প্রিয় মার্ক

By Elora Zaman

বাংলাদেশ নামের একটি ক্ষুদ্র দেশের অখ্যাত এক গ্রাম থেকে লেখা একটি চিঠি। ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গকে উদ্দেশ্য করে লিখেছে সে দেশেরই একটি মেয়ে। মেয়েটি ফেইসবুকের মাধ্যমে পৃথিবীর বাকি মানুষদের সাথে কানেক্টেড থাকতো আর জানতে পারতো চমৎকার এই গ্রহের অপর প্রান্তের মানুষদের চিন্তা ভাবনা, জীবনাচারন।

নীচের ই-মেইলটি সেন্ড করলাম। যারা বাংলা পড়তে আরাম বোধ করেন তাদের জন্য নীচে বাংলায় ও লিখেছি। সবাই যদি এরকম টুকটাক লিখে পাঠান তবে অন্তত বিনাযুদ্ধে সুচাগ্র মেদিনী দেইনি বলতে পারবো।

প্রিয় মার্ক,
অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে আপনার কাছে লিখতে বাধ্য হয়েছি। বিগতদিনে আমরা দেখেছি আপনি বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। একজন মানবিক বোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে আপনি বাংলাদেশীদের অন্তরে আছেন। সেই ভরসায় আজ কিছু বলতে চাই। জানিনা আমার এই চিঠি আপনি পাবেন কিনা। তবুও একান্ত অসহায় হয়ে লিখতে বসেছি।

আপনি হয়ত অবগত আছেন আমাদের সরকার এইদেশে ফেইসবুক বন্ধ করে দিয়েছে বেশ কিছুদিন হল। প্রায় চার কোটি ফেইসবুক ইউজারদের ইচ্ছে অনিচ্ছাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে তারা আমাদের বাক স্বাধীনতা হরণের কার্যক্রম বহাল রেখেছে। এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তারা জোর করে মাত্র ৫% ভোটে ক্ষমতায় অবস্থান করছে। জনমানুষের জন্য তাদের চিন্তা নেই। জনগণের কথাকে তারা পাত্তা দেয়না। কেউ প্রতিবাদ করলেই হত্যা, গুম এবং বিভিন্ন ধরণের ভয় ভীতি দেখানো হয়। এদেশের প্রায় বেশিরভাগ জনগণ এখন প্রচন্ড অসহায় অবস্থায় দিনযাপন করছে। সরকারের বিপক্ষে যদি যৌক্তিক কোনো সংবাদ প্রচার করা হয় তবে সেই সংবাদ মাধ্যমকে বন্ধ করে দেয়া হয়। জনপ্রিয় কিছু সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ইতিমধ্যে এবং তাদের মালিকেরা এখন কারাগারে।

সরকারের ইচ্ছে কেউ তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছুই যেন না বলতে সাহস পায়। কিন্তু তারা হয়ত ভুলে গিয়েছে জোর করে দেশের সব মানুষকে ভয় দেখিয়ে নিজেদের দলে ভেড়াতে পারা যায়না। হিউম্যান ন্যাচার হল তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে। এদেশের মানুষেরা তাদের সেই প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছিলো আপনার অবদান তাদের প্রিয় ফেইসবুকে। যে ছেলেটি রাজনীতিকে ঘৃণা করে সেই ছেলেটিও ভয়ংকর এই সরকারের স্বৈরনীতির বিরুদ্ধে উচ্চকন্ঠ হতে বাধ্য হয়েছিলো প্রিয় মাতৃভূমিকে ভালোবেসে। নিজের দেশকে ধ্বংসের মুখে ফেলতে দিতে চায়নি সে। অথচ আজ তা দূরে থাক, সে তার প্রিয় বন্ধুটির খবর ও নিতে পারছেনা ফেইসবুক বন্ধ থাকায়। ফেইসবুক ব্যাবহার যেহেতু তুলনামূলকভাবে সস্তা সেহেতু কোটি কোটি মানুষ একে আপন করে নিয়েছে, বেছে নিয়েছে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে। এতই প্রিয় এই ফেইসবুক আমাদের কাছে যে একদিন এতে প্রবেশ না করতে পারলে যেন সময়কে অপূর্ণ মনে হয়।

অথচ দুঃখজনক হল, সরকার চাইছে আপনি আপনার এতসব ইউজারদের প্রাইভেসীকে উপেক্ষা করে তাদের সকল ইনফরমেশন সরকারের কাছে দিয়ে দেন। যেনো তারা ইউজারদের ধরে নিয়ে গিয়ে জেলে রাখতে পারে, হয়রানী করতে পারে কিংবা ভীতি প্রদর্শন করে তাদের বিরুদ্ধে না লিখতে বাধ্য করতে পারে। এই সরকারের দ্বারা বিগতদিনে ১৭ বছরের বালক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন শুধুমাত্র ফেইসবুকে দুইলাইন লিখবার কারণে।

আশাকরি আপনি বুঝতে পারছেন আমরা কি ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে আছি। অন্যায় যে করে সে সর্বক্ষন ভয়ে থাকে, সবকিছুতেই ভয়ে থাকে যে এই বুঝি কেউ প্রতিবাদ করে ফেললো। আর তাই তারা প্রতিবাদী মানুষদের দমন করে কঠোর হাতে। সরকার ঘোষনা দিয়েছে আপনার সাথে চুক্তি করে ফেইসবুক ইউজারদের গোপন তথ্য জেনে নিয়ে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। তারা এতই ভীত তাদের অপকর্ম নিয়ে। এবং ক্ষমতায় জোর করে থাকবার জন্য মরিয়া যেনো বিশ্ববাসী তাদের অন্যায় সমূহ সম্পর্কে জানতে না পারে আর তারা রুল করতে পারে অস্ত্রের জোরে, দমননীতি গ্রহণ করে।

এমতাবস্থায় আপনি যদি আমাদের আশ্বস্ত করেন যে আপনি এই কোটি কোটি জনগণের পাশে থাকবেন, কোনো স্বৈরাচারী সরকারের পাশে নয়, এই সরকারের গুটিকয়েক মানুষের ইচ্ছায় আপনি আমাদের প্রাইভেসী ব্রিচ করবেন না কিংবা আমাদের কোনো ব্যাক্তিগত ইনফরমেশন তাদের হাতে তুলে দেবেন না, তবে আমরা স্বস্তি পাই। এইজন্যই আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করা। নিজ দেশের সরকারের বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে আমি বারবার কেঁদেছি। নিজেকে ধীক্কার দিয়েছি। তবে সরকার যখন মানুষের বিপরীতে অবস্থান নেয় শত্রুর মত, তখন একান্ত নিরুপায় হয়ে আপনাকে লিখতে বাধ্য হবার এই প্রয়াস ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন। ভালো থাকবেন।
.
.

A young girl with her ever lush mind rediscovered herself in the contemporary world of networking and socialisation with free and fast paced information flow, as she wandered in the online virtual getaways from a physical location of a tiny village of a small country named Bangladesh. As the little world and yet so big that she lived in seemed to be on the verge of being shattered, she wrote a letter to Mark Zuckerberg. Facebook was not just more than a face and a book to her; it was her universe to her inquisitive amicable mind seeking to remain connected and informed of the lives and laughter of the people from the other side of the planet. She wrote:

Dear Mark,
I am compelled to write you this letter with a heavy heart. In the past, we have seen you have stood firmly beside the helpless people affected in various natural and humanitarian crises of the world. I can reaffirm that as a person with great sense of moral responsibility and principles, you have had always occupied an important place in the hearts of the Bangladeshis. It is this confidence that encourages me to say a few things through this letter, although I am unsure whether this letter will really reach you. However, I am writing it as I am totally helpless and do not see another option.

You may be aware that the government of Bangladesh has shut down access to facebook in Bangladesh for sometime now. By showing absolute disregard to the rights and preferences of some 40 million facebook users of Bangladesh, the government has kept on snatching our right of freedom of speech and expressions.

This government, as you may know, is not elected by people’s vote through a proper democratic process. They are just holding on to the power by force with a meagre 5% support of the total population. They possess no concerns for the people of the country whatsoever. They turn a blind eye to the opinion of the people. Anyone trying to protest against their evil intent and illegitimacies has to deal with their threats of murders, abduction or other forms of tortures and harassments. An overwhelming majority of the population is living helpless lives now a day. Any media broadcasting any news of utmost veracity but going against the government, is forcefully brought under complete closure. Already a number of popular newspapers and television channels have been oppressively closed down by the government, with their owners jailed in sheer isolations.

The Bangladesh government wants to create an environment so that no one can dare to exercise their right of freedom of expression, no matter how basic that could be, to say anything against them. However it looks like they have forgotten that it is not possible to keep all the people of the country intimidated and forced to be on their side. Inherent in human nature is to protest and remonstrance against all evils and injustices. With all options virtually ceasing to exist, the people of Bangladesh kept on their voices of protest heard so far through your unprecedented contribution: Facebook. Even the innocent young men who never affiliated themselves in politics, were bound to raise their voices out of their love for the motherland, to protest against the autocracies of the government using the facebook as their only platform. They didn’t want to let their country be pushed to the brink of collapse.

However, with the current shut down of facebook in the country, they are not even capable of connecting to their dear friends, let alone using facebook to pursue broader benefits and better causes. Because facebook is a complementary site for the account holders, millions of people of Bangladesh have embraced facebook as integral parts of their daily lives. We love facebook so much that any single day without accessing facebook seems rather unfulfilled.

However, it is very unfortunate that the government of Bangladesh wants you to provide the information of all the facebook users to them completely neglecting the privacy of these users. The government’s filthy intent is to arrest the users and keep them in custody, harass them or coerce them not to write anything against the government. In the past, many people, from a 17- year old lad to university professor have been arrested by the government only for writing something in facebook against the government.

I hope you understand what dire straits we are living in at the moment in this country. It is well known that the perpetrators and wrongdoers are always afraid of confronting protests against their evil deeds. Hence they tend to gruellingly repress the ones who protest and oppose, which is especially easy when they are the authorities themselves. The government of Bangladesh has announced that they will get into an agreement with you to access confidential information of the facebook users, to prosecute and bring them to judicial trial. The government is so frightened because they are fully aware of their misdemeanours and sins. They want to hold to the power by any means, by ensuring that the outside world remains ignorant of their mischiefs and they can continue their autocratic regime using guns and power to threaten and repress people.

Under the circumstances, it would be our ultimate relief to know that you will be beside the millions of us, and not with only a handful of people of the current autocratic oppressive government of Bangladesh, and you will not breach our privacy or provide any of our personal information to the government. This is what I wanted to draw your attention upon. Writing against the government of my own country has not been easy and I couldn’t resist shedding tears. I resented myself time and again. However, please forgive this endeavour of mine to be in touch with you and I hope you will understand how undone we are with the government taking a belligerent stance against its own people, which leaves us with no option other than to write to you to get our rights of freedom of speech and expression preserved through the facebook.

May Allah bless you! Stay safe.

Missed Calling: No Exit: November.

Missed Calling: No Exit: November.

 

                                                                                                                                    Seema Amin

The month of November, with its scheduled nascent coolness, has been the unofficial portent of a three month winter season of staged ‘culture’ for years; the capacious capital boasts its social capital (the synergies of its urban, global, and now, ‘trans-rural’ agglomerations) in established platforms like Hay (Dhaka International Literary Festival) and Bengal’s Classical Indian Music fest as well as the more recent ‘blockbusters’of Samdani Art Summit and BPL/ICC.  This year, rehearsed loudly in the habitual corporate brochures, event catalogues and free/ VIP registration circuits, a new entree has entered the menu of the spectacle.

The Dhaka International ‘folk’ festival, a rather pink fountain for variously colored thirsts—popular Lalon and Sufi exponents branded or re-branded ‘folk’ in the well-protected precincts of the Army stadium—had its debut, as highbrow, lowbrow and middlebrow sat in classified and declassified zones during the hallowed trinity– three nights of ‘Bliss’ not to ‘miss’ — together in concert as they almost never are, except possibly…. in queue on voting day. Ai! The month is a harbinger, too, of not only Jibananda’s once punctually rapturous rural winter and the hemanta harvesting of amon rice but the municipality polls, 2015. The barely audible static surrounding these polls, in contrast to the April 28 mayor polls, hardly interfered with our recreational sublime.  One would have to be exceptionally and easily bored to notice the odd man out in the rose-colored screen that dropped over the writer/publisher serial murders and the posthumously advertised petrol bombs of January: blue prison vans here and there, uploading busloads of new arrivals in the already overloaded Dhaka Central Jail. If one cared to, however, one might notice the bars of music synchronized to the bars of the prison vans, inside which only the hands of anonymous prisoners are visible…Outside Jahingar gate that opens to the cantonment where urban vintage and musical ‘enlightenment’ is tasted… zig-zagging traffic through Shahbag… No Prussian or electric blue, no warm or fluffy blue: the prison blue of the prison van.

On a sudden, if a staccato rhythm suddenly jerks our gaze and we see thirteen brown hands shaking the small bars that open to the outside world inside the moving penitentiary…our imagination might take us somewhere…quite far, as far as a Passage to India..or rather haphazardly…as mine did, to Grameenphone. I imagined, for I am particularly and peculiarly imaginative, that these thirteen hands, shaking the van for what it’s worth, picked up from god knows where, were missed calling the Dhaka Folk festival, the one that almost tempted me with its constellation of stars and the understated smell of dried roses.

Such an understatement: prison.  The headlines from September do not overstate the bodies it contains: 17,000 workers/activists of the (unofficial, major) opposition. The subheading on the front page of the Daily Star from November 21: Party Claims 500 of its prospective candidates detained this month. Elsewhere:  “Every day, three hundred of our workers are picked up…”  Forget the cases against 22,000 of its leaders and activists. Just count the number detained each day…hell, if there were three consecutive storms in the south not as many rickshawallahs could show up in the capital.

We live in insecure times, alias, very secured times. From bleeding Paris to burning Dhaka, a blanket of security, a grid of surveillance and its alter ego– mass arrest and mass detention, is thrown over us.  Before we had time to swallow the enormity of the ‘insecurity’ posed by five bloggers and a publisher killed in the last eight months, we were covered up in a ‘blanket of security’.   Before we could register the one-party municipal election we are about to enjoy, two eagerly awaited hangings were announced.  Thus, and so:

“Nirapothar chadore dheke rakha hoyechhe Dhaka Central Jail.”  Good, in fact thank you, but has the blanket been lifted since? Will this coldness, this fear, ever thaw? And did the blanket really come down that fateful night when history was served or was it already keeping us warm in an ever warmer earth?

Precedents are perhaps all we are about… “Amader first hote hobbe, tai na…” An IUB faculty and friend was sarcastically referring to biometric SIM registration and how we were proudly stepping into unchartered territory, with the exception of one or two African states.  Terrorism calls for terrific measures. But if the opposition, and its hundreds of thousands of supporters, is not a banned terrorist outfit—in spite of endless rhetoric that would have it even more illegitimate than Jamaat, not even just by association anymore—this form of ‘delegitimizing’ a political party would normally have the effect of delegitimizing the state that has declared an unofficial war against almost forty percentage of its population.

While the imprisonment of leaders before the nonetheless performed spectacle of petrol bombs during January’s post electoral blockade can be post facto argued as “pre emptive,” the pre-emptive ‘strike’ of November has no deductive or inductive logic behind it. It is simply justified—if it is justified at all, no one feels the need in a climate of generalized ‘terror’– by the suspicion of potential sabotage (albeit sabotage of ‘normalcy’ as much as anything else). One man’s sabotage is another man’s subterfuge:  will potential provocateurs and saboteurs, disciplined, remanded, be released in time for elections?  Discipline and Punish: just don’t make this spectacle so damn obvious.  News from yesterday: We are looking forward to Awami-Awami violence, in case we miss the normal bipartisan blood spilled.  Thousands languish in Bangladeshi prisons since time immemorial (that’s colonial Greenwich standard time); but the hundreds of thousands in prison now herald the zeitgeist of a new political age (If we are to look for precedents in our own history, the parallels could get tricky, from the Pakistani period to BAKSAL)

The question occurs, under what climate, in what world, through which discourse, can a society accept this form of ‘open’-literally, for many are in a permanent ‘makeshift’ prison in tents–incarceration of tens of thousands of its people? The grassroots workers in jail, those who ‘do’ the BNP (just as their counterparts who ‘do’ the Awami League), are not separate form this society.  Their party has not been declared ‘illegal’ or even ‘illicit’ as Jamaat’s has—even– rhetorically;  yet, by all means, if there is any path towards such a historic moment, then the mass detention of the (unofficial) opposition’s workers certainly entail that inexorable destiny. In world and national history it is one-party or one-man/woman dictatorships that have been synonymous with such mass detention (apart from episodes of ethnic cleansing, etc).

Not a few fingers point to a state that has one, inviolable source of legitimacy: the war crimes tribunal (i.e. a historic burden of Chetona).  In itself, it is no mean source, with genuine support if not national consensus, much more powerful than the regime’s growth rhetoric.  Yet, apparently it is not sufficient to ensure the sound sleep of our rulers, underneath that blanket of security: complete acquiescence seems necessary, the slightest divergence/dissent somehow points at the threat of a critical mass, ‘democracy’ seems as much a threat as ‘terror.’ Critical mass (the threshold on which the status quo one day dissipates) where the foundations cannot hold. Thought is almost as ‘unfree’ as action.

Again, let me repeat, not to say that AL does not have support, the highest members of the ‘culture literati’ paid homage to the PM for her ‘environmental achievements’ even as UNESCO finally expressed alarm at Rampal power plant in the Sundarbans.

But these same supporters, who ‘cover’ with a shroud of protective love, fierce rhetoric and sometimes, sometimes, genuine feeling, never even feel they have to answer why thousands of BNP’s workers are being rounded up before the polls, rather than—just for comparison’s sake– thousands of Jamaat’s workers before the verdict of a war criminal. The threat of the BNP organizing its grassroots workers (leaders in September declared they had begun work in 74 units) seems sufficient condition for such blatantly totalitarian actions by the regime.

But I have a proposition: remember how ‘we’ were comparing the BNP to the Naxals? Absurd to some, perfectly logical to others, but hey, for rationality’s sake/if not realpolitik: why don’t we just follow through and do what India did with them? Why don’t we declare them illegal? At least then that section of Bangladesh considering opposition politics as a legitimate form of protest will know that somehow their actions have crossed a boundary that never existed when their counterparts were in their place ( history begins and ends with the victors and why should this be different?)— know that they have been so ‘burnt’ in the eyes of the public, in poetic banners and graffiti all over town, that they are not allowed to function legally?

Look into the legal question.  Lock the terror away—no, confiscate, quarantine, suffocate, squelch, corner, liquidate… No…they will only throw blockbuster shows, while the prison vans carry them away…

Alas, the question is not legal.  In a country of one hundred sixty million people, if the forty percent of the population that constitutes BNP’s core vote is incarcerated and ‘incarcerable’, the prison-bail-remand industry becomes a lucrative source of profit.  And more importantly, virtually endless. Prison, after all, is not just perianal amusement, mind you, but often referred to as an industrial complex, with a vibrant economy.  In America, the ‘military-industrial’ complex has its own GDP, if you will.

One of the biggest (baddest, baby) ‘throwers’ of parties in Bangladesh is the military: so are the US Marines stationed here in Dhaka.  The military has always been a key player in Bangladeshi politics, but its cultural import should not be considered insignificant; for reasons both profound and ironic, it still inspires respect, awe and submission. The army stadium, just one platform for civic ‘togetherness’ is just a token ‘cultural refreshment’, only a mocktail after all, not a Molotov…

Now, this article is not another brick in the wall of the well-established discourse of a militarized, police state. Or an obituary for the opposition; or even, the slightest death threat to the ruling regime.  It is, if anything, a missed call to the uncritical ‘mass/class’ here and there orbiting November, December, January… To pretend everything is normal as long as the wheels of growth do not grind to a halt is the great virtue of the capitalist mode of production and, if you will, mode of ‘life’ and death. And, if anything, the ‘culture’ precedes the politics.

‘Art’ replaced God in the west a long time ago as the ‘opium’ of the m/asses, as a professor of literature in the University of Geneva once declared to me…The tourists may come to the biggest show in town in February, the Samdani Art Summit, through different borders than the dealers in arms, but the circuits of pleasure and pain somewhere do meet, perhaps in the no man’s land of spectacle. Oishi will have a noose on her neck, but the security forces and godfathers who deal in yaba will not.  War criminals who facilitated or participated in the torture of so many will hang but those who keep well-identified torture cells today will not. The age of the spectacle does not let us mourn the horrors of a terror attack or the loss of our freedoms long, sublimating everything into fear and/or joy,  lest we recognize other crimes, other criminals, repeating history piecemeal,  like the bullet-perforated path of a third world war. And the prison vans pass us by, on our way to the ‘theatre’. Yesterday’s news of ISIS, tomorrow’s news of Ansarullah Bahini, and a promise of more of the same.  Nothing, nothing between pleasure and pain, the keyboard set to this scale. No third taste, no minor chord.  Once in the theatre, that old Arabic root word next to the Latin: No exit.

A tale of two mockingbirds: Public reaction in Pahela Boishkah and echoing namelessness.

1

By Seema Amin

“The ‘they,’ as it were, can constantly have ‘them’ invoking it…”—   Heidegger

Easy does it. ‘They’ did it.      

In ‘To kill a mockingbird,’ Harper Lee described the subjectivism of human experience:  People generally see what they look for, and hear what they listen for. Justice, in this worldview, tends to ‘black out’, losing consciousness to a kind of societal tunnel vision. Atticus Finch, protagonist in that American classic, saw mockingbirds as epitomes of harmlessness, innocent songbirds that should not be prey to the predator.  But in the natural world, mockingbirds are characterized by quite another ‘gift’. Mockingbirds mimic other birds. The song of the mockingbird is a song of the average, a kind of adjusted polyglot’s mean of birdsong…

The culture of ‘public reaction’ in Bangladesh today is an echo chamber of mockingbirds, not too distant from the cultures of resistance/s. The same coterie, friends, networks, who ‘resisted’ together for forty years resist on. They sign together, dine together, sing and fight together.  Yet around them the ‘culture’ of corruption—the three muskateers of political, social, sexual corruption–has not changed terrifically, much as the colors of our national holidays remain heroically the same, strutting ‘freedom’, tradition, and ‘progressive liberal values’ all at once, singing the song of the average.

Heidegger’s treatment of the ‘They’ in Adorno’s The Jargon of Authenticity, plumbs the concept of ‘averageness’ in a culture of exchange:  ‘Being-with-another’ concerns itself with averageness…Thus the ‘they’ maintains itself factically in the averageness of that which belongs to it, of that which it regards as valid and that which it does not, and of that to which it grants success and that to which it denies it… This care of averageness reveals in turn an essential tendency of Dasein which we call the ‘leveling down’…of all possibilities of being.” Complex as it sounds, Adorno makes this concept concrete when he describes a world born of phrases, chatter, giving birth to a   ‘reality that arose in the name of culture.’

A few days after the coordinated public ‘humiliation’/molestation/ dare I say—rape– of more than twenty women in Dhaka University’s TSC, Information Minister Inu described the style of the ‘attack’ as ‘Talibaneque.’ It would take the Taliban of course, or Isis, or, at the very least, Ansarullah Bahini, to get away with—ehm–this crime of ‘no name’ that Rahnuma Ahmed, in 2010, named in an article entitled, “Chatra League and sexual violence, A wide spread state of denial,” after incidents of sexual harassment in the same Raju Chottor area in Pahela Boishakh. In 2015, of course, it would take the Taliban. And this, though the security is beefed up more each year, audibly to stem any miniscule threat of ‘militancy’, cultural harassment, etc. We heard the same stories of extraordinary security measures, special RAB and police booths as in Ekushey and Boi Mela, when blogger Abhijeet Rai was silenced forever.  And yet, in spite of everything, the same exact venue remained ‘outside of the jurisdiction’ of security. No surprise. They—the Taliban– control Shahbagh after all. They won the spoils of that war in 2008. They mark their territory, we circle in their piss. They came from underground terrorist tunnels behind TSC, they were handed over by Nandi to the police, who, in turn, were so enamored with the most wanted terrorists of Bangladesh that they released them, did not even take a second glance at the now famous ‘bearded man’ seen repeatedly near the scene on the cameras…Beards get alarming only in the aftermath.  But of course! The terrorists control Shahbagh.

In spite of detailed reports in the print media immediately after the incident, recounting sexual harassment in Jagannath by Chatra League on the same day as the spectacle at TSC, the TV media mediated an Islamic threat soon after, reporting what could well be a clue, or a red herring, that the state’s mouthpieces were only to eager to echo. Meanwhile, the weight of the ‘evidence’ veered towards the song of the average. Women’s rights activists, university professors, writers, even students, seemed caught between explaining the endemic environment of sexual harassment and ringing the alarm bell over a threat to the national (secular) culture of Pahela Boishakh. Exceptions to note: some referred back to the pages of history, the 1998 protests over serial rape by Chatra League cadres in Jahingnagar University; some hinted at the political patronage that creates impunity. But the echo chamber, where the mockingbirds flocked quickly, swiftly sang the song of the Rooster of the morning after, who announced with alarm the usual, and yet, unusual suspects. Chatter flits between half truth and an incomplete lie.

In a thorough report in the Dhaka Courier (24 April) the culture of impunity in rape and sexual harassment prevalent even in ’73 is mentioned, alongside the historical marker of ’71 regarding rape. Afsan Chowdury’s purported claim that the destigmatization of rape was ‘the most significant’ legacy of Pakistan, that the ’71 breakdown of norms regarding public rape allowed impunity regarding rape  to become the norm, is intriguing; Bangladesh, however, did not merely continue impunity for Pakistani and razakar rapists, they gave impunity for rapists from our own freedom fighters. War has always involved rape and the notion that it takes such a violent ‘breakdown’ for the patriarchal norms in peacetime to change should raise some questions. In any case, today if we continue to thank Pakistan for the ‘destigmatiziaton’ of pubic rape we may as well blame patriarchy and its normalization of sexual violence on Pakistan in independent Bangladesh. Afsan Chowdhury himself is quoted elsewhere saying that power and privilege provides impunity to rapists; and has that power not changed hands? Only from man to man, state to state, old patronage, new patronage. Merely.

The report’s own description of Chatra League’s shame provides some clue: “DMP Joint Commissioner Munirul said they were working on releasing the suspects’ photos taken from screenshots of the footage. But in a related development, popular website Moja Loss had to wrap up their social awareness work done through the site after using the CCTV footage to identify some of the perpetrators and providing links to their Facebook pages. Many of the identified louts were found to be members of the Bangladesh Chhatra League, the student wing of the ruling party.”

The same report mentioned Chatra Union Dhaka University unit’s president Liton Nandi’s witness of men who were saying “record this Record this! We will never get such a view again.”  Ironically, the ‘view from camera 16”, the one camera from which footage has not  been released but which was placed in the area where the more ‘nameless’ acts occurred, may well also never be the same again. It is easy to doctor footage once so much time has passed. And given the way the security forces and state has reacted so far, a state so willing to ‘set the record straight’….one can, I suppose, only believe our authorities ‘innocent until proven guilty.’  Alas, still, the footage needs to be released, if only for us to know the full extent of what Rahnuma called a ‘nameless crime.’ The New York times live website recently did an article on “Sunitha Krishnan, the woman  who made the bold and controversial move of posting real footage of men raping women on the Internet” and how it led to the identification of rapists following the 2012 New Delhi rape, among other cases.

Rahnuma Ahmed, in the 2010 article, ventured that the widespread ‘state of denial’ regarding Chatra League’s involvement in rape was slowing shaking. Did it? Has it? Does the crime have a name? In spite of commendably large, widespread and energetic protests following this year’s event, the chatter in the echo chamber seems to fall squarely in the center of the cesspool of events of the last few years where impunity has prevailed, and where,  on the occasion someone is indicted the public largely remains skeptical that the actual criminals were found.

For so many reasons, my suspicions are with the most likely suspects, not the usual suspects, given the weight of history, the precedents of 2010, the particular style and nature of the assaults and the simultaneous assaults in Jagannth University on the same day, and the reining in of Chatra League’s women by the party following their desire to protest the incidents; and, and, and. But I maintain reasonable doubt. I ask myself, if an Islamic militant wanted to make a point with this coordinated lechery, what is the point ‘they’ would make? I know the mockingbirds’ answer: To intimidate those who practice ‘Bengali culture.’ But I get lost in irony.  Point: Today, like every day, women are subject to public and private abuse simply because of the fragrance they carry of ‘womanhood.’ That fragnance is ‘apparent weakness.’ The same fragrance for which the police were emasculated by our valiant Chatra Union protestors when they came with bangles and sarees to Shahbagh thana. What point, then, was Chatra League making in Jagannath? What point were they making in hundreds of cases of assault that they have been implicated in over the years?  Which Islamic force incited them, were they trying to suppress our ‘national culture’? What point were they making when their own female members wanted to protest? And were they making similar points when they extorted Jatra’s Anusheh over a concert, and failing to convince her, incited the conservatives of a village in Sundarban to rise against improperly covered women? But the media barely mentioned the connection.  Some media, in fact, were found to be involved in the extortion. And how am I to separate the point they were making from the chatter: our famous actresses and activists vociferously muddling the waters so the dogs of Shahbagh can maintain jurisdiction– the one the police can quite honestly claim was not theirs— forever.

Friends, sisters, aunties, mockingbirds.  The boy who cried wolf will one day face a real wolf. And that day, the wolf won’t spare any of us, not women, not minorities, no one. Just like we didn’t spare them. Though they hid in the jungle, as harmless as Lee’s innocent birds, the day our tigers roamed free, preying without fear, with the help of our mockingbirds. The dogs of Shahbag mark their territory and we circle in their piss. We sing songs of awakening. But no one wakes up in an echo chamber. Like the vuvuezla that deadens ours sense of sound, the sound of a ten year old screaming, being bitten, thrown, the obfuscations of the mockingbirds make obfuscation of the state unnecessary. And the show goes on.

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে স্বৈরাচারের সাফাই

by Ariful Hossain Tuhin

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে একটা মতামত বিশ্লেষণ ছাপা হয়েছে (link at the bottom of article) বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে। যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে কথাবার্তার ফাকে একটি অনুচ্ছেদ বেশ চোখে পরার মত —

“But the battle between the BNP and Ms. Hasina’s Awami League—marked by pitched street battles and paralyzing strikes—isn’t between two equally bad parties. Ms. Hasina stands for a country whose Muslim majority lives in harmony with both its own distinctive Bengali cultural traditions and with other faiths. The BNP, by allying with Jamaat-e-Islami and condoning violence to force fresh elections, mostly offers strife and intolerance.”

প্রথম আলো অথবা ডেইলী স্টারেও আসলে এই ভাষায় বর্তমান পরিস্থিতিতে অপ-এড ছাপা হয় না। ২০০৯ সালের দিকে আনিসুল হকরা লিখতেন “ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড বাদ দিলে সরকারটা আওয়ামী লীগ খারাপ চালায় না”। আনিসুল হকের ঐ বক্তব্যের কনটেক্সট ছিল কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর কিছু “কৃষিবান্ধব” পলিসি। ২০১৫ সালে আনিসুল হক এইভাবে লেখার সাহস করেন না। আসলে আবদুল গাফফার চৌধুরী ছাড়া কেউই বোধহয় ২০১৫ সালে এইভাবে লিখতে পারবেন না।

ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল রুপার্ট মারডকের মিডিয়া এম্পায়ারের অংশ। তাদের এডিটরিয়াল স্ট্যান্স প্রধানত নিও-লিবারাল পলিসির কট্টর এবং আন কম্প্রোমাইজিং সমর্থন দ্বারা পূর্ণ।

এই কারনেই এই অনুচ্ছেদের সাথে কেউ যদি যুক্তরাষ্ট্রের মিশর পলিসির সাথে মিল খুজে পান, তাহলে তাকে দোষ দেয়া যায় না।

আশির দশকে যুক্তরাষ্ট্রএর মধ্য আমেরিকায় বিভিন্ন অন্যায্য কাজকর্ম যেমন সরকার উতখাত, গনহত্যাকারীদের সহায়তা দেয়া থেকে শুরু করে মাদক চোরাচালানীদের সাহায্য করা, কোনকিছুই বাদ পরেনি। তবে সবচেয়ে মজার বিষয় ছিল রিগান এডমিনিস্ট্রেশনের ইরান-ইরাক যুদ্ধের “সাস্টেইন” করানোর নীতি। ইরান-কন্ট্রা স্ক্যাণ্ডালের সময় দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের দুই পক্ষকেই অস্ত্র বিক্রি করছে।

গনতন্ত্রের নামে এক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে অন্য স্বৈরাচারের পক্ষে দাড়ানোর স্ববিরোধিতাটুকু কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকরা সমাধান করত? এই স্ববিরোধিতাটুকু সম্পর্কে নীতিনির্ধারকদের অস্বস্তি ছিল। কিন্তু তারা একটি যুক্তি দাড়া করিয়েছিল।

যুক্তিটি কিম্ভুত।

যুক্তিটি হচ্ছে “অথোরেটারিয়ান” আর “টোটালিটারিয়ান” সিস্টেমের মধ্যে পার্থক্য করা।

১৯৭৯ সালে Jeane Kirkpatrick কমেন্টারী ম্যাগাজিনে এই বিখ্যাত ধারনাটির সুত্রপাত করেন। তিনি অবশ্য হানাহ আর্ডান্টের একটি ধারনাকে ঘুরিয়ে পেছিয়ে এই আর্টিকেলে উপস্থাপন করেন। তার বক্তব্য থেকে কিছু উদ্ধৃতি দেয়া প্রয়োজন —

“There is a damning, contrast between the number of refugees created by Marxist regimes and those created by other autocracies: more than a million Cubans have left their homeland since Castro’s rise (one refugee for every nine inhabitants) as compared to about 35,000 each from Argentina, Brazil, and Chile. In Africa more than five times as many refugees have fled Guinea and Guinea Bissau as have left Zimbabwe Rhodesia, suggesting that civil war and racial discrimination are easier for most people to bear than Marxist-style liberation.”

তার মতে বর্ণবাদ-গৃহযুদ্ধ থেকেও মার্কিস্ট একনায়করা খারাপ!

বুঝলাম মার্কিস্ট একনায়করা খারাপ। ভালো কথা। কিন্তু মার্কিস্ট না হওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রিয় ডিক্টেটরদের “ভালো গুনগুলো” কি? মানে এল সালভেদর কিংবা নিকারাগুয়া কিংবা এপার্থিড দক্ষিণ আফ্রিকা কেন বেশ ভালো এইটা বুঝতে তার প্রবন্ধটি আরেকটু পড়তে হবে —

“Since many traditional autocracies permit limited contestation and participation, it is not impossible that U.S. policy could effectively encourage this process of liberalization and democratization, provided that the effort is not made at a time when the incumbent government is fighting for its life against violent adversaries, and that proposed reforms are aimed at producing gradual change rather than perfect democracy overnight.”

হুম বুঝলাম। যেহেতু অন্য একনায়করা তাদের জনগনকে পার্টিসিপেইট করতে দেয় না, সেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের পলিসির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকা ঐসব সরকারের পক্ষে সহজ হবে। সুতরাং দেশের জনগন এখানে গুরুত্বপূর্ণ না। এমনকি গনতন্ত্র তখনই গুরুত্বপূর্ণ যদি সেই গণতন্ত্র থেকে এমন কোন পন্থা না বেড়িয়ে আসে যা যুক্তরাষ্ট্রের হেজেমনিকে আক্রমণ করতে পারবে।

তাহলে আসল গনতন্ত্রীর সংজ্ঞা কি?

এই সংজ্ঞাও লেখিকা দিয়েছেন —

“If, moreover, revolutionary leaders describe the United States as the scourge of the 20th century, the enemy of freedom-loving people, the perpetrator of imperialism, racism, colonialism, genocide, war, then they are not authentic democrats”

মানে যারা যুক্তরাষ্ট্রের পাপের খতিয়ান রাখে তারা “আদি এবং আসল” গনতন্ত্রী নয়। বেশ সোজাসাপ্টা হিসেব আসলে। গনতান্ত্রিক হতে গেলে নিজের দেশের জনগনের অংশগ্রহন নিশ্চিত করনের কোন দরকার নাই। গুরুত্বপূর্ণ পলিসি ইস্যুতে যদি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সঠিক সুরে কথা বলতে পারেন, তাহলে আপনিও হয়ে যেতে পারেন “আসল গনতন্ত্রী”।

কিছুদিন আগে ইয়েমেনে সৌদি বোমা হামলার সমর্থন এর পক্ষে কথা বলতে গিয়ে ওবামা এডমিনিস্ট্রেশনের একজন মন্তব্য করেছিলেন,

“The measure of the US policy should not be graded against the success or stability of the Yemeni government, that’s a separate enterprise. The goal of US policy toward Yemen has never been to try to build a Jeffersonian democracy there. The goal of US policy in Yemen is to make sure that Yemen cannot be a safe haven that extremists can use to attack the West and to attack the United States.”

৯/১১ এর পরে যুক্তরাষ্ট্রের পলিসির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বের অধিকারী বিষয়গুলোর মধ্যে উঠে এসেছে মিলিট্যান্ট ইসলামকে প্রতিরোধ করা। এখন কোনটা আসলে “মিলিট্যান্ট ইসলাম” সেটা অবশ্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কারন সাদা চোখে অগনতান্ত্রিক, নিয়ন্ত্রনবাদী ইসলামিক রাজনীতিকেই যদি আমরা মিলিট্যান্ট ইসলামের প্রধান উপাদান ধরি তাহলে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্রই “মিলিট্যান্ট ইসলাম” নামের ছাতার তলে এসে জমা হয়। অন্যদিকে যারা “নিয়ন্ত্রনবাদী-অগনতান্ত্রিক” নয়, তারাও যদি যুক্তরাষ্ট্রের হেজেমনিকে অস্বীকার করে, যেমন ইয়েমেনের “হুতি”রা, তাহলে তারাও সন্ত্রাসবাদের তকমা পাবে।

এইসব ক্যাটাগোরাইজেশন করার সময় অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ পলিসিমেকার গাঁজা খেয়ে থাকেন বলে আমি বিশ্বাস করি। কারন একজন শিশুর কাছেও প্রতীয়মান হওয়ার কথা যে ইয়েমেনে বোমা হামলা এবং ততপরবর্তী নৈরাজ্যে সবচেয়ে লাভবান হবে AQAP( Al qaida in Arabian Peninsula)

এই “ব্রেইন ডেড” ডক্ট্রিনের উপর ভিত্তি করেই ওয়াল স্ট্রীট জার্নালের এই প্রবন্ধটির গোড়াপত্তন। এই মুহুর্তে আওয়ামী লীগ যুক্তরাষ্ট্রের পলিসির কাছাকাছি ন্যারেটিভে চলছে। সুতরাং এই মুহুর্তে বাঙ্গালদেশের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোন কথা হবে না। শুধু সরকার বিরোধীদের সন্ত্রাসই এখন সেই পলিসির চশমায় চোখে পরবে। এর সাথে দেশের মানুষের ইচ্ছা-আশা-আকাঙ্খার কোণ সম্পর্ক নেই।

আর এই কারনেই বিএনপিও বিভিন্ন চ্যানেলে বার বার সকলকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করে, যে তারা কোনভাবেই যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের হেজেমনিকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করবে না। তারাও সুবোধ বালকের মতই এই হেজেমনির আধিপত্যের ছায়ার তলে থেকে নিজেদের আখের গোছাবে।

এই খেলায় জনগন এবং তার ইচ্ছার কোন গুরুত্ব শেষ পর্যন্ত নেই। ৪৪ বছর ধরে চলা ব্যর্থ এক্সপেরিমেন্টকে ধাক্কা দেয়ার জন্যে যেমন ইনোভেটিভ চিন্তাভাবনার দরকার ছিল তা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। সেখানে শুধু প্রভুর প্রশাস্তি এবং প্রভুর আশীর্বাদে উদরপূর্তি একমাত্র লক্ষ্য।

http://www.wsj.com/articles/bangladeshs-good-fight-against-islamism-1429718057

জনাবা শেখ হাসিনা,

by Watchdog BD

জনাবা শেখ হাসিনা,

মাননীয়া সম্বোধন করে আপনাকে সন্মান দেখাতে পারছিনা বলে দুঃখিত। প্রথমত, বিশ্ব হতে উপনিবেশবাদ অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে। ব্রিটিশ প্রভুদের কায়দায় কথায় কথায় মাননীয়া জাতীয় শব্দ ব্যবহার করে নিজকে দুইশত বছর আগের দাস যুগে ফিরিয়ে নিতে চাইনা। খোদ ব্রিটিশরাও এখন আর এ জাতীয় শব্দ ব্যবহারে অভ্যস্ত নয়। বারাক ওবামা আমার দত্তক নেয়া দেশের প্রেসিডেন্ট। পৃথিবীর সবচাইতে শক্তিধর প্রেসিডেন্টকে আমি জনাব প্রেসিডেন্ট বলতেই অভ্যস্ত। এ নিয়ে খোদ ওবামা যেমন অভিযোগ করেননি, তেমনি তার দল ডেমোক্রেটরাও আমাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করেনি। আপনাকে নিশ্চিত করতে পারি হাজার ব্যস্ততার মাঝেও প্রেসিডেন্ট ওবামা আমার মত একজন সাধারণ সমর্থক ও নির্বাচনী কর্মীর সাথে নির্বাচন উত্তর যোগাযোগ রাখতে ভুল করেন না। দ্বিতীয়ত, আপনি বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার প্রধান নন। আপনি দলীয় প্রশাসন ও বন্দুকের নলের মুখে অনির্বাচিত সরকারের প্রধান। তাই আমাদের সংস্কৃতিতে স্বীকৃত ও প্রাপ্য সন্মান দেখাতে পারছিনা বলেও দুঃখিত। আইনগত ভাবে আপনি কোনটারই দাবিদার হতে পারেন না। আপনি জারজ সরকারের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী। চাইলে দলীয় চামচা ও প্রশাসনের ভাড়াটিয়া বাহিনী পাঠিয়ে আমাকে শায়েস্তা করার চেষ্টা করতে পারেন। কিন্তু আপনাকে নিশ্চিত করতে পারি আমি যা বলতে যাচ্ছি তার সবটুকু বলা সম্ভব না হলেও কেউ না কেউ একদিন এসব কথা মুখ ফুটে বলতে শুরু করবে। বাংলাদেশের ১৫ কোটি মানুষের সবাইকে ভয়, সন্ত্রাস ও পেশী শক্তির কাছে জিম্মি রেখে, গায়ের জোরে ক্ষমতার সিংহাসন আলোকিত করার নিশ্চয়তা কেউ আপনাকে দিতে পারবেনা। সময় আসবে এবং আপনার প্রতি সেকেন্ড কর্মকাণ্ডের জবাবদিহিতার দাবি উঠবে। এবং তা হবে সভ্যতার দাবি। সময়ের চাহিদা।

জনাবা হাসিনা,

ঘটনা হাজার রজনীর আরব্য উপন্যাস হতে নেয়া নয়। ৬০-৭০’এর দশক এখনো ইতিহাসের পাতায় সমাহিত হয়নি। আমরা যারা বেঁচে আছি তারা ভুলে যাইনি কেন এবং কোন প্রেক্ষাপটে এ দেশের মানুষ সংযুক্ত পাকিস্তানকে লা-কুম দিনু-কুম জানিয়েছিল। স্বৈরাচারী সামরিক জান্তা ও তাদের পোষ্য ২২ পরিবারের শোষণ, পিষণ ও সন্ত্রাসের নাগপাশ হতে মুক্তি পাওয়ার ভ্রূণেই জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশ নামক দেশের স্বপ্ন। সে স্বপ্ন অঙ্কুরিত হয়ে পল্লবিত হয়েছিল ৭০’এর দশকে। ফলশ্রুতিতে মানুষ অস্ত্র হাতে নিয়েছিল এবং ইতিহাসের অমেঘো পরিণতিতে সংযুক্ত পাকিস্তান ঠাঁই নিয়েছিল আস্তা-কুঁড়ে। আজ আমরা নিজেদের স্বাধীন এবং সার্বভৌম বলে দাবি করি। আসলেই কি তাই? আপনার অভিধানে স্বাধীনতার সংজ্ঞা কি আমাদের জানা নেই। তবে আমাদের অভিধানে এ সংজ্ঞা কেবল আপনার বাবাকে দেবতার আসনে বসিয়ে পূজা অর্চনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বাধীনতা ২২ পরিবারের খপ্পর হতে বেরিয়ে ১ পরিবারের রাজতন্ত্র কায়েম করাও নয়। স্বাধীনতা একটি চলমান প্রক্রিয়া। ভৌগলিক দিয়ে শুরু হলেও এর শেষ ঠিকানা অর্থনৈতিক মুক্তি তথা সামাজিক নিরাপত্তায়। জাতিকে আপনি অথবা আপনারা কি দিয়েছেন ভেবে দেখেছেন কি? গোটা দেশ পরিণত হয়েছে মাফিয়া স্বর্গরাজ্যে। লুটপাট-তন্ত্র রাজত্ব করছে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্র। খুন, লাশ, গুম পরিণত হয়েছে দৈনিক ডাল ভাতে। মানুষ মরছে জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে, শয়নকক্ষে। লাশ হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে নদী-নালা, খাল-বিল, ডোবায়। আতংকের কালো ছায়া গ্রাস করে নিয়েছে মানুষের দৈনন্দিন জীবন। বলতে বাধ্য হচ্ছি জনাবা, সবকিছু হচ্ছে আপনার নেতৃত্বে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আপনাদের পারিবারিক সম্পত্তি। এর অঙ্গ সংগঠন সমূহ আপনার পেশিশক্তি। এদের যৌথ প্রযোজনায় যে পশুশক্তি জন্ম নিয়েছে তার কাছে অসহায় হয়ে পরেছে গোটা জাতি। গোটা দেশের মালিকানা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নেয়ার লালসায় দেশের সবকটা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আপনি তচনচ করেছেন। কেড়ে নিয়েছেন নাগরিকদের ভোট দেয়ার অধিকার। দুমড়ে মুচড়ে তক্তা বানিয়েছেন কথা বলার স্বাধীনতা।

জনাবা হাসিনা,

মুক্তিযুদ্ধ আপনার বাবা অথবা পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি নয় যা দিয়ে আজীবন ব্যবসা করে যাবেন। যুদ্ধের কোন ফ্রন্টেই আপনাদের কারও কোন অবদান ছিলনা। আপনারা কেউ যুদ্ধে যাননি। দখলদার বাহিনীর নিরাপদ আশ্রয়ে নিজেদের চামড়া বাঁচিয়েছিলেন কেবল। চাপাবাজি আর পেশি শক্তির উপর ভর করে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতাকে বানিয়েছেন ক্ষমতা কুক্ষিগত করার লাভজনক পণ্য, প্রতিপক্ষ নির্মূল করার ধারালো হাতিয়ার। শেখ পরিবারে আজীবন দাসত্ব করার জন্য বাংলাদেশের জন্ম হয়নি। এ দেশের জন্ম হয়েছিল বুক ভরে নিশ্বাস নেয়ার জন্য, স্বাধীনভাবে কথা বলার জন্য, অন্ন,বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা সহ মৌলিক অধিকার সমূহের নিশ্চয়তা পাওয়ার জন্য। আজ কোথায় এসব? স্বাধীনতাকে আপনি কবর দিয়েছেন শীতলক্ষ্যার পানিতে। বর্গা দিয়েছেন র‌্যাব, পুলিশ ও ছাত্রলীগের পদতলে। ওরা জাতির গলা চিপে শ্বাস বের করে আনছে এবং পৈশাচিক উল্লাসে আনন্দ করছে। আপনি গণভবনের চার দেয়ালে বসে মুচকি হাসছেন এবং মিথ্যাচারের গর্ভে জন্ম দিচ্ছেন নতুন এক দশ। অচল ও বিকলাঙ্গ বাংলাদেশ।

জনাবা হাসিনা,

ক্ষমতার স্বাদ খুবই সুস্বাদু। সহজে কেউ ভুলতে পারেনা। আপনি পারবেন না। কিন্তু সময় আসবে এবং আপনার স্বপ্নের তখত তাউসে আগুন লাগবে। সে আগুনে আর কেউ জ্বলবে না,জ্বলবেন আপনি এবং আপনার পরিবার। অযোগ্যতাই হবে আপনার পতনের মুল কারণ। বাংলাদেশের মত জটিল আর্থ-সামাজিক দেশ পরিচালনা করার ন্যূনতম যোগ্যতা নেই আপনার। তাই জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদায় নিন। ইতিহাসকে আপন গতিতে চলতে দিন। এ দেশের মানুষ গোলাম হয়ে জন্ম নিয়ে গোলাম হয়ে মরতে অভ্যস্ত নয়। তারা ঘুরে দাঁড়াতে জানে।

শান্তি‬ ‪ও একচক্ষু‬ ‪‎হরিন‬

by Imtiaz Mirza

১৯৭১ এর সেপ্টেম্বর মাস । একটি তরুনের বাবাকে পাকিবাহিনী হত্যা করেছে , মুক্তিকামী জনতাকে সরকারী অস্ত্রশস্ত্র বিলিয়ে দেয়ার জন্য ।
তরুনটি চিন্তা করে যুদ্ধে যাবে , পাকিবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিবে , দেশকে মুক্ত করবে অচলাবস্থা থেকে । কল্পনায় সে রাইফেল চালায় , পাকিদের মেরে খতম করে , রাজাকারদের ফুটো করে দেয় ।
ভাবতে ভাবতে হঠাৎ সে গুলির শব্দ শুনতে পায়, সচকিত হয়ে সে খেয়াল করে গুলির শব্দ কাছাকাছি কোথাও থেকেই আসছে ।
পাশের ঝোপের মধ্যে সে পালিয়ে যায় , কিছুক্ষন পর টের পায় , উষ্ণ জলধারা তার প্যান্ট ভিজিয়ে দিয়েছে ।
ভিজে ভিজে গরম অনুভূতি নিয়ে সে অস্ফুটে বলে , যুদ্ধ নয় শান্তি চাই , একটুখানি শান্তি চাই , শান্তি মতো জলত্যাগের অধিকার চাই।
_____
১৯৭১ এর ডিসেম্বর মাস , ভারতীয় বাহিনী যুদ্ধ শুরু করেছে , প্যান্ট ভেজানো তরুন যুদ্ধে যায়নি বরং রাজাকার পীরের মুরীদ হয়ে , টুপি লাগিয়ে প্রানে বেচেছে ।
ভারতীয় বাহিনীর যুদ্ধটিকেই তরুনটি আসল যুদ্ধ মনে করে , সে মনে মনে ঠিক করে সে আসল যুদ্ধে যাবে , গেরিলা যুদ্ধের মতো ছিচকে যুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের মতো গ্ল্যামারহীন যোদ্ধা হয়ে তার পোষাবে না । এর মাঝে সে সবাইকে বলে বেরিয়েছে , যুদ্ধ নয় শান্তি চাই , শ্রমিকরা ঘরে ফিরবে তাদের আপন জনের কাছে , তারা যুদ্ধ জানে না , তারা শান্তি চায় ।
মুক্তিযোদ্ধাদের শান্তির কথা বলবা মাত্র তাকে মেরে হাকিয়ে দিয়েছে তাকে , এই উত্তুঙ্গ সময়ে কেউ শান্তির কথা শুনতে চায় না ।

সে মনে মনে শান্তির জন্য যুদ্ধের পরিকল্পনা করতে শুরু করলে , “মাত্র তের দিনের যুদ্ধে ” পাকবাহিনী আত্মসমর্পন করে ।

______

প্যান্ট ভেজানো তরুন , ধীরে ধীরে একচক্ষু হরিনে পরিনত হয়েছে । সে সবাইকে গণতন্ত্রহীনতার কথা শিখাতে চেষ্টা করে । সে খুব সুন্দর করে বোঝাবার চেষ্টা করে , যে জগতে মাত্র পাচটা মানুষের পিএইচডি আছে , আর বাকী সবার ক্লাস ফাইভ ফেল করার অভিজ্ঞতা আছে , যেহেতু
ক্লাস ফাইভেই ফেল করেছে , তাই কারো পিএইচডি করতে চাওয়া উচিত না ।

অর্থ্যাৎ বিশ্বের পাচটা দেশে মৌলিক গণতন্ত্র আছে বিধায় , অন্যান্য দেশ গুলোতে নূন্যতম নির্বাচনও থাকা উচিত না ।

কারন আমরা কখনো পিএইচডি করতে পারবো না , কেন আমরা ক্লাস ফাইভের পরীক্ষা আবার দিবো ? আমরা দেশকে উন্নত করতে পারবো না কখনোই এইকারনে আমাদের দেশে গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা নেই ।

সে সবাইকে বোঝাতে চেষ্টা করে গণতন্ত্র নয় , শান্তিই সবার প্রয়োজন ।
_______

১৯৭১ এ শান্তির দরকার ছিলো , ৬৯ এও ছিলো , ৫২ তে ছিলো , ৯০ তে ছিলো ,
শান্তি দরকার উন্নত জাতি হতে হলে । শান্তির প্রয়োজনীয়তাটা কখনো কম ছিলো না ।

কিন্তু প্যান্ট ভেজানো একচক্ষু হরিনের বক্তব্য মেনে নিলে , লাখ লাখ মানুষ মারার পরো ১৯৭১ এ শান্তির দায়ে , পাকিবাহিনীর ঘেটুপুত্র হয়ে বসে থাকা উচিত ছিলো । আইয়ুব খানের সীমিত গণতন্ত্র অর্থ্যাৎ এলিটদের গণতন্ত্র মেনে চুপ করে বসে থাকা দরকার ছিলো । রাষ্ট্রভাষা উর্দুর মেনে শান্তি মতো বাংলা চর্চার দরকার ছিলো । লম্পট স্বৈরাচারকে দেশ ভর্তি দুর্নীতি করতে দিয়ে
শান্তিকামী জনতার রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনা দরকার ছিলো ।

প্রকৃতপক্ষে , যারা প্যান্টভেজানো একচক্ষু , যারা একটা দলকে নিজের ধর্মবিশ্বাসের চেয়ে পবিত্র মনে করে , দলের নেতাকে ধর্মাবতার জ্ঞান করে , তারা কখনো শান্তি আর অশান্তির পার্থক্য বুঝতে চায়নি । তাদের কাছে নিজের দল যেকোন মূল্যে ক্ষমতায় মানেই শান্তি।

প্রকৃতপক্ষে , হরতাল , অবরোধ , জ্বালাও-পোড়াও , গুলি , ক্রসফায়ার , বালুর ট্রাক , বিরোধী দলের মানুষ হত্যার পূর্বেও দেশে শান্তি ছিলো না , থাকতে পারে না । অশান্তি, ঘুনপোকার মতো দেশকে কাটছিলো , মানুষের হৃদয়মগজ খুড়ছিলো। অশান্তি মানুষের স্বাভাবিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিলো , মানুষের নায্য পাওনা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করছিলো । অশান্তি , অবৈধ সরকার হয়ে
মানুষের টাকা লুটপাট করে উলটো মানুষকে চোখ রাঙ্গানি দিচ্ছিলো । অশান্তি , নূন্যতম নাগরিক অধিকার , মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলো । অশান্তি, বন্দুকে গুলি হয়ে শত শত বিরোধীদলের কর্মীকে হত্যা করেছিলো।
অশান্তি , মানুষকে তার অবেগে দিয়ে ব্লাকমেইল করিয়ে তার যাবতীয় অপকর্মকে শুদ্ধ করে নিচ্ছিলো ।

_______

শান্তি প্রয়োজন , শ্রমিকের , কৃষকের , নাগরিকের , পথশিশুর, অফিস যাত্রীর, গৃহিনীর ।
শান্তি আসবে দূর্নীতির ঘুণপোকা অশান্তি বিদায় নিলে, শান্তি আসবে অবৈধ স্বৈরাচারীর বুলেট স্তব্ধ হলে।

শান্তি আসবে তখনই যখন একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে , যেখানে সবার সমান সুযোগ থাকবে, কেউ নিজের পছন্দ মতো গদি আকড়ে থাকবে না ।

শান্তি আসবে শুধু মাত্র তখনই, যখন প্রতিটা নাগরিক ব্যালট বাক্স দিয়ে তাদের উপর অন্যায়-অত্যাচারের জবাব দিতে পারবে ।

https://www.facebook.com/sunno.aronnok

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বৈরাচারবিরোধী জনমত তৈরির জন্য সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহারের উপায়

যারাই ব্লগে ফেসবুকে আছেন অনেক দিন থেকে তারা জানেন সোস্যাল মিডিয়ার শক্তি অনেক খানি। পৃথিবীর যেকোন খবর এখন সবার আগে টুইটারে প্রকাশ পায় । গুরুত্বপূর্ন এমন কোন নিউজ সার্ভিস নাই যাদের টুইটার একাউন্ট নাই ।

হ্যাশট্যাগকের কাজটা হলো , একই ট্যাগ দেয়া বা একই টপিকে সব খবর গুলো একত্র করা ।
এটা ব্যাবহার করা সহজ । আর একই সাথে সার্চিং সর্টিং কাউন্টিং করতে সুবিধা।

অনেকেই ভাবেন যে লেখালেখি করে কি হয় , আসল কাজ না করে । তারা আসলে ভুল ধারনা করেন । যেকোন পপুলার মুভমেন্টে মানুষের ইনভল্ভমেন্ট লাগে । ১০জন লোকে মিছিল আর ১ লাখ লোকের মিছিল সমান কথা না ।
১ লাখ লোকের মিছিল হতো না যদি সবাই ভাবতো যে আমি তো মিছিলের একটা মুখ।
ঠিক একই ভাবে আপনার একটা সাপোর্ট একটা লেখাও মিছিলের একটা মুখের মতো বড়ো জনমত তৈরি করতে সাহায্য করবে ।

হ্যা আপনার হ্যাশট্যাগের কারনে এখনি কারো পতন হবে , কোন যুদ্ধ থেমে যাবে না সাথেসাথেই ।
কিন্তু মানুষের সচেতনতা তৈরি করতে সহায়তা করবে । এবং সেটাই পজেটিভ ইফেক্ট নিয়ে আসবে । যারা আসল কাজ করতে সক্ষম তারা এতো সাপোর্ট দেখে , নড়েচড়ে বসবে।

যেকোন সামাজিক আন্দোলনে হ্যাশট্যাগ দিয়ে শুরু করতে পারুন । এটা শুধু স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন না  । দেশের যেকোন ইস্যুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসাবে ব্যবহৃত হবে ।

যেহেতু বাংলাদেশীরা ফেসবুক ব্যবহার করে অভ্যস্ত , তাই তাদের পক্ষে টুইটারে লেখা একটু কষ্টকর।
কিন্তু টুইটার ফেসবুকের চেয়ে অনেক বেশী সচেতন করার বেলায় শক্তিশালী , বাইরের দেশের মানুষের মনোযোগ আকৃষ্ট হয় । হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড মানুষের চোখে পড়ে ।

তাই উপায় হলো ফেসবুকের পোষ্ট গুলোকেই টুইটারে পাবলিশ করা ।

খুব সহজেই সেই কাজটা করতে পারবেন ।

১। টুইটার একাউন্ট খুলুন। http://www.twitter.com

২। একাউন্ট থাকলে একই ব্রাউজারের অন্য ট্যাবে লগইন করুন টুইটারে ।

৩। https://www.facebook.com/twitter/ ফেসবুকে লগইন থাকা অবস্থায় এই লিংকে জান ।

৪। সেভ করুন ।

একটা গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার মনে রাখতে হবে । টুইটারে 140 অক্ষরের চেয়ে বেশী এ্যালাও করে না । তাই হ্যাশট্যাগগুলো
পোষ্টের প্রথমে দেয়ার চেষ্টা করুন । ইংরেজিতে লিখলে মানুষ বেশি পড়তে পারবে।
তাই গুরুত্বপূর্ন মেসেজ বা সামারী হ্যাশট্যাগের পরপর ইংরেজিতে লিখুন ।

আপনার বাকি পোষ্ট অর্থাৎ 140 অক্ষরের বেশী হলেও কোন সমস্যা নাই টুইটার একটা লিংক বানিয়ে দিবে খুব সহজেই
সেই লিংক ক্লিক করলে পড়তে পারবে মানুষ ।

এছাড়াও ফেসবুকও জনপ্রিয় হ্যাশট্যাগকে ট্র্যান্ডিং হিসাবে দেখায় । তাই একই স্ট্যাটাস ব্যবহার করে ফেসবুকেও জনমত সৃষ্টি করা যাবে ।

#DemocracyNow #Bangladesh #BDFairElection
Rampant killing by Govt. lenient officials, UN human rights office alarmed at ‘deepening’ political violence

http://www.un.org/apps/news/story.asp?NewsID=49813#.VLlVPyvF9kk
হ্যাশট্যাগ জনপ্রিয় করার উপায় হচ্ছে,  সবাই একই ধরনের হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা ।   যেমন
#DemocracyNow   #BDFairElection #StepDownBakshal #PeaceForBangladesh #Bangladesh #PoliceViolence #FreeSpeech

হ্যাশট্যাগের সাথে  , ইংরেজিতে  অল্প কিছু কথা জুড়ে দিতে হবে , যেমন টুইটার হতে পারে একটি

#DemocracyNow    #PeaceForBangladesh #Bangladesh #PoliceViolence
BD Govt. killed  more than 15 people in 10 days for protesting against them for #BDFairElection

আরেকটা টুইটার হতে পারে ,

#DemocracyNow    #PeaceForBangladesh #Bangladesh
154 MP’s elected without a single vote cast,  we want #BDFairElection

আরেকটা টুইটার হতে পারে ,

#DemocracyNow    #PeaceForBangladesh #Bangladesh
Corrupt Govt. taken power with 5% vote cast   #BDFairElection

আরেকটা টুইটার হতে পারে ,

#DemocracyNow    #PeaceForBangladesh #Bangladesh
Corrupt Govt. making election a mockery , rampant fake vote cast  #BDFairElection

অবৈধ স্বৈরাচারি সরকারের বিরুদ্ধে ইমেজে ইংরেজিতে লিখুন তাদের কারসাজি , তারপর সেসব ছড়িয়ে দিন ।
হ্যাশট্যাগ দিয়ে  রিলেটেড ইংরেজি নিউজ পেপার , বাইরের নিউজ গুলো টুইট করতে থাকুন । তবে লক্ষ্যনীয় ব্যাপার সর্বজন গ্রাহ্য কোন নিউজ না হলে , সত্য নিউজ না হলে
ভেরিফাইড নিউজ না হলে সেসব খবর শেয়ার করা যাবে না ।  একটা মিথ্যাই স্বৈরাচারীদের অস্ত্র হয়ে দাড়াতে পারে ।

একে অপরের টুইটকে রিটুইট করতে হবে , তাতে হ্যাশট্যাগটা জনপ্রিয় হবে । কার্টুনও শেয়ার করা যাবে হ্যাশট্যাগ দিয়ে ।

মানুষকে কোন ব্যাপারে জানাতে হলে টুইটারে জুরি নাই তাই ফেসবুক ব্যবহার করার সাথে সাথে টুইটার ব্যবহার করা শিখুন ।