ভাতের বদলে চেতনা খান, দিদির উপর চাপ কমান

by নিরীহ পাবলিক:

গুম, হত্যা, খুনাখুনি, বোমাবাজী, অবরোধ, হরতাল, অস্ত্র মিছিলে দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। শত শত গার্মেন্টস বন্ধের পথে, ঘর্মাক্ত কৃষক তার সারা বছরের সাধনার ফসল বেচতে না পেরে নিজেই তাতে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে ফেলছে, ব্যবসা বাণিজ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠান সব কিছু কার্যত অচল। আর এরই ব্যাকগ্রাউন্ডে চেতনা’বাদী সরকার বিশ্বরেকর্ড করা পতাকা বানিয়ে তার অচেতন সমর্থকদের নিয়া চোখ বুঝিয়া গাহিতেছে, ‘ওমা ফাগুনে তোর আমার বনে ঘ্রানে পাগল করে’। চোখ খুলিয়া একটু ঘিলু খাটালেই তাদের বুঝার কথা এই ঘ্রান আমের নয়- এই ঘ্রান গোলা-বারুদ আর রক্তের। কিন্তু আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর মনুষ্য ঘিলু একই মানবদেহে থাকতে পারে না। তাই এই চেতনাবাদীদের ঘিলু খাটানোর প্রশ্নই আসে না। বিদেশী শক্তির দাসত্ব করতে করতে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এনে এখন ভূখা নাঙ্গা দিশেহারা পাবলিকদের চেতনায় চেতাইয়া দিদি ক্ষমতার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কতিপয় ঘিলু বিহীন দ্বিপদী তাতে চোখ বুজে চন্দ্রনৃত্য করবে সেটা বলাই বাহুল্য। ১০ টাকা কেজি চাল, ডিজিটাল বাংলাদেশ আর দিন বদলের মুলা দেখিয়ে দিদি ক্ষমতায় এসেছিলেন। আর তার বিদেশী প্রভুদের কাছে প্রতিজ্ঞা করে এসেছিলেন ইসলামী রাজনীতির ঠেকানোর, বোরখা বিক্রি কমানোর, সেনাবাহিনীর মধ্য থেকে ইসলামী চেতনা দূর করে সেনাবাহিনীকে ভারত প্রেমিক করে তোলার, দেশকে সম্পূর্নরূপে ভারতের সেবাদাসী বানানোর। দিদি তার বিদেশী প্রভূদের কাছে দেয়া নির্বাচনী ওয়াদা ঠিক মতোই পালন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। আর দেশের পাবলিকের কাছে ১০ টাকা কেজি চাল দেয়ার ওয়াদা ভোলাতে চেতনার বাণিজ্যে নেমেছেন। চালের বদলে চেতনা চিবিয়ে এখন দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে হবে।

কিন্তু সমস্যা অন্যখানে। হাসিনার বাপের আমলে চেতনার ডিব্বা সবচেয়ে বেশী টইটম্বুর ছিলো। তবুও বাঙ্গালী ভাতের বদলে চেতনা খেতে রাজী হয় নাই- ক্ষেপে গিয়ে তারা বরং উড্ডীন পতাকা আর মানচিত্র খেতে চেয়েছিলো। এই কালে হাসিনা তার ঘিলু বিহীন দ্বিপদীদের কাঁধে ভর করে কতদিন বাঙ্গালীদের ভাতের বদলে চেতনা খাওয়াইয়া অচেতন করে রাখতে পারবে! শেষে না বাঙ্গালী আবার বিছানো পতাকা খেতে চায়! বিশ্ব রেকর্ড সাইজের পতাকায়ও তাতে কুলাবে না। কারন চেতনাবাদী বুদ্ধিজীবিদের এতো ঘ্যানর ঘ্যানর, প্যানর প্যানর, ছাত্রলীগের রাম-দা, চাপাতী আর হাসিনার এতো নাকি কান্না সত্ত্বেও দেশে এখন মুক্তিযোদ্ধার চাইতে রাজাকারের সংখ্যা বেশী।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s