্পৃক্ততা নেই। জনগণের মুক্তির আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সরকার আর আঁতাতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সরকারের রুপ, সিদ্ধান্তগ্রহণ ক্ষমতা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রিকতার ধরনও আলাদা হবে। তাই তৃতীয় শক্তির মাধ্যমে সমাধান হলে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না হয়ে পরাশক্তিদের উদ্দেশ্যের বাস্তবায়ন হবে।
 
এতক্ষন সংকট উত্তরণের ধরনগুলো শুনে অনেকেই হয়তোবা হতাশ হয়ে পড়েছেন। যেকোনো সংকট হলে তা থেকে উত্তরণের পথ অবশ্যই থাকে। অনেকগুলো ওয়ে আউটের মধ্যে বেস্ট অপশানটা কি হতে পারে তার জন্যই সকল অপশানের পর্যালোচনা।
 
বেস্ট অপশানটা তাহলে কি? আমার মতে বেষ্ট অপশান হোল জনগণের মুক্তি সংগ্রামের মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয় এমন সরকারের বাস্তবায়ন। সেক্ষেত্রে মুক্তি সংগ্রামে অংশগ্রহনকারী যোগ্য নেতাদের, যারা হীন ব্যাক্তি কিংবা গোষ্ঠী স্বার্থের উদ্দেশ্যে আন্দোলন না করে জনগণের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করছেন, তাদেরকে ক্ষমতার বিকেন্দ্রিকরনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে। জনগণের মুক্তি সংগ্রামে অংশগ্রহন না করে আত্মরক্ষার জন্য পালিয়ে বেড়ানো নেতাদের রাষ্ট্রযন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত করলে দেশ ১৯৭২ সালের মতই সংকটে পড়বে।  পাকিস্তান আমাদের সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার থেকে বঞ্চিত করেছিল বলেই আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীনতা লাভ করেছিলাম।  ১৯৭২ এ যে সংবিধান প্রণীত হয়েছিল তাতে বাংলাদেশের সকল মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। আর এই জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলিত না হওয়ার কারন হোল যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন না করে দিল্লী বসেছিল তারাই ৭২ এ এসে ভারতের সংবিধানের আদলে বাংলাদেশের সংবিধান রচনা করেছিল।
 
এতো গেল সংকট থেকে উত্তরণের পরের ধাপ। প্রশ্ন হোল বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের উপায় কি? উত্তর হল জনতার মুক্তি সংগ্রাম। সেই সংগ্রাম শুরু হয়ে গেছে। গ্রামে গঞ্জে সাধারন জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছে সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন পাকহানাদার বাহিনির ন্যায় সরকারের পেটুয়া যৌথবাহিনী পাখির মত গুলি করে মানুষ মারছে। সাধারন জনতা বুলেটের মোকাবেলা করছে বাঁশ, লাঠি আর ইট-পাটকেল দিয়ে। প্রশ্ন হোল এভাবে কি পারা যাবে? না এভাবে পারা যাবেনা। এ সংগ্রামে জয়ী হতে হলে যৌথবাহিনীর দেশপ্রেমিক সিপাহীদেরকে সাধারন জনগণের পক্ষে এসে দাড়াতে হবে। যৌথবাহিনীর সকল সদস্য সরকারের পাচাটা গোলাম নয়; অনেকেই বাধ্য হয়ে কর্তব্য পালন করছে মাত্র। এ মুহূর্তে একজন মেজর জিয়াউর রহমানের প্রয়োজন। যিনি কিনা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও এদেশের স্বার্থে পাকিস্তান সরকারকে তোয়াক্কা না করে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। আজ জাতি এমন একজন জিয়াউর রহমানের অপেক্ষায় যার ডাকে রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে বহু দেশপ্রেমিক পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, প্রশাসন এবং সেনাবাহিনী থেকে বেরিয়ে এসে রাষ্ট্রের অন্যায় যুদ্ধের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।  যুদ্ধ অবশ্য সকলে করতে পারেনও না। ১৯৭১ সালেও বহু মানুষের যুদ্ধ করার বয়স এবং সামর্থ্য থাকার পরেও যুদ্ধে অংশগ্রহন করেননি। এ সংকটেও তারাই এগিয়ে আসবেন, যারা সততা এবং ন্যায়পরায়ণতার সাথে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জনগণের মুক্তি সংগ্রামের পাশে দাঁড়াবেন।  রাষ্ট্রযন্ত্রের দেশপ্রেমিক নাগরিকগন এ সংকট মুহূর্তে এগিয়ে না আসলে বহু রক্তে অর্জিত সার্বভৌমত্ত আর টিকে থাকবেনা। এদেশ সিরিয়ার ন্যায় গৃহযুদ্ধে দুকে দুকে মরবে।

One thought on “দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধে​র সাথে প্রথম মুক্তিযুদ্ধে​র সামঞ্জস্যতা এবং উত্তরণের ধারনাঃ

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s