General Ershad: The Brutal Dictator or The Saviour of Democracy?

Noor Hossain:

It is ironic that I’m writing this piece on our Victory Day that marked the end of our quest for freedom in 1971 . This is the day we’ve achieved territorial freedom.  The history says, we have achieved our political freedom in 1990 when the autocratic regime of Ershad had fallen against years of mass movement.   After the fall of Ershad, we have achieved  freedom for democracy– the freedom of politics in Bangladesh.

Perhaps my narrative would hurt the memories of Noor Hossain or Dr. Milon, two iconic martyrs who were fallen in our struggle to democracy and freedom during the autocratic regime of Ershad.

However, the responsibility of insult, if any to the fallen martyrs, requires to be taken by Awami League, who in the name of democracy and freedom, confiscated freedom and democracy in Bangladesh, step by step, day by day, by force and by bullets –all in the name of freedom and democracy.

Ershad was brutal too. He ruled Bangladesh for about nine years. He curtailed freedom of media, picked up people, played with parliament and so forth. However, no body had seen Ershad or law enforcers were firing indiscriminately to the citizens of Bangladesh, months after months, with little care.

Indeed, Ershad did not declare war against the people of Bangladesh to save his regime. Not to the extent we’re seeing it today. This year, hundreds have been dead in political violence and more are to be dead as Awami League decided to crack down on the opponents with the help of law-enforcing agencies. They’re to launch the attack from December 17, according to reports by newspapers.

Yes you read it right, Awami League decided to crack down opponents. I suggest you to read that  Awami League would shoot down opponents with the help of law-enforcers in this case.

Imagine the picture, a group of civilians are going to kill civilians from opposition with support from state institutions of law enforcing agencies by subverting judicial procedures. It seems, we are in the dress rehearsal session for Afghanistan or Iraq in Bangladesh, where mercenaries are to join hands with militaries to counter oppositions. After all Chatroleagues are mercenaries, they are paid to avail socio-political privileges, in exchange of their dirty work to protect a monarchy or that type!

This means the judicial institution of the state is compromised. It has been done long ago but it is official now. Interestingly, extra-judicial killings of opponents by Awami League who are using state institutions to support its dirty agenda, is not without support from our public intellectuals as Facebook celebrity Zia Hassan or Prothom-Alo editorial member Sohrab Hosain, who publicly urged in separate forms, to support, ‘State Institution’ that  in reality  is compromised by a political party or ‘  Rab and Police to encounter opposition’ against the backdrop of mayhem and chaos, deliberately created by the ruling party to deviate public attention from election issue.

In this state when intellectuals are at their lowest ebb of morality and ethics and the government had pushed the country on the verge of a civil war with its agenda to go ahead with an  one sided election, surprisingly a man stood up in favour of political freedom and democracy–it was Generel Ershad.

As a repercussion of his decision,  Ershad was arrested for not supporting a sham election. He even divorced his wife in accusation of betraying for striking a dirty deal with the current government to support an one-sided election, at least publicly. Skeptics argue that Ershad is staging a soap opera to divert attention.

After 23 years of the fall of his tyrannical regime, it remains to be seen though how Ershad is to be evaluated in course of history.  Will we see him as a former autocrat who stood up against a present autocrat to save democracy in 2013?

Nevertheless, we need to agree that  Ershad is the rock n roll star of Bangladesh politics. Cause no body in the history of Bangladesh politics could rock and roll with the beat of political doldrums and sustain the way Ershad did.

কতদূর যাবে আওয়ামী লীগ?


খোমেনী এহসান/অতিথি লেখক :

ভোট ছাড়াই বিজয়ী হয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। হাস্যকর লাগছে অনেকের কাছে। ইতিহাসের নজির খুঁজে না পাওয়ার চমকে যাচ্ছেন।কিন্তু কিছুই হাস্যকর নয়। পথই আজ পথিককে টেনে নিচ্ছে শুয়রের খোয়ারের দিকে। তবে যারা আজো অন্ধ তাদের কাছে আইনী উছিলা আর চেতনা সংক্রান্তির অযুহাত আছে।

সবাইকে বলি বিপদে আপনারা নাই। বিপদ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের। তিনি ফ্যাসিবাদ নামক এমন এক পথে হাটছেন যে গন্তব্য নির্দিষ্ট হয়ে গেছে। সময় এখন আর বাকি নাই। ফিরতে চাইলেও আর পারবেন না। তার থেকেও অনেক বেশি দেশপ্রেমিক ছিলেন মীর কাশিম। বেচারি ইংরেজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে গিয়ে নিহত হলেন, তবুও ফিরতে পারলেন না। ফেরাতে পারলেন না দেশের স্বাধীনতা। শেখ হাসিনা তার দেশপ্রেমের তুলনায় অনেক পেছনের মানুষ। কাজেই তিনি আর পারবেন না।

যেহেতু শেখ হাসিনার পথ ফ্যাসিবাদ কায়েম করা সেহেতু ভোট ছাড়া এমপি বানানোর মতো হাস্যকর কাজ করেই থেমে থাকবেন না। এক সময় তিনি বলতে বাধ্য হবেন যে দেশটা শুধুই তার ও তার দলের। কাজেই তিনি অন্যদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করবেন। এটা নির্মূল ও পালাতে বাধ্য করার মাধ্যমেই তিনি করবেন। এক সময় তিনি নিজেকে আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করবেন। বলবেন তার মৃত্যুর পর বংশানুক্রমিকভাবে তার সন্তান-নাতিন-পুতিনরা প্রধানমন্ত্রী হবেন।

ফ্যাসিবাদ সম্পর্কে যতদূর জেনেছি তাতে এটা পষ্ট ভিন্নমত দমনে নিয়ন্ত্রণ আরো পাকাপোক্ত হবে। সক্ষম লোকেরা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থী হতে বিদেশে চলে যাবে। অক্ষম ও বীর লোকেরা জেলে পঁচবে বা গুম হবে।জামায়াতে ইসলামীকে সন্ত্রাসবাদী দল আখ্যা দিয়ে অবশ্যই নিষিদ্ধ করা হবে। এ দলটির সাথে জড়িত বা এ দলটির ভাবাদর্শ সমর্থন করে এই অভিযোগে একে একে দখল করা হবে সব ব্যাংক-বীমা-ব্যবসায়-শিক্ষা-চিকিৎসা-পরিবহন-রিয়েলস্টেট সহ সব প্রতিষ্ঠান। এ দলটি নিজের বিপদকে কাটিয়ে ওঠার মতো কোনো কাজ করতে জানে না। তাই যত বিপদ আসবে ততোবেশি তাকে সন্ত্রাসবাদের তকমা ধারণ করতে হবে।

বিএনপিকে নিজের মতো গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করবে। যতখানি পারবে, ততখানি ছাড়। না পারার ব্যাপারগুলানে মুগুর পেটা। ধারণা করা যায় বিএনপি নিষিদ্ধ হবে না। তবে খালেদা জিয়াকে মওলানা ভাসানীর মতো পরিণতি বরণ করতে বাধ্য করা হবে। খালেদা জিয়া ঠিকই শেখ হাসিনাকে ছাপিয়ে রাজনীতির প্রধান চরিত্র হয়ে থাকবেন, কিন্তু তার দল বিএনপির অবস্থা ভাসানী ন্যাপের মতো।যতদিন যাবে ফ্যাসিবাদের সব ধরনের অভিযান পরিচালনা করতে বাধ্য হবেন শেখ হাসিনা। তিনি থামতে চাইলেও পারবেননা। পথ তাকে অনেক অনেক দূর হাটতে বাধ্য করবে। একটা পর্যায়ে এই পথের সীমাহীনতার কারণে তিনি ক্লান্ত হবেন এবং অক্ষমতার কারণে ক্ষান্ত হবেন। সেই দিন নিকট ভবিষ্যত নয় নিশ্চয়। অনেক অনেক বছর হয়তো।

যদিও সেনাবাহিনী নিয়ে অনেকেই সাত আসমানব্যাপী আশাবাদী। কিন্তু যা কিছু পরিস্থিতি শেখ হাসিনা তৈরি করে যাবেন তাতে করে এদেশের ইসলামপন্থীরা স্বশস্ত্র আল কায়েদা না হলেও একই ধরনের দমনাভিযান মোকাবেলা করতে হবে। কারণ সোজা। এদেশে ককটেল বিস্ফোরণকে টুইন টাওয়ারে হামলা, সহিংসতাকে জঙ্গীবাদ ও ইসলামপন্থীদের পাদকে পারমানবিক বোম বিস্ফারণ হিসেবে আখ্যা দেওয়ার মতো দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্য গণমাধ্যমের কোনো অভাব নাই।আর উর্বর মস্তিস্কগুলান নিত্যনতুন জঙ্গী সংগঠন আবিষ্কার ও তার সাথে জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততার গল্পগুলান সরবরাহ করতেই থাকবে।কাজেই গণমাধ্যমে চাপে হলেও সেনাবাহিনীকে দমনাভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ আধুনিক বিশেষ সেনাশাসনে মিডিয়ার সহযোগিতা অপরিহার্য। আর অপরিহার্যতার মধ্যে বিনিময়ের সম্পর্ক থাকাই স্বাভাবিক। রাম লীলাকে চায়, লীলা কী চায়?

আর আমরা এটা বলতে পারি না যে, জামায়াত-শিবিরের দুর্দশাকে পুঁজি করে এখানে সক্রিয় জঙ্গী সংগঠন বা বিদেশী এজেন্সির পকেটগুলান সন্ত্রাসবাদী তৎপরতার নজির কায়েম করতে চেষ্টা করবে কি না। পরিস্থিতি যা তাতে এমনটি হয়। যাতে আবার রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনো হাত নাও থাকতে পারে। তখন বাধ্য হয়ে রাষ্ট্রকে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হয়। ব্যবস্থা বেশির সময়েই কিন্তু ঠিক ঠিক তদন্ত দিয়ে নির্ধারিত হয় না। বেশির ভাগ সময়েই কিন্তু তারা জঙ্গীদের বা এজেন্সির শর্তই পূরণ করে দেয়।তারানকো কিন্তু তার ক্ষয়িষ্ণু প্রতিষ্ঠানটির লোকেদের জন্য নতুন চাকরির ক্ষেত্রটা যাচাই করতে এসেছিলেন। শান্তিরক্ষী মিশনে কিন্তু বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও চাকরি করে। কাজেই দেশে বসেই রেমিট্যান্স কামাই হচ্ছে দেখে এ নিয়ে খুশিতে গদগদ হতে লোকের অভাব হবেনা। এনজিও গুলানও তো অনেক প্রজেক্ট পাচ্ছে। টিভিগুলানকে সিসারা দেশে সিসিটিভি বসানোর ফান্ড, হেলিকপ্টার, গাড়িঘোড়া দেয়া হবে। মন্দ কি?

Why Has Mollah Become An Innocent Martyr?



The clear perversion of the judiciary in this case means that Mollah’s execution will be seen as an innocent man who has been judicially murdered

By M Ahmedullah, PhD in Politics and Epistemology:

Those who support the Bangladesh War Crimes Trial and are cheering at the hanging of Mollah, wrongly believing that similar to what the Nazi did in Europe during the 2nd World War was done by the Pakistani army with the help of Jamaat, will never be able to, with full joy and moral confidence, proclaim that justice has been done. The killers of Mollah and their supporters can only enjoy brief moments of bloodthirsty euphoria as it cannot last for long. This is because Mollah was not given a fair and transparent trial and the whole world knows. It was a cooked up process designed to kill Mollah and others using the justification of the judiciary and state power / resources.

The supporters of Mollah and those who are opposed to the Bangladesh ICT as it has been operating, due to immorality, involvement of party politics and judicial perversion, will always have the high moral grounds and justifiably feel that a big injustice has been done. These include people who fought for Bangladesh bravely in 1971. Previously, only one side in Bangladesh had the monopoly of narrative generation and dissemination and they used arts to educate and mis-educate people about the war, rather than science and evidence. This time and in the future they will never have that monopoly again, neither will they possess the high moral grounds, which they had for about four decades, with some justification but mostly due to the dominance of their narratives.

The AL, their supporters and Shahbagists will forever be haunted by the injustice and perverse use of the judiciary carried out to achieve political goals. They will never be able to justify what they have done, morally, rationally, legally and with evidence in support of their political use of the judiciary. They will be reminded of how unjustifiable were what they did and supported. They will be challenged, disturbed and hounded wherever they try to raise their heads in support of this judicial murder and the war crimes trial.

The clear perversion of the judiciary in this case means that Mollah’s execution will be seen as an innocent man who has been judicially murdered. Even if Mollah was guilty of some or all of the crimes that he was accused of being responsible for, as a fair trial and transparent and credible court have not made a judgment based on hearing and examining the evidence, the supporters of the execution of Mollah will never be able to confidently claim and successfully proclaim that he was a war criminal. There will never be another chance to prove that Mollah was guilty of war crimes. Therefore, Mollah through this hanging has become an innocent martyr, judicially murdered for political reasons.

NINETEEN SEVENTY-FIVE (1975): A Defining Year for Bangladesh


What is clear is that just as in Pakistan when Bengali Muslims were not willing to allow the destruction of their Bengali identity, in Bangladesh they were not willing to allow their Muslim identity to be undermined.  They are both Bengalis and Muslims at the same time.

By M Ahmedullah, PhD in Epistemology and Politics


Nineteen seventy-five (1975) was both a momentous and traumatic year for Bangladesh.  On the one hand, the dream that inspired the Bengalis of East Pakistan to fight against the dominance of West Pakistan and the non-democratic rule of the military lay shattered with the ‘second revolution’ and the creation of BAKSAL.  It was a political system designed for one-party rule – the newly created party BAKSAL was to rule Bangladesh under the supreme leadership of Sheikh Mujib, and no other party was to be allowed to function.  All, but four, newspapers were banned.  The expectation of economic benefits arising from the ending of Pakistani rule did not materialize – in fact, in many respects, matters only became worse.  Off course, Bangladesh faced a gigantic task of rehabilitating millions of displaced people and rebuilding the shattered economy in the aftermath of the devastating war of liberation.  However, given the post-war assistance Bangladesh received from sympathetic nations around the world, corruption and incompetence of the Mujib government quickly began to be seen to be the main factors behind the lack of progress.  Added to that, the summer flood of 1974, a factor that caused the subsequent famine and the loss of a large number of innocent lives, were fresh in the minds of the people.  Again, Mujib and his government were blamed.  The sacrifices that the unarmed people made in 1971 to liberate Bangladesh in the name of ‘Jatir Pita Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman’ were beginning to be seen to have been in vain.  The people of Bangladesh trusted Mujib and thought that his democratic vision for Bangladesh was based on a clear and deep understanding of political theory and the process of democratic politics.  The BAKSAL was seen as another experiment of a confused leader that had very little knowledge or understanding of politics and economy.

The assassination of Sheikh Mujib and the Rise of General Zia

On the other hand, Bangladesh became faced with a very dangerous political crisis with the assassination of the ‘Father of the Nation’ in August 1975, which unfolded for several months before the situation began to stabilize after the 7th November soldiers uprising and the installation of General Ziaur Rahman as the ruler of Bangladesh under a military dictatorship.  The irony is that many individuals, both military personnel and politicians, who fought the war of liberation under the leadership of Mujib, including many of his close associates, joined those who killed ‘Bangabandhu’.  This included Zia, who was known for both his service during the liberation struggle and his declaration of independence from Chittagong radio on 26 March 1971 when the Pakistani military assault began.  Although Zia was not directly linked to the killing of Sheikh Mujib, his position as the military ruler and many of the changes he instituted are definitely antithetical to the ideology of both Awami League and BAKSAL. Further, as the situation in Bangladesh continued to stabilize, the reputation and acceptance of Zia increased progressively.  The question that comes to mind is, how can it be explained that individuals like Zia, who fought bravely during the liberation war under the leadership of Mujib, de facto supported his removal from power and subsequently initiated steps to dismantle the ideology of Mujibbad?  Many factors no doubt contributed to this, and people do go through conversions.  However, not only did Zia challenge the ideological dominance of the Awami League and Mujibbad, he also created an opposite ideology and called it ‘Bangladeshi Nationalism’.  This was created to particularly challenge the identity definition of Bengali Nationalism as propagated by the Awami League.  Further, how can it also be explained that even after 32 years of the assassination of Zia, the ideology of Bangladeshi Nationalism still attracts support from a very sizeable population of people in Bangladesh?

Off course, the political process since 1971 has been rather complex and therefore the precise answers to the above questions may be difficult to unearth.  Further, it may never be possible to grasp the totality of the processes, induced by diverse related and unrelated factors, that lead to the alienation of a large section of the Bangladesh from Mujib and his leadership.  However, there may be some pointers that could lead to an improved understanding.

Lessons from creation of Pakistan and Liberation of Bangladesh

A comparison with the creation of Pakistan and certain subsequent events may throw some lights in the right direction.  Nobody doubts that the vast majority of the Muslim people of Bengal supported the creation of Pakistan, including the leadership of many parties.  This does not however mean that they were all ideologically united under one single clearly defined Islamic political vision.  There seems to be two main reasons why various Muslim groups and the Muslim population supported the creation of Pakistan.  On the one hand, they wanted to escape from actual and perceived Hindu domination, partly the result of historical experiences and the fear that they developed about living in a future independent India under Hindu domination.  On the other hand, they wanted to develop their society according to Islamic principles.  After the creation of Pakistan, it became quite clear that not all the Muslim people of Bengal, who supported the creation of Pakistan, did so for the same reasons, and disputes soon arose as to what kind of Pakistan one should build.  One principle on which the vast majority of the Bengalis in East Pakistan was united under was on the question of their Bengali identity.  Although they supported the creation of Pakistan to safeguard their interest as Muslims, they were not prepared to allow the destruction of their Bengali identity.  The struggle to preserve their Bengali identity, together with their struggle against economic injustice and military dictatorship, lead to the 1971 Liberation War.  The struggle’s undisputed champion was Sheikh Mujib, who was called by the people ‘Jatir Pita Bangabandhu Sheikh Mujib’.   Just as before, when they struggled to create Pakistan under Jinnah’s undisputed leadership, the vast majority of the Muslim Bengalis supported the creation of Bangladesh under Sheikh Mujib, who was their brave champion.

What is General Zia’s Bangladeshi Nationalism?

Similarly, soon after the creation of Bangladesh disputes began to arise about what kind of Bangladesh one should build.  Zia created Bangladeshi Nationalism to reflect the Muslim and Bengali aspirations of the people of Bangladesh, and he has mass support in this regard.  What does this show?  Clearly, despite what the proponents of Bengali Nationalism say, a large section of the people of Bangladesh are very proud of their Islamic identity.  They want to see a future that incorporates the Bengali and Islamic elements of their experiences, way of life, culture and identity, and fuses them into one whole to march forward into the future.  The struggle for freedom of the Bengalis in Pakistan began because certain sections of the Muslim League and Pakistani ruling class wanted to obliterate element of their Bengali identity.  Similarly, the alienation of a large section of the Bangladeshi people from Mujib began, in the immediate aftermath of the Liberation War, because Bengali nationalism did not accept that eight hundred years of Islam in Bengal meant that the culture of the people of Bangladesh was based on deep Islamic roots.  What is clear is that just as in Pakistan when Bengali Muslims were not willing to allow the destruction of their Bengali identity, in Bangladesh they were not willing to allow their Muslim identity to be undermined.  They are both Bengalis and Muslims at the same time.

জামাত, যুদ্ধাপরাধ, কাদের মোল্লার ফাঁসি ও জোটের রাজনীতি

Z Force

যে দেশে পুলিশের গুলিতে প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ জন মৃত্যু বরন করে (আট বছরের শিশু থেকে বয়স্ক প্রৌঢ়, সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী দলের বড় নেতা পর্যন্ত ), প্রতিদিন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নামে গুম হয় ৫-১০ জন (যাদের হয় আর কোনও হদিস মিলেনা, বা পাওয়া যায় কোনও নির্জন স্থানে), সেই দেশে ভুল রায়ে একজন কে মৃত্যুদণ্ড দিলে সেটা খুব বড় কোনও ব্যাপারনা। 
দেশে আসলেই মানুষের জীবনের কোনও মুল্য নাই। বিরোধী দল তো ‘মানুষের জাত না’ এরকমও একটি তত্ত্ব দিয়েছেন জনৈক বিতর্কিত ভুঁইফোঁড় বিজ্ঞানী। কিন্তু যখন বিষয়টি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সঙ্ঘটিত অপরাধে কাউকে ফাঁসি দেবার ব্যাপারে হয়, তখন সেটি বিশেষ বিশ্লেষণের দাবীদার অবশ্যই। কারণ, এর সাথে জড়িত আমাদের সকলের আবেগ এবং ইতিহাসের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা।

১৮ দলীয় জোটে বিএনপি এর একটি শরীক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১৯৭১ সালে দলটির রাজনৈতিক অবস্থান ছিল অত্যন্ত স্পষ্টতই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির বিরুদ্ধে। তাদের সেই অবস্থান তারা বিভিন্ন সময়ে ব্যাখ্যা করার চেস্টা করেছেন। তাদের সেইসব যুক্তি গ্রহন বা বর্জনের দায়ভারে সাধারণ জনগণের হাতেই ন্যস্ত। রাজনৈতিক এবং বর্তমান আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিএনপি র করা ১৮ দলীয় জোটের অংশ দেশের বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষার্থে । কিন্তু তাতে দুই দলের কারও স্বকীয়তা বিন্দুমাত্র হারিয়ে জায়নি, বা একে অন্যের মধ্যে বিলীন হয়ে যায়নি। উদাহরণ স্বরুপ ইউকে তে কনজারভেটিভ দল এবং লিবারেল দল আদর্শিক দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত হলেও লেবার পার্টির অনেকদিনের অপশাসনের বিরুদ্ধে (তাদের ভাষ্যমতে) তারা একজোট হয়ে রাজনীতি করছে। এতে এই দুইদল একে অন্যের মধ্যে বিলীন হয়ে যায়নি। এরকম ভুরি ভুরি অসংখ্য উদাহরণ আছে, যা দিতে থাকলে পুরো পোস্ট ভরে যাবে।

যেই ব্যাপারে এই পোস্ট সেই ব্যাপারে আসি। আব্দুল কাদের মোল্লা নামে জামাতের এক শীর্ষ নেতার মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার শেষে এখন ফাঁসি কার্যকরের অপেক্ষায় পুরো জাতি। এই লোকটিকে ট্রাইব্যুনাল যাবজ্জীবন দিলেও, পরবর্তীতে হাইকোর্ট ফাঁসির আদেশ দেন। আইনজ্ঞদের মতে এরকম নজির বাংলাদেশ তথা গোটা উপমহাদেশে এই প্রথম। তবে উপযুক্ত প্রমাণ পেলে অবশ্যই তার প্রাপ্য সাজা সে পাবে। আর ১৯৭১ এ কসাই কাদের নামের ঢাকায় একজন অতি পরিচিত মানবতা বিরোধী অপরাধী ছিল, সেটা ঐতিহাসিক সত্য। তবে এই দুই কাদের যে একই ব্যাক্তি সেটি নিরঙ্কুশ ভাবে প্রমাণিত হয়েছে কিনা সেটা একান্তই বিচারিক বিষয়। মহামান্য আদালতের মতে এই দুই কাদেরই এক। ট্রাইব্যুনালের পরে একজন প্রত্যক্ষদর্শী মহিলার সাক্ষ্যে তার সাজা যাবজ্জীবন থেকে ফাঁসি হয়, জিনি বলেন তার পিতাকে তাঁর সামনেই হত্যা করে কসাই কাদের। তো সেটি সত্য হলে তো ফাঁসি হওয়াটাই স্বাভাবিক। তো এতো বাক্যব্যয় কেন করছি তাহলে ? কারণ সেই মহিলার আসল পরিচয় নিয়েও সন্দেহের গুঞ্জন উঠেছে। কাদের মোল্লার পরিবার ও তার দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে থাকা সেই মহিলার ছবির সাথে সাক্ষ্যদানকারীর মিল নেই। অবশ্য ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত অধিকাংশ আসামীই সবসময় নিজেকে নির্দোষ দাবী করে। কিন্তু এই সব অভিযোগকে বিন্দুমাত্র আমলে না নেওয়াটাও খুব স্বাভাবিক না। আর কোনও সুশীল মিডিয়াকেও দেখলাম না অনুসন্ধান করে সত্য উদ্ঘাটন করতে। এর আগেও কাদের মোল্লা তৎকালে মতিয়া, মেনন দের মতো সমাজতন্ত্রী ছিলেন বলে খোদ ক্ষমতাসীন ভারত লীগের সদস্যরাই বলেছে। এতো দুর্ধর্ষ গুন্ডা কিভাবে প্রেস ক্লাবে নির্বাচিত হয়েছিলো, বা ১৯৭২ এই কিভাবে সরকারী চাকরি পেয়েছিল, সেটাও বোধগম্য নয়। তবে, সেটা হয়তো আমাদের বোঝার ক্ষমতার অভাব, কারণ বিজ্ঞ আদালত নিশ্চয়ই এমন কিছু পেয়েছেন যাতে এসব কিছুকে একেবারে নিরঙ্কুশ ভাবে উড়িয়ে দিয়ে ফাঁসি বলবত করা হয়েছে। আবার তার রিভিউ পিটিশনও করার অধিকার নাই শুনলাম।

আমাদের ভয় হয় যে শেখ হাসিনা না আবার কাদের মোল্লাকে একজন মহানায়ক বানিয়ে দেন বাড়াবাড়ি করতে যেয়ে। কোনও একদিন যদি প্রমাণিত হয় এই দুই কাদের একছিলনা, সেইদিন হয়ত চূড়ান্ত ভাবে অপমান করা হবে স্বাধীনতার চেতনাকে। আর যাদের বিচার করা হচ্ছে তারা হচ্ছে পাকিস্তানী বাহিনীর সহায়ক (auxiliary) শক্তি। এখানে মুখ্য (principal) শক্তি সেই পাকিস্তানীদের কে কিন্তু টোকাও দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। গত পাঁচ বছরে সেই চেষ্টাও কিন্তু করা হয়নি। সব প্রচেস্টা কেন্দ্রীভূত ছিল বিরোধী দলের কয়েকজন ‘হাই প্রফাইল’ নেতাদের অপরাধী প্রমাণ করার প্রতি। শেখ মুজিবুর রহমান কিসের জন্য ১৯৫ জন পাকিস্থানী যুদ্ধাপরাধী কে ছেড়ে দিলেন সিমলা চুক্তি করে, কিসের জন্য তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ কামাল হোসেন সেই চুক্তিতে সই করেছিলেন তা আজও অজানা। আশা করি একদিন তিনি নিজেই সবাইকে বিস্তারিত বলবেন। মুজিবের সাথে টিক্কা খানের করমর্দন বা ভুট্টর সাথে সেই উষ্ণ আলিঙ্গনের কারণও অজানা এখনও।

তবে ১৯৭১ এ জামাতের ভূমিকা যেমন ছিল বাংলাদেশের জন্মের বিরুদ্ধে, তেমনি বসনিয়ার জন্মের বিরুদ্ধেও ছিল সার্ব ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। তাদের প্রতিষ্ঠাতা নেতা Radovan Karadžić কিন্তু হেগের ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের আসামী, অসংখ্য বস্নিয়ানদের হত্যার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে, প্রিন্সিপাল ফরস হিসেবে, অক্সিলারী হিসাবে নয় । কিন্ত তবুও, সেই দলটির বসনিয়াতে রাজনীতি করার অধিকার কেউ হরন করতে পারে নাই। সেই দেশের পারলামেন্টে তাদের প্রতিনিধি আছে আজ। গনতন্ত্র বোধ হয় এটাকেই বলে। জামাতের রাজনীতি করা নিয়ে বোধ হয় এখানে সরাসরি কিছু না বললেও আপনারা আশা করি বুঝতে পেরেছেন আমি কি বোঝাতে চাচ্ছি।

পরিশেষে বলব ১৯৭১ আমাদের অহংকার। সেটাকে পুঁজি করে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থ চরিতার্থের কোনও চেষ্টাই কিন্তু বুমেরাং হবে। আশা করি কোনও অপশক্তিই সে সাহস দেখাবেনা। প্রকৃত অপরাধীদের অবশ্যই সাজা পেতে হবে। কিন্তু কেউ নিজ হাতে কাউকে হত্যা না করলে, বা নিজে কাউকে ধর্ষণ না করলেও সাজা তার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়াটাও একটা অপরাধ। সেটা যদি কোনও হীন স্বার্থ চরিতার্থের জন্য হয়, তবে সেটা গুরুতর অপরাধ।

বাংলাদেশে কলকাতার আনন্দবাজারের দাদাগিরি

নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে কলকাতায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের কার্যালয়ে বাংলাদেশের সাহিত্যের গতি-প্রকৃতির ওপর একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। হাইকমিশনের উদ্যোগেই ছিল এ আয়োজন। বাংলাদেশের সুপরিচিত লেখকদের অনেকেই সেমিনারে অংশ নিয়েছিলেন। সেমিনারে আলোচ্যসূচীর মধ্যে অন্যতম ছিল বাংলাদেশের উপন্যাসের ভাষা কী রকম হবে।সেমিনারে সভাপতি ছিলেন সুনীল গঙ্গেপাধ্যায়। বাংলাদেশের লেখকরা একে একে তাদের বক্তব্য পেশ করার পর আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের পালা এল। তিনি ডায়াসে দাড়িয়ে কাটা কাটা কথায় বলেছিলেন, বাংলাদেশের সাহিত্যের ভাষা হবে বাংলাদেশের জনগণের মুখের ভাষার কাছাকাছি, তাতে করে যদি পশ্চিম বাংলার ভাষার চাইতে বাংলাদেশের সাহিত্যের ভাষা, বিশেষ করে উপন্যাসের ভাষা যদি সম্পূর্ণ আলাদা খাতে প্রবাহিত হয়ে যায়, সেটা সকলের স্বাভাবিক বলেই ধরে নেওয়া উচিত।

ইলিয়াসের এই বলিষ্ঠ উচ্চারণ যে পশ্চিমবাংলার সাহিত্যের মোড়লদের অনেকেরই ভালো লাগেনি সেদিন সন্ধ্যাতেই তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। কলকাতার সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক আনন্দবাজার গ্রান্ড হোটেলে বাংলাদেশের লেখকদের সম্মানে একটি ডিনারের আয়োজন করেছিল। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া সব লেখককে সেখানে নিমন্ত্রণ করা হলেও ইলিয়াসকে ডাকা হয়নি। আনন্দবজারের এই অভদ্র আচরণে ইলিয়াস খুব ব্যাথিত হয়েছিলেন, অপমানিত বোধ করেছিলেন। দেশে ফিরে সমসাময়কি লেখকদের কাছে সে ক্ষোভের কথা গোপন করেননি তিনি। পরে তার জবাবটাও দিয়েছিলেন খাসা। বাংলাদেশের উপন্যাসের ভাষা কিভাবে বাংলাদেশের মানুষের মুখের ভাষার অনুবর্তী হয় খোয়াবনামা লিখে তার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেখিয়েছিলেন তিনি।

হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রগঠনের গোপন বাসনা থেকে বঙ্কিম তার আনন্দমঠ উপন্যাসে যে সোশাল ডিসকোর্স তৈরি করেছিলেন ইলিয়াস তার খোয়াবনামায় সেটাকে ভেঙ্গে খান খান করে দেন। তবে ইলিয়াস আনন্দমঠের ডিসকোর্স ভাঙতে পারলেও আনন্দবাজার গোষ্ঠীর তাতে খুব সমস্যা হয়নি। কারণ এক ইলিয়াস প্রতিবাদ জানালেও বাংলাদেশের নামকরা অনেক জিনিয়াসই ততদিনে দাদাদের পকেটে ঢুকে গেছেন। আনন্দবাজার ভেতরে ভেতরে তার হিন্দুত্ববাদী আদর্শকে লালন করলেও উপরে উপরে অসাম্প্রদায়িকতার মিথ্যা বুলি আউড়ে যাচ্ছে। আসলে আনন্দবাজারের চোখে বাংলাদেশ কখনই স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা পায়নি। বরং তারা বাংলাদেশকে বরাবর ‘ছোটভাই’ হিসেবে দেখতেই অভ্যস্ত। প্রযোজনে একে ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ব্যবসায়িক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকে তারা।


হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম লেখক। তার লেখার ধরন, মান নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, কিন্তু জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন কারোরই নেই। এপার-ওপার মিলিয়ে সমসাময়িক লেখকদের তুলনায় জনপ্রিয়তায় তার অবস্থান ছিল শীর্ষে, এ নিয়ে দ্বিমত করলে বাজিতে হারতে হবে। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর বাংলাদেশের পত্র-পত্রিকাগুলো বিশেষ সংখ্যা বের করেছে। আর আনন্দবাজার হুমায়ূনের মৃত্যু সংবাদ ছেপেছে টুকরো খবরে। শিরোনাম ছিল ‘প্রয়াত কথাকার হুমায়ূন আহমেদ’। আনন্দবাজার গোষ্ঠী তাদের দেশ পত্রিকার শারদীয় সংখ্যায় হুমায়ূনের লেখা ছাপতে আগ্রহ প্রকাশ করলেও হুমায়ূনের মৃত্যু সংবাদ তাদের মনে শোকের ভাব জাগায়নি। কারণ জীবীত হুমায়ূনকে নিয়ে ব্যবসায় সুযোগ থাকলেও মৃত হুমায়ূনে তাদের কোনো আগ্রহ ছিল না।

অথচ একই বছরের ২৩ অক্টোবর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর আনন্দবাজার আট কলামে ব্যানার শিরোনামে সংবাদ ছেপেছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠতে পারে, একই অঙ্গনের জনপ্রিয় দুই ব্যক্তিত্বকে নিয়ে পত্রিকায় কাভারেজ দেওয়ার ক্ষেত্রে এ বৈষম্য কেন? এক কথায় এর উত্তর হলো, ব্যবসায়িক স্বার্থ। সঙ্গে সাম্প্রদায়িক চেতনা। সাহিত্যের ক্ষেত্রে আনন্দবাজার এমন একটি ভাব দেখায় যেন তারা বাংলা সাহিত্যের একমাত্র ধারক ও বাহক। অভিভাবকও। তাই বাংলাদেশের সাহিত্যের বাজারটাও তাদের দখলে থাকাটাই বাংলা সাহিত্যের জন্যই মঙ্গলজনক। এ বাজারটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য তারা নানারকম কূটকৌশল নিয়ে থাকে। সেগুলোর প্রকাশও নানারকম। কখনো বাংলাদেশের কোনো লেখক-লেখিকার বই ছেপে বিতর্ক সৃষ্টি করে পয়সা রোজগারের নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে, কখনো এ দেশের লেখকদের একাংশকে সম্মাননা দিয়ে নিজেদের স্বার্থরক্ষার খুঁটি হিসেবে ব্যবহার করে আনন্দবাজার গোষ্ঠী। আর কোনো ব্যক্তিকে নিজেদের বাণিজ্যিক স্বার্থ সিদ্ধির অন্তরায় মনে করলে তাকে সমূলে ধ্বংস করতেও কখনো কুণ্ঠিত হয় না তারা। আন্দবাজারের ষড়যন্ত্রের কারণে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি লাঞ্ছিত হয়েছে।

এখানে প্রসঙ্গক্রমেই এসে যাবে তসলিমা নাসরিনের কথাও। ভারতে মৌলবাদীরা যখন বাবরি মসজিদ ভাঙলো এবং তার জেরে ধরে সৃষ্ট সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় সপ্তাহখানেক সময়ের মধ্যে প্রায় এক হাজার মানুষ খুন হয়ে গেল তখন পৃথিবীজুড়ে মানুষ ভারতের দিকে সমালোচনার আঙ্গুল তুলেছিল। তারা বলেছিল ভারত একটি নিপীড়নকারী রাষ্ট্র, সেখানে সংখ্যালঘুদের জানমালের নিরাপত্তা নেই। এ নিয়ে ভারতীয় বুদ্ধিজীবীমহল যখন চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিল, ঠিক তখনই তাদের সামনে ‘আলোর রেখা’ হয়ে হাজির হয়েছিল তসলিমা নাসরিনের ‘লজ্জা’। ‘লজ্জা’ দিয়ে নিজেদের অপরাধবোধ চাপা দেওয়ার মস্ত সুযোগ পেয়েছিলেন তারা। আনন্দবাজার তসলিমার একটি ভাবমূর্তি তৈরি করতে টানা তিন বছর ধরে ক্রমাগত চেষ্টা করে গেছে। এপার-ওপার বাংলায় তাদের পোষা বুদ্ধিজীবীরা তসলিমাকে নিয়ে অব্যাহতভাবে কলম চালিয়ে গেছেন। লজ্জাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল সেদিকে বিশ্বের নজর ঘুরিয়ে দেওয়াই ছিল তাদের মূল কাজ। যাতে ভারতের সংঘটিত দাঙ্গার ওপর থেকে বিশ্ববাসীর নজর ঘুরে যায়। বাস্তবে তা হয়েছিলও বৈকি! বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ার দাবি উঠেছিল।লক্ষণীয় বিষয় হলো প্রয়োজন শেষে আনন্দবাজার কিন্তু তসলিমাকে ঠিকই ছুড়ে ফেলেছে।

সাহিত্য ছেড়ে খেলার মাঠের দিকে এগুলেও একই চিত্র পাওয়া যাবে। ক্রিকেটে আজ বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত শক্তিই বলা যায়। আজ এ খেলায় বাংলাদেশকে বলে-কয়ে হারানোর দিন শেষ। কিন্তু ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো সাফল্যই আনন্দবাজার গোষ্ঠীর বাহবা পায় না। গত ৪ নভেম্বরে এক-দিবসী ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ। পরদিন বাংলাদেশের পত্রিকাগুলো এ নিয়ে প্রধান বা দ্বিতীয় শিরোনামে খবর ছাপলেও আন্দবাজারে একটি লাইনও লেখা হয়নি। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছিল ঢাকায়। টেলিগ্রাফ, বিবিসি, ক্রিকইনফো, সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের রিপোর্টে বলা হল, ঢাকায় দুর্দান্ত অনুষ্ঠান হয়েছে। অথচ একই অনুষ্ঠান কাভার করে আনন্দবাজারের গৌতম ভট্টচার্য্য যে লেখা লিখলেন তাতে মূল বিষয় বাদ দিয়ে সাংবাদিকদের একটু হেটে প্রেসবক্সে ঢোকার কষ্টটাকে ফুটিয়ে তোলাতেই নজর ছিল বেশি। অথচ গৌতমরা ভুলে যান, ১৯৯৬ সালে কলকাতা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ওপেনিং করতে গিয়ে লেজার শোর নামে কেলেঙ্কারি করে ফেলেছিল। সেদিন সারা পৃথিবীতে ‘ছি ছি’ পড়ে গিয়েছিল। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ একযুগ পার করলেও আজ পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশকে তাদের দেশে খেলার আমন্ত্রণ জানায়নি। এ নিয়ে কিন্তু আনন্দবাজারের কোনো রা নেই।

সাহিত্য, খেলা ছাপিয়ে যদি রাজনীতির কথা ওঠে তো দেখা যাবে সেখানে আরেক কাঠি এগিয়ে আছে আনন্দবাজার গোষ্ঠী। যে পত্রিকায় হুমায়ূনের মৃত্যু সংবাদ ছাপা হয় টুকরো খবরে, নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশের খবরই ছাপা হয় না, সেই একই পত্রিকায় বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে খবর ছাপা হয় হর-হামেশা। যেন বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে তাদের আগ্রহ অসীম। যদিও সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে তারা বেশিরভাগ খবরেই বস্তুনিষ্ঠতার ধার ধারে না। বরং নিজেদের মতো করে একপাক্ষিকভাবে খবর প্রকাশের দিকেই মনোযোগ বেশি। সম্প্রতি প্রায় প্রতিদিনই আনন্দবাজারে বাংলাদেশ নিয়ে খবর থাকছে। খালেদা, হাসিনা, এরশাদ, জামায়াত কবে কখন কী করল, কী বলল তার সবই নিজেদের মতো ছাপছে তারা।কিছুদিন আগে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই তারেক রহমানকে আইএসআইয়ের সহযোগী বানিয়ে সংবাদ ছাপিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল তারা। জামায়াত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোপনে নাশকতার চেষ্টা করছে, জঙ্গি দল গঠন করছে বলে খবর ছড়াচ্ছে তারা। অথচ আগামী লোকসভা নির্বাচন ঘিরে বিজেপির মতো কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল যে কংগ্রেসকে চোখ রাঙাচ্ছে সেদিকে যেন চোখ নেই আনন্দবাজার গোষ্ঠীর। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে বলে আনন্দবাজারের যে উদ্বেগ সেই একই উদ্বেগ ভারতের বেলায় দেখাচ্ছে না তারা। মূল কথা হলো বাজার দখলে রাখা। সেটা সাহিত্য-সংস্কৃতি থেকে শুরু করে, রাজনীতি, অর্থনীতি সবখানেই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে তাদের বাজার দখলে রাখতে সুবিধা হয়, তাই বিএনপির উত্থান ঠেকাতে তারা মরিয়া।

জামাতের জঙ্গি আচরণেকে ইঙ্গিত করে আসলে তারা বিএনপিকে দমিয়ে রাখতে চায়। তাই আওয়ামী লীগ আমলে ফেলানি হত্যা, তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি না হওয়া কিংবা স্থল সীমান্ত চুক্তি নিয়ে মমতার অনাগ্রহ নিয়ে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে।তবে বাজার দখলে রাখার ক্ষেত্রে বিএনপি বেশি সুবিধা দিলে আওয়ামী লীগকে ছুড়ে ফেলতে এক মুহূর্তও ভাববে না তারা। যে বাঙালী জাতিয়তাবাদের কথা আনন্দবাজার বলে বেড়ায় সেটা আসলে সাম্প্রদায়িক চেতনায় ধারণ করা জাতীয়তাবাদ। বস্তুত আমাদের অসাম্প্রদায়িক ভাবনার সঙ্গে তাদের জাতিয়তাবাদের ধরন মেলে না। ব্রিটিশ আমলে দ্রুত ইংরেজী শিখে ইংরেজের দালালি করে কাচা পয়সা রোজগার করে যে মধ্যবিত্ত বাঙালী হিন্দু শ্রেণী বিকাশ লাভ করেছিল সেই শ্রেণীর বানানো হিন্দুত্ববাদী জাতিয়তাবাদেকই ধারণ করছে আনন্দবাজার।

এখনো মুসলমানদের পিছিয়ে পড়া আতরাফ জনগোষ্ঠীর অংশ ভাবতেই পছন্দ করে তারা। আর নিজেদের ভাবে আশরাফ। নিজের অঞ্চলে নিজেদের ভাবনা প্রতিষ্ঠা করলে সমস্যা ছিল না, সমস্যা তখনই বাধে যখন তাদের ভাবনা তারা জোর করে আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়ে বাণিজ্য করে যায়।

The Hay Festival Dhaka: The Potemkin Village of the Secular Liberal Elite in Bangladesh


Nuraldeen  argued that our ‘illiberal’ cultural elites and their supportbase are comfortably numb and vulgarly civil when it comes to the celebration of ‘culture’ as they ignore the  turbulent political context  and questionable political process behind the formation of a cultural event. With a special request from a guest writer Jamuna we’re running this article that critically examines the political context of Hay Festival Dhaka and the role of our cultural elites. The Blog was originally published in Khichuri on 15th November,2013.

By Jamuna

In the next few days, Bangladesh’s ‘liberal’ ‘secular’ establishment will convene at the Hay Festival Dhaka. Just like the original  Hay Festival in Wales, the event will assemble a bevy of personalities who dominate the English-speaking public sphere. It is a time for publics to explore, for a chosen few new writers to gain exposure and approval, established columnists to issue compilations, publishers to push their wares and agendas, and intercultural interpretation.

Big names such as Pankaj Mishra, Ahdaf Soueif and Tariq Ali will be joined by more local figures such as Tahmina Anam, who is a co-organiser and a rather dull novelist as well as a key gatekeeper between literary establishments in Bangladesh and Britain. Ms Anam’s father, Mahfuz Anam is the editor of the Transcomm Group associated Daily Star, Bangladesh’s largest English language daily, on-and-off cheerleader of the Awami League regime and – wait for it – the title sponsor.

Cultural inbreeding and nepotism are not a new phenomenon in any society, after all The Krays were brothers and the Redgraves are fabulous, but it makes Hay Dhaka intriguing, worrying and important not to take at face value given Anam Snr’s recent warning that The Sons are Coming. It is intriguing because we can read into its inclusions and silences about Bangladesh’s contested cultural frames, and concerning because – like the debate around the Commonwealth Heads of Government meeting in nearby Sri Lanka – one questions the wisdom of organising such an event in a country that is in the midst of such tumultuous transition, and crackdown on dissent.

Granted, the level and nature of state violence and suppression witnessed this year could hardly have been foreseen in the festival’s planning horizon. But what is concerning is that the festival is in collaboration with the cheerleaders and PR men of the Awami League regime: people who have covered up, justified and even applauded their violent actions. This regime and its client intelligentsia have serious questions to answer for gross human rights abuses, including: the mass killing of unarmed demonstrators in May; the internationally discredited war crimes tribunals; the illegal closure of opposition media; and detention of human rights defenders.

Freedom of (who’s) expression?

One might also ask: why have state censors granted permission for this festival to go ahead while other, more indigenous, non-elite cultural expressions remain suppressed? The annual Mela in honour of the legendary political leader, renowned as the Red Maulana and Father of the Oppressed, Moulana Bhashani in Tangail that was due to commence on his 37th death anniversary next week has been refused permission. Furthermore a demonstration by the community-based religious establishment, demanding investigation of the killings of 6th May in Dhaka, was pencilled in for Friday 15th. But this has been challenged by the government’s own religious puppets hungry for coalition seats in the next parliament.


We might conclude that Hay Dhaka is more than a legitimising PR exercise, but that thought control, patrol and presentation are key functions of it. Indeed, such bread and circuses have their place and provide some relief for the world-weary, but in Bangladesh’s climate of fear, massacre and political illegitimacy, they also need to be read as they are and through the sycophancy, flattery and pretentiousness upon which they are based.

Assembling a Potemkin Village

Legend has it that the aristocrat Grigory Potemkin erected fake settlements along the banks of the Dnieper River in order to impress his lover, the Russian Empress Catherine II during her visit to Crimea in 1787. This ruse is now known as the ‘Potemkin village’, a phrase to describe literal and figurative constructs whose sole purpose is to dupe observers with an agreeable depiction of affairs. So keen was Potemkin to influence his lover, his villages became mobile, were demolished and then rebuilt downstream to keep up with Catherine’s barge, with his own men pretending to be the local peasant population.

Fast forward to two and a half centuries to Dhaka in November 2013 and we see another Potemkin village reassembled by the Dhaka Metropolitan elite for its literary development partners in front of the hallowed grounds of the Bangla Academy. Just like an end of year review put on for parents and school governors, we have the usual assemblage of actors, wealth, echo chambers, clichés, and cronies, courtesy of The Daily Star. No mention of massacres by security forces,  kidnapping and detentions of political opponents, the hounding of dissent and the muzzling of the opposition press, or the controversial war crimes tribunals. Instead, visitors will be treated to the airbrushed Never Never Land of Golden Bengal, the land of tolerance and sophistication, with a smattering of Nazrul Islam, Tagore and Lalon.

The Usual Suspects

Providing media promotion and a fair chunk of economic capital is the aforementioned Mahfuz Anam, school master of ‘right thinking’ secular liberals everywhere and a media baron popular in diplomatic quarters. Another Daily Star luminary, Syed Badrul Ahsan, The Oracle and Keeper of the True Historical Record, makes a cameo appearance, ironically in a session on short stories. His adulation of the Prime Minister and applause for her government’s brutality grows more deranged with every passing day. The model student, co-organiser and schoolmaster’s daughter, Tahmima Anam, graces the stage twice over the festival, including once in a cringingly titled ‘Best Young Novelist’ session. Nepotism? Who? Us?

In a set up whose geopoetics could not be made up, we see Zafar Sobhan, understudy to the school master for so many years, currently trying to edit pro government propaganda sheet, the Dhaka Tribune. At the festival he is moderating a conversation about ‘Egypt and Beyond’ with Ahdaf Soueif and a random Etonian. Soueif’s justification, then tepid explanations of the Egyptian coup and the violence against those deposed – together with Sobhan’s participation in the government disinformation campaign regarding this May’s Dhaka Massacre – are interesting parallels to explore from the point of view of reputational risk management at home and abroad in a time of massacre and injustice. It has been a bloody year in both the Bengal and Nile delta’s, with the origin of fascistic violence clearly emanating from the purportedly secular liberal quarter in both cases. #Tamarod and #Shahbag, in polite and less polite forms, have much in common with each other for those who reflect.

From a technocratic point of view, the programme has much to praise, official diversity guidelines and feedback from the previous festival have been responded to, there are sessions in Bengali, coverage of other languages and dialects, Zafar Iqbal has been let loose on the children and the country’s Shi’i Muslim literary heritage even gets a look in. The highlights promise to be Pankaj Mishra’s interventions, his recent book ‘From the Ruins of Empire: The Revolt against the West and the Remaking of Asia’ offers – ironically – the most interconnected and sympathetic perspectives on pan-Islamism in the subcontinent permitted at the event, and may serve as a safe portal for alternate political imaginaries.

Conclusion: Last Days of Empire

The Hay Festival in Dhaka represents the completion of a narrative which began with Macaulay’s Minute on Indian Education and terminates with the internalisation of Anglo-Saxon culture by the hegemonic establishment elites of Dhaka, as exemplified by the festival’s corporate media backers. This is a process whose ramifications on Bangladesh have been covered extensively by Nurul Kabir, the editor of the New Age newspaper.

However, as any student of Hindu theology will explain, the completion of a cycle or narrative results in its Shiva-like destruction and the creation of new cycle. This dance of Shiva has been and is continuously being played out in the streets of Dhaka, and in the many mufassil towns and villages dotted across the country. Starting with the police firings of 28th Februarythe Long March on 5th April and the 5/6th of May Massacre, the political chemistry and discourse of the country is being transformed by a resurgent expressions of Muslimness, deriving inspiration not just from Westminster, but the hallowed and sacred grounds of Mecca and Medina and the Bengal Muslim’s own heritage. This is visible in the  Bangladeshi Prime Minister’s own recent claim that her government would be run according to the Medinan charter of the Prophet Muhammad. These trajectories of Political Islams in the country have not been set in stone, as all the major political players, from the Awami League, BNP, Jamaat to the ‘new kids on the block’, Hefazot-e-Islam and Tariqat Federation are all trying to capture, fashion and benefit from them.

Hay Dhaka 2013 presents a largely besieged mentality, of an elite trying to hang onto illusory certainties in turbulent times and an absolute failure to connect with the masses in whose names they claim to speak, as epitomised by the program of the festival and its Potemkin-like objectives. We have been here before, several times. The medieval Arab historian Ibn Khaldun gave the average empire/dynasty the lifespan of 150 years. Time travelling back from Dhaka to Delhi just over 150 years, and one might perceive a resemblance with a scene of a decadent outdated elite being replaced by a more contemporary vigorous movement.

The scene is that of 1857, and the last day of the Mughal Empire after the failed Indian Independence War. There is an apocryphal story that the last Mughal Emperor, Bahadur Shah II, called one final session of the court. In full knowledge of the failure of the uprising against the British which he symbolically led, the Last Emperor invited the poet Ghalib to the Empire’s last supper. Amidst the backdrop of a burning city besieged by the British, the Emperor and his courtiers sought solace in their wine cups and each other’s company in the Red Fort. They listened attentively to Ghalib and his panegyrics, reminiscing the past glories.

History has cyclical, linear, multidirectional and cosmic qualities. In 2013 the besiegers have now become the besieged.  In this historical loop in Dhaka, the metropolitan elite, the descendants of earlier besiegers the British Raj, are themselves besieged in the Hay Festival, their version of the Red Fort by the descendants of those who lay besieged in an earlier age. One historical cycle was representing an aggressive Europe, the other a resurgent and ever increasingly confident Muslim identity.