৭৫’এর হত্যা যদি অবৈধ হয় এ হত্যাও অবৈধ…

by Watchdog Bd
নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে মানুষ। ভুতুরে কায়দায় হাওয়া হয়ে যাচ্ছে ওরা। নগর, বন্দর, হাট-মাঠ-ঘাট হতে কোন এক অলৌকিক শক্তিবলে উধাও হচ্ছে দু’হাত দু’পা ওয়ালা আদম। ১৯৩৯ হতে ৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপে অহরহই ঘটতো এ ঘটনা। ১৯৭৩-৭৫ সালে সদ্য জন্ম নেয়া বাংলাদেশও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল নিখোঁজ হওয়ার ভৌতিক অধ্যায়। হিটলারের গেস্টাপো আর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীর রক্ষীবাহিনী নীরবে, নিঃশব্দে, অনেকটা ’ইনভিজিবল ম্যান’ কায়দায় হানা দিত দুয়ারে। এ যেন মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে খোদ আজরাইলের আগমন। এ ধরণের শাহী আগমনের শেষ গন্তব্য কোন বন্দর তা জানতে আমাদের হয়ত কবর হতে উঠিয়ে আনতে হবে ৫০ হতে ৭০ মিলিয়ন ইউরোপীয়, এশিয় আর আফ্রিকান জীবন। বাংলাদেশের বেলায় এর সঠিক পরিসংখ্যান আমরা কোনোদিনই জানতে পারবো না মেরুকরণ নামক রাষ্ট্রীয় কলেরার কারণে। পরিসংখ্যান ব্যুরো কেন, কবরেও আমাদের মেরুকরণের ভুত। এ ভুত যেনতেন ভুত নয়, খোদ আজরাইল নিযুক্ত যান্ত্রিক ভুত, যা দম দেয়া পুতুলের মত খোঁড়াক যোগায় রাষ্ট্রীয় ’তামাশার’… হিটলার ও তার গেস্টাপো বাহিনী এখন ইতিহাস। মানব সভ্যতার এ কলংকিত অধ্যায় সভ্যতা মূল্যায়নের উপকরণ হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং সামনেও করে যাবে আরও হাজার বছর। কিন্তু হায়! বিনা বিচারে নাগরিক হত্যা ঠাই নিতে পারেনি আমাদের ইতিহাসে। বরং এ অবৈধ সাংস্কৃতি স্থায়ী আসন করে নিয়েছে শাসন ব্যবস্থার কাঠামোতে। শেখ মুজিব হতে শুরু করে জিয়া, এরশাদ, খালেদা এবং হাসিনা চক্রের কোন চক্রই বেরিয়ে আসতে পারেনি দেশ শাসনের এই আজরায়েলি ভুত হতে। খালেদা জিয়া সরকার RAB নামের যে গেস্টাপো বাহিনীর জন্ম দিয়েছিল হাসিনা সরকারের ছায়াতলে পল্লবিত হয়ে তা পরিণত হয়েছে বিশাল মহীরুহে। ম্যান্ডেট নিয়ে দেশ শাসনের গণতান্ত্রিক রেওয়াজে অলিখিত আইন হয়ে গেছে বিনা বিচারে হত্যা নামের পশুত্ব। এবং তা বৈধতা পাচ্ছে সরকার ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় হতে। ক্রসফায়ার নামক হুমায়ুন আহম্মদিয় নাটক শুরুতে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল শাসন ব্যবস্থার অক্ষমতা ও নাগরিক অধিকার ফিরে পাওয়ার আকুতি হতে। শত শত হত্যাকান্ডের পর কতটা সফল হয়েছে এ আয়োজন? স্বাভাবিক জন্মমৃত্যু সহ একটা সহজ সরল জীবনের কতটা কাছে যেতে পেরেছি আমরা? দুর্নীতি, হত্যা, গুম, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ধর্ষণ সহ সমাজের অবক্ষয় গুলো কতটা কমানো গেছে হত্যাকান্ডের মাধ্যমে? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এখন ঘরের বাইরে যেতে হয়না, বরং দুয়ারে এসে জানিয়ে দেয় দুর্নীতি ও সন্ত্রাস নামক রাষ্ট্রীয় অলংকারের শক্তিমত্তা। দুর্নীতিতে উপর্যুপরি চ্যাম্পিয়নশীপ জাতি হিসাবে আমাদের এনে দিয়েছিল বিশ্বখ্যাতি। এ অধ্যায়ের সফলতম সংযোজন হিসাবে কাজ করছে আজকের বিনাবিচারে হত্যাকান্ড। বিশ্ব মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে মানবতাবিবর্জিত বাংলাদেশি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। স্বভাবতই সরকারকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে আর্ন্তজাতিক চাপ। এবং এখানেই হয়ত অন্যের সাথে নিজের পার্থক্য ও বুদ্ধিমত্তা তুলে ধরতে পেরেছেন দেশপ্রেমের ১নং দাবিদার আমাদের প্রধানমন্ত্রী। হয়ত প্রতিপক্ষের সৃষ্টি হত্যাযন্ত্র ভোতা হয়ে আসছিল ডিজিটাল যুগে। তাই আবিস্কার করতে বাধ্য হন এর ডিজিটাল সংস্করণ। রাতের আধারে ক্রসফায়ার নাটক সাজানোর বাংলাদেশি মিথ্যাচার সহজে গেলানো যাচ্ছিল না আর্ন্তজাতিক মহলে। স্বভাবতই হুমকির মুখে পরছিল দেশটার বৈদশিক সম্পর্ক। সমস্যার এমন সহজ ও কার্যকর সমাধানের জন্যে চাইলে হাসিনা সরকারকে নোবেল দেয়া যেতে পারে। আসলেই তো, প্রয়োজন কি রাতের আধারে ক্রসফায়ার নামক মঞ্চনাটকের! বরং ’শক্তিধর’ শত্রুকে ভুত বানিয়ে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা অথবা দেশটার হাওর-বাওর, বিলে ফেলে দিলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়! কেউ জানবে না কে হত্যা করেছে, কেন করেছে, এবং এ নিয়ে জবাবদিহিতারও প্রয়োজন হবেনা আর্ন্তজাতিক মহলে। আইন-আদালত সহ দেশিয় বিচার ব্যবস্থার প্রায় সবটাই তুলে দেয়া হয়েছে দলীয় কর্মীদের হাতে। দলীয় ক্যাডার হতে সদ্য প্রমোশন পাওয়া আদালতের বিচারকগণও টগবগ করছেন সরকার প্রধানের প্রতিদান ফিরিয়ে দিতে। আইনী ঝামেলার দেশীয় ফ্রন্ট সরকারের জন্য ঝামেলামুক্ত।

6a00e0097e4e6888330120a67ddcd2970c-500wi

রাষ্ট্র ও সমাজের শক্র হিসাবে জুয়েল, মিজান, রাজিব ও ইসমাইলদের কতটা কুপ্রভাব ছিল যা দুর করতে তাদের লাশ ডোবা নালায় পুত্‌তে হল? স্থানীয় এসব পেটি-দুষ্কৃতিকারীদের জন্ম ও উত্থানের পেছনে কাদের হাত থাকে নাগরিক হিসাবে আমাদের সবার জানা। বিচার দুরে থাক এ নিয়ে কথা বলাও রাষ্ট্রীয় অপরাধ। এবং এ অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করতে এক পায়ে দাড়িয়ে থাকে দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থা। একজন আবুল মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় নয়, বরং সমসাময়িক বিশ্বের অর্থনৈতিক মোড়ল খোদ বিশ্বব্যাংকের। তাদের অভিযোগ, মন্ত্রীর ক্ষমতাবলে এই বাংলাদেশি বিশ্বব্যাংকের মত আর্ন্তজাতিক সংস্থায় ক্যাডার পাঠিয়েছিল অবৈধ লেনাদেনার তাগাদা দিতে। ক্ষমতা না থাকায় চাইলেও তারা পারেনি আবুল হোসেনকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে। কিন্তু তারা যা করেছে তা ১৫ কোটি মানুষের পেটে লাথি মারার শামিল। অথচ বিচারের দায়িত্বটা ছিল সরকারের। একই সরকার যারা শাস্তির নামে জুয়েল, ইসমাইলদের বিনাবিচারে জীবন্ত কবর দেয়, পাশাপাশি পুরস্কৃত করে আবুল মন্ত্রীর মত মেগা লুটেরাদের। রাজনীতির অন্দরমহলে কথাটা নিয়ে ফিসফাস চলে, অনেক সময় হাসি-ঠাট্টা পর্যন্ত গড়ায়। বলা হয়, আবুল মন্ত্রী নগদ ৬০ কোটি টাকায় মন্ত্রিত্ব ক্রয় করে নিয়েছেন । তাই বিচার দুরে থাক, মন্ত্রীসভা হতে বিদায়ের রাস্তাও নাকি তার জন্যে ছিল বন্ধ। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের বিশাল এক প্রকল্প এই আবুল হোসেনের জন্যে থমকে গেছে। অথচ সরকার প্রধান আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করাচ্ছেন বিশ্বব্যাংকের মত আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানকে। সংসদ ভবনের রাজকীয় আসনে বসে দেশের আইন-আদালত আর ন্যায় অন্যায় নিয়ে যারা কথা বলেন তাদের শতকরা ৯৯ জনের ব্যাকগ্রাউন্ড ঘাঁটলে কি বেরিয়ে আসবে তা অনুমান করার জন্যে মনোবিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই। এসব আউলিয়াদের কাহিনী কি একজন জুয়েল অথবা ইসমাইলের চাইতেও ভয়াবহ নয়?

প্রধানমন্ত্রী হয়ত ভুলে গেছেন অথবা জেনেও না জানার ভান করেন, ১৯৭৫ সালে উনার পিতাকে হত্যা করার প্রেক্ষাপটও কিন্তু তৈরী করা হয়েছিল অপ্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে। এসব অভিযোগ আদালতে উঠানোর সুযোগ না দিয়ে রাতের আধারে তাকে হত্যা করা হয়েছিল কাপুরুষের মত। প্রধানমন্ত্রী নিজেও কি একই কাজ করছেন না? RAB দিয়ে গুম করিয়ে গোপনে যাদের হত্যা করছেন তারাও কি কারো পিতা, সন্তান অথবা ভাই নন? পার্থক্যটা কোথায়? জাতির পিতার সন্তানদের শোক কি তাহলে বাকি শোকের চাইতে ভিন্ন? জানতে চাইলে জিজ্ঞেস করে দেখতে হবে মিজান অথবা রাজীব পরিবারের কাউকে। ৭১’এর আত্মস্বীকৃত খুনি আর ধর্ষকদের বিচারের জন্যে আয়োজন করা হয়েছে কোটি টাকার আদালত। অথচ ক্রসফায়ার নাটকে কাউকে বলি করতে চাইলে তা হওয়া উচিৎ ছিল গোলাম আযম, নিজামী, আমিনী আর সাকা চৌধুরীর দল। একজন ইসমাইলের অপরাধ কি তাহলে নিজামীর অপরাধের চাইতে বেশি?

মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম অধিকার তার স্বাভাবিক জন্ম-মৃত্যুর নিশ্চয়তা। ব্যর্থ রাজনীতি আর অপশাসন-কুশাসনের কুটজালে আটকে মানুষ আজ নাম লেখাতে বাধ্য হচ্ছে অন্যায় আর অবৈধ পথে বেচে থাকার মিছিলে। এ মিছিলের হোতা আর নেত্রীত্বে যারা আছে তাদের গায়ে হাত না দিয়ে যদু, মধু, রাম, শ্যামদের মতো বাই-স্ট্যান্ডার্ডদের গায়ে হাত দিয়ে আর যাই হোক সুশাসন কায়েম যে সম্ভব নয় তা অনুধাবন করার সময় এসেছে। ১৯৭৫ সালে যেমন সম্ভব হয়নি ২০১১ সালেও তা সম্ভব হবেনা।

The dark anarchy rises … Bakshal returns with its hallmark anarchy …

police 1

The abuse of the judiciary and law enforcement agencies have been persistent, since the birth of Bangladesh, very true. Almost all regimes have abused their power in persecuting the opponents in varying degrees (And I guess this practice isn’t endemic to Bangladesh only, many countries with similar socio-political stature face the same phenomena)

However, some interesting and noteworthy aberrations during the past (and present thanks to a farcical election) government’s regime include the arrest and continued incarceration of high profile opposition leaders. At least 25 leaders of the topmost leadership of the opposition party is currently in jail. Starting from the secretary general to the common ward committee members of the main opposition parties have been constantly being subjected to police harassment and sentences. Cases against them include farces like burning of garbage trucks, stealing trivial things from anonymous people etc. Despite the High court rulings that set very strict standards for obtaining remand, police and the lower judiciary are seen abusing those standards and are granted remands. More and more opposition leaders are denied bails. For unknown reasons, eminent people are being kept in prison without granting bails. The list includes newspaper editors, human rights activists, online activists and people from the academia as well.

04_Khaleda%20Zia's%20House_291213

Many opposition leaders are getting arrested just as they voice their demand in public, being shown arrested in previous cases, which are in most cases of absolutely no merit . As a result an atmosphere of fear has been created, an all out police state is being implemented. Many leaders are afraid of coming out in public. Let alone the grass roots level activists who are seldom spending the nights at their own places. And not only that, police are arresting other family members of the leaders family too, including female members. The houses are being ransacked, in some cases bulldozed. There are also reports of the combined forces looting valuables from the households form the opposition activists. In some cases mass arrests are leading upto bribes, and people are being freed based on the amount of bribe being given to police. The already overcapacity prisons are getting are even more crowded by thsese wholesale arrests. There was an instance of arresting 200 topmost leaders of the opposition en mass from their party office, over a case of cocktails been found in their party office premises.

All this harsh treatment meted out to the opposition has an even more harsher underlying subtext . It is true that the prisons have been over capacity for years. But, how are these new prisoners being accommodated ? There lies the more shocking tale. Many convicts are let go by the government. The list includes top terror crime bosses, sentenced ruling party thugs, known drug peddlers, known petty criminals. Some of these criminals are let go on the promise of staying in the field alongside ruling party activists to thwart any political movement of the opposition. Many newspaper reports an increase in the supply of guns in the recent months. Before every other election, their was a strong drive to recover illegal weapons by the previous election time caretaker governments. This time the political government totally shied away from that drive. And a servile Election Commission didn’t push for it either. They even published a farcical decree to not even submit the weapons, insisting only not to carry it !!.

So, spreading the blame equally across the board seems to do injustice to the prominent role this quasi fascist regime, elected through pseudo-elections, is playing in completely decimating the rule of law. The abuse of power to persecute opposition coupled with a flagrant disregard for the rule of law under the current regime is simply shocking and is plainly reminding of the anarchy of the mid seventies.

গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে স্বৈরতন্ত্র আপাততঃ প্রবল হয়েছে, তবে লড়াই চলবে

by মনোয়ার শামসী সাখাওয়াত

বাংলাদেশে ‘নির্বাচিত’ গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র জেঁকে বসেছে। আর প্রতিরোধ আন্দোলনের বন্ধ্যাত্ব সামষ্টিক মানসে এনেছে হতাশা আর নির্বেদ। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম বাঙালি মুসলমানের সামষ্টিক চেতনায় একটি উজ্জীবন সৃষ্টি করেছিল। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ ও তৎকালীন সার্বিক মাৎস্যন্যায় জাতির মানসে সেই উজ্জীবনকে ক্ষণস্থায়ী করে বয়ে এনেছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী অবসাদ ও ক্লেদ। জাতীয় মানসের সেই বিষণ্ণ নির্বেদ ও স্বপ্নভঙ্গজাত আত্মগ্লানি ও আত্মপ্রত্যয়রিক্ত দিকনির্দেশহীনতা থেকে বাংলাদেশকে পুনরায় জেগে উঠতে অপেক্ষা করতে হয়েছিল ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত।

কিন্তু ২০১৪ সালে এসে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের গণতন্ত্র অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রাণহীন খোলসসর্বস্ব গণতন্ত্র কেবল আনুষ্ঠানিকতায় পর্যবসিত হয়েছে। সংবিধান একটি অন্তর্বিরোধপূর্ণ দলিলে পরিণত হয়ে জাতির আশা আকাঙ্খার প্রতিফলনে ব্যর্থ হয়েছে। জাতীয় সংসদ অকার্যকর একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো একনায়কতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে। গণতন্ত্রের নামে দলীয় গোষ্ঠীতন্ত্র প্রবল হয়ে দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নকে সর্বব্যাপী করে তুলেছে। গণতন্ত্রের যে একটি অনুসঙ্গ এতদিন জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণকে অন্তত একদিনের জন্য হলেও সম্ভবপর করেছে, সেই নির্বাচনকেও যাচ্ছেতাই রাজনৈতিক ব্যভিচারের মাধ্যমে একটি প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে।

আর জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার এই অধোগতির ধারাকে প্রতিরোধ সংগ্রামের ভেতর দিয়ে সঠিক পথে পরিচালিত করার যে রাজনৈতিক আন্দোলন ও নেতৃত্ব আমরা বর্তমানে দেখতে পাই তা প্রয়োজনের তুলনায় অপর্যাপ্ত ও দুর্বল। এক্ষেত্রে সাংগঠনিক দুর্বলতা যেমন রয়েছে, তার চাইতেও বেশী রয়েছে মতাদর্শিক, রণনৈতিক ও রণকৌশলগত অপরিপক্কতা ও অদূরদর্শিতা। মেধাবী, মননশীল ও সৃজনশীল নেতৃত্ব ও কর্মসূচির অভাবে প্রতিরোধ সংগ্রাম ও আন্দোলন গতানুগতিকতার গণ্ডিতে আবদ্ধ। জনসম্পৃক্ত মতাদর্শ, নেতৃত্ব, কর্মপরিকল্পনা ও কর্মপ্রয়োগের অভাবে রাজনৈতিক আন্দোলন বন্ধ্যাত্বের চোরাবালিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে। শুধুমাত্র পেশিশক্তিনির্ভর ও ফায়দালোভী রাজনৈতিক পেশাদারদের দিয়ে ব্যাপক গণভিত্তিক রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রাম দীর্ঘস্থায়ী করা যায় না। ‘নির্বাচিত’ স্বৈরতন্ত্র এই সুযোগে ক্রমাগত ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠে এবং দেশী-বিদেশী সমর্থক গোষ্ঠীর সহায়তায় আরও সুসংহত হতে থাকে।

জাতীয় চেতনায় মনঃস্তাত্ত্বিক শূন্যবোধের উদ্ভব ঘটেছে

বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, একটি সংঘবদ্ধ, সুসংহত, মতাদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সংগঠনের জনসম্পৃক্ত ব্যাপক প্রতিরোধ সংগ্রামের অনুপস্থিতির কারণে একটি জাতিব্যাপী রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও মনঃস্তাত্ত্বিক শূন্যবোধের উদ্ভব ঘটেছে। এই বাস্তব ও ব্যাপক নিটশীয় শূন্যবোধের প্রতিক্রিয়ায় জাতির সংবেদনশীল ও মননশীল চেতনা ও মানসে এক যন্ত্রণাকাতর, বিষণ্ণ মনোবেদনা ও ব্যর্থতাজাত অবসাদ অনুভূত হচ্ছে। ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়া অথবা সাফল্য ব্যর্থতা থেকে এই সামষ্টিক বেদনা ও যন্ত্রণা পরিমাণগত ও গুণগত উভয়দিক থেকেই আলাদা। জাতি, দেশ, রাষ্ট্র প্রভৃতি নিয়ে যেসব মননশীল ও সৃজনশীল নাগরিকেরা ভাবেন ও সক্রিয় হবার চেষ্টায় ও চর্চায় ব্যাপৃত থাকেন, তাঁরা যে সামাজিক শ্রেণী ও স্তরেই অবস্থান করুন না কেন, তাঁদের চেতনায় ও মননে এই জটিল ও কুটিল সংকটজাত সংবেদনা ও সংক্ষোভ প্রতিফলিত ও প্রকাশিত হবেই। আর এই মনোবেদনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ হল অসংগঠিত ও অসংবদ্ধ, বিচ্ছিন্ন ও বিযুক্ত ব্যক্তি-নাগরিকদের একান্ত অপারগতাজাত অসহায়ত্ববোধ ও তৎসংলগ্ন আত্মগ্লানি ও অপরাধবোধ।

উত্তর-ঔপনিবেশিক ও উত্তরাধুনিক জাহিলিয়া

এই বিষয়টি খোলাসা করতে মহামতি কার্ল মার্ক্সের একটি বিখ্যাত উক্তির আশ্রয় নেয়া যেতে পারে। তিনি বলেছিলেন যে দার্শনিকেরা এ যাবৎ ইতিহাসের শুধু ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের মধ্যেই নিজেদেরকে ব্যাপৃত রেখেছেন, কিন্তু যা আরো বেশী কাম্য তা হল ইতিহাসের পরিবর্তনের জন্য কাজ করা, শুধু ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ নয়। বুদ্ধিবৃত্তির এই মহান দায় কাঁধে নিলে যে কোন মননশীল নাগরিক একধরণের বিদগ্ধ অপারগতার মনোযন্ত্রণায় আক্রান্ত হতে বাধ্য। জাতি-দেশ-রাষ্ট্র বিবর্তনের এমন এক বন্ধ্যা ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে, যখন সামাজিক শুভশক্তিগুলো নিঃসঙ্গ, বিযুক্ত, অসংঘবদ্ধ ও নেতৃত্বহীন আর সামাজিক অশুভশক্তিগুলো দেশী-বিদেশী প্রেক্ষাপটে অনেক বেশী একাট্টা ও সক্রিয়। সর্বব্যাপী আঁধি, নেতি ও অকল্যাণের এই কৃষ্ণপক্ষকেই বোধকরি উত্তর-ঔপনিবেশিক ও উত্তরাধুনিক জাহিলিয়া বলে বয়ান করা যেতে পারে। কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বায়নের মাধ্যমে যখন পৃথিবীব্যাপী একধরণের পণ্যসম্ভোগবাদী ও আগ্রাসী বিশ্বব্যাবস্থা কায়েম করেছে, তখন নিম্নবর্গ ও প্রান্তিক ব্যক্তি, শ্রেণী, সম্প্রদায় ও জাতি হিসেবে স্বাধীনভাবে আত্মপ্রকাশ ও আত্মবিকাশের সুযোগ ও সম্ভাবনাগুলো অনেকাংশেই অপসৃয়মান।

বিশ্ব মুসলিম সভ্যতার নবজাগরণ ও বাংলাদেশ

এর সঙ্গে রয়েছে মহান এক আল্লাহর প্রতি সমর্পণকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে প্রতিষ্ঠাকামী আত্মিক শ্রেয়োবোধ ভিত্তিক বিশ্ব মুসলিম সভ্যতার নবজাগরণকে নস্যাৎ করতে সদা সতর্ক ও প্রস্তুত পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের বিভিন্ন সভ্যতার একক অথবা যৌথ যুদ্ধাভিযান। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে বাংলাদেশও এই আন্তর্জাতিক সমীকরণের বাইরে নয়। ‘জঙ্গিবাদ’, ‘সন্ত্রাসবাদ’ ও ‘মৌলবাদ’ দমন বা নির্মূলের দোহাই দিয়ে গণতন্ত্রের ন্যূনতম পূর্বশর্তগুলোকে উপেক্ষা ও বিসর্জনের বিপজ্জনক ডিসকোর্স আমরা বাংলাদেশে বেশ জোরেশোরেই শুনতে পাই। এই ডিসকোর্সের তাত্ত্বিক গুরুরা প্রকারান্তরে জুডিও-খ্রিষ্টান নব-ক্রুসেড ও ভারতীয় আধিপত্যবাদকেই প্রমোট করে চলেছেন।

চাই আত্মিক চেতনায় বলীয়ান আদর্শভিত্তিক নতুন সৃজনশীল রাজনীতি ও সংস্কৃতি

কাজেই বাংলাদেশে বর্তমানে যে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লড়াই চলছে এর যেমন একটি দেশী প্রেক্ষিত রয়েছে, তেমনি এর রয়েছে একটি আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিত। তাই ব্যক্তি, শ্রেণী, সম্প্রদায় ও জাতি হিসেবে উপনিবেশ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে ক্রমাগত বিকাশ ও উত্তরণের যাত্রায় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখতে হবে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ হয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত যে স্বাধীনতা ও মুক্তির অভিযাত্রা, সেখানে একটি অভিজ্ঞতা বারবার বেঠোফেনের পঞ্চম সিম্ফনির বিখ্যাত থিমের মত বেজে উঠেছে। আর সেটা হল গণতন্ত্রকে দুর্বল করে ও স্বৈরতন্ত্রকে প্রবল করে কোনও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কায়েম হতে পারেনি। অন্যদিকে বন্ধ্যা রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুনর্গঠিত হয়ে, অথবা পরিবর্তিত হয়ে অথবা নতুন জনসম্পৃক্ত ও আত্মিক চেতনায় বলীয়ান আদর্শভিত্তিক শক্তির আগমনের ভেতর দিয়ে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ও প্রগতি বেগবান হয়েছে নানান পালাবদলের মধ্য দিয়ে।

সুতরাং ব্যক্তির একক ও জাতির সামষ্টিক চেতনায় যে সর্বগ্রাসী অবসাদ, হতাশা ও নির্বেদ ইতিহাসের পর্ব-পর্বান্তরে নেমে এসেছিল তা যেমন নতুন সৃজনশীল রাজনীতি ও সংস্কৃতির অভিঘাতে কেটে গিয়েছিল, আশা করা যায় যে এখনকার বন্ধ্যা প্রতিরোধ সংগ্রামও নতুন উদ্যোগে, নতুন কৌশলে, নতুন নেতৃত্বে সফল হয়ে অচিরেই সামষ্টিক মননের তমসা ও স্থবিরতার অবসান ঘটাবে।

সত্যের অনুসন্ধান by মুহাম্মদ আব্দুল খালিক

বর্তমানকালে কোন কোন দার্শনিক মত পোষণ করেন যে, Absolute truth বা প্রকৃত সত্য বলে কিছু নেই। এখন যা সত্য বলে অনুভূত হচ্ছে কালের বিবর্তনে তা আর সত্য নাও থাকতে পারে। এখন প্রশ্নমানুষ কি এতই সীমিত জ্ঞানের অধিকারী? সৃষ্টি লগ্ন থেকে মানুষ কি প্রতিনিয়ত অনিশ্চিতভাবে জীবনযাপন করছে? প্রাকৃতিক বিধিবিধান (Natural law) কি মানুষকে কোন নির্দেশনাই দেয় না? সভ্যতার বাহ্যিক চাকচিক্য, মানুষের উন্নতি সভ্যতার শীর্ষে আরোহণের সব লম্ফঝম্ফ কি সবই মেকি? মানুষের দ্বারা জ্ঞানের এত শাখাপ্রশাখার বিকাশ কি মানুষকে নিশ্চিত কোন জ্ঞান দিতে সক্ষম নয়?

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বর্তমান সময়ে মানুষ তার মস্তিষ্কের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করছে এবং এর বেশি ব্যবহার করতে গেলে মানুষের মানসিক অবসাদ বাড়বে, বেড়ে যাবে মানসিক রোগাক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও। প্রশ্ন হচ্ছে, মানুষ তার মস্তিষ্কের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করার পরও কি কোন প্রকৃত সত্য খোঁজে পেল না? এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজলে তাদের দেয়া Principle-এর দূর্বলতা পরিলক্ষিত হবে।

প্রকৃত সত্য অবশ্যই আছে। সৃষ্টি লগ্ন থেকে প্রাকৃতিক আইন (Natural law) একটাই আছে। আর তাই মানুষের পক্ষেও খোঁজে পাওয়া সম্ভব প্রকৃত সত্যের। তবে এজন্য প্রয়োজননিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ, সত্যানুসন্ধানের সদিচ্ছা, প্রত্যয়, আর সর্বোপরি ভোগবাদী মানসিকতা পরিহার।

একজন মানুষের চিন্তা বুদ্ধির পরিপক্বতা আসার পর প্রথম এবং তার জীবনের সবচাইতে বড় যে দায়িত্ব তার কাঁধে চাপে তা হলোসত্যের অনুসন্ধান। বিশ্বজগ কিভাবে সৃষ্টি হলো? কে এটা সৃষ্টি করেছে? নাকি আদৌ কেউ করেনি? মানুষের জীবন চলার পাথেয় কী হওয়া উচিত? কোন আদর্শ অনুসারে মানুষের জীবন পরিচালিত হবে? মানুষ কি নিছক প্রাণসর্বস্ব জীব? নাকি নৈতিক মানসম্পন্ন উন্নত জীব? মানুষের বাহিরের সত্ত্বার গুরুত্ব বেশি নাকি ভেতরের সত্ত্বার? পৃথিবীতে মানুষ কি “survival for the fittest” নীতিতে চলবে? নাকি পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ব সাম্যের নীতি অনুসরণ করবে? মানুষ কি পশুদের মত অবাধে যৌনাচার করবে? নাকি নৈতিক সীমাবদ্ধতার নীতি মেনে চলবে? মানুষ কি শুধু নিজের স্বার্থ উদ্ধারেই ব্রত থেকে বৈধঅবৈধ পথে টাকাপয়সা সম্পদ উপার্জন করবে? নাকি সুষম বন্টনের নীতি অনুসরণ করবে? এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা খোঁজে পাওয়া প্রত্যেক মানুষের জন্য আবশ্যক।

দু:খের বিষয় হলোবিশ্বের বেশির ভাগ মানুষই এসব সম্পর্কে নিস্পৃহ। তারা গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিয়েছে। সারা বিশ্বে হাতে গোনা কিছু মানুষের ইচ্ছা, চিন্তা মতবাদের কাছে তারা নিজেদের সত্ত্বাকে সপেঁ দিয়েছে। নেতাদের বক্তৃতা আলোচনা, অন্যের লেখনী এবং মিডিয়ার প্রচারণার মাধ্যমে তারা উদ্বুদ্ধ হয়ে জীবন চালনা করে থাকে।

বেশির ভাগ মানুষই প্রকৃত সদিচ্ছা নিয়ে জীবন চালনার মূলমন্ত্র খোঁজার জন্য সত্যানুসন্ধানী হওয়ার তাগিদ অনুভব করে না। নিজেদের ঘৃণ্য স্বার্থ চিন্তায় তারা এতই মত্ত থাকে যে, হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ে। নিজেদের স্বার্থদ্ধোরে অন্যের অনিষ্ট সাধন করতেও পিছপা হয় না।

সত্যানুসন্ধানে এই অবহেলা নিস্পৃহতা মানুষের জন্য কোন কল্যাণ বয়ে নিয়ে আসেনি। মানুষ নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছে প্রত্যক্ষ পরোক্ষ পরাধীনতার বন্ধনে, দাসত্বের নিগড়ে। মানুষের অসচেতনতার সুযোগে রাষ্ট্রযন্ত্র আজ এমন এক ভয়ানক অক্টোপাসে পরিণত হয়েছে, যা গুটিকয়েক অস স্বেচ্ছাচারী সম্পদশালী এবং ভ্রান্ত লোকদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

বর্তমানকালে রাষ্ট্র এমন এক দানবীয় শক্তি যা মানুষের কন্ঠ রোধ করে থাকে নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে। কিন্তু সকল মানুষ যদি সত্য অন্বেষণে নিজেকে নিয়োজিত রাখত তাহলে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহৃত হতে পারত মানুষের প্রকৃত মঙ্গলের কাজে, কল্যাণ রাষ্ট্র (Welfare state) হিসেবে।

আমাদের জীবনকে সত্যিকারার্থে সুন্দর সফল করতে; আমাদের সমাজকে শান্তি, প্রগতি, আর ভ্রাতৃত্ব ভালোবাসার বন্ধনে আরো সুদৃঢ় করতে; মানবতার কাঙ্খিত বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে সত্যের সত্যিকার অনুসন্ধানই হোক সকলের ব্রতী।

 

লেখক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলএম অধ্যয়নরত

A Rejoinder to the opinion piece by Hammad Ali titled “Rights, Responsibilities and Privileges”

by M. Aktaruzzaman (Zaman):

http://opinion.bdnews24.com/2013/11/14/rights-responsibilities-and-privileges/

“Few things are harder to put up with than a good example”

The header of this write up is a borrowed quote from Mark Twain, the witty guy with a big mustache. I used to work in a little town on the mighty Mississippi, where Mark Twain lived his childhood days! Whenever, I visit downtown for a little coffee or anything else, on the hill, I see the Mark Twain Boyhood Museum and I think of this quote.

It, indeed, is very hard to put up with a good example. In the heydays of the current administration (early 20111), an honorable minister and Awami League (AL) secretary general again invoked the name our only Nobel laureate to give a little extra credit to our sitting prime minister (for she helped Yunus get the bank going!). Other ministers, AL leaders and even the attorney general, at various time, tried to spray an extra glow for the prime minister. Yes, the witty man with a big mustache from Hannibal said it right ….ha .. ha..

But why? Why the Prime Minister, having all the hard powers of the state juggernaut at her disposal consider her feat a lesser feat than that of Yunus? She has all the love (!) in the land. She is the undisputed heiress of the most powerful political Ghorana. She lacks nothing. And yet she longs for what Yunus never longed for! He dreamed and worked hard and he himself became an example international repute. And he got what he deserved!

For whatever reason, the nation has given our prime minister the biggest gift one can ever have. They gave her the opportunity to serve them for five years. And she had visions too. She came with a dream of Digital Bangladesh – that can make governing open and transparent thus reducing all the other maladies that accompany our “as usual” governance. If she just kept on working for this very noble goal, she can be a transformational leader ushering her poor millions in the new era of information and prosperity. I bet, Yunus and his intellectual tools are ready to be tapped for the benefit of the people. But naught … the long hand of the governmental juggernaut, instead, decided to discredit the Yunus for no good reason. The PM called him a blood sucker usurer, even though Yunus does not own the bank and even though she herself claims to be a facilitator for the whole enterprise. Her ministers called names. And her Attorney General even announced that the PM deserved the laurel for her extra-ordinary work for negotiating a peace treaty in Chittagong Hill Tracts.

With this prelude I would like to offer a rejoinder to Mr. Hammad Ali’s opinion piece “Rights, Responsibilities and Privileges” published on November 14, 2013.

In the third paragraph Mr. Ali posited, “Why would a man whose life mission is to eradicate poverty in his own motherland, a man who is above all trying to work for the common man, have his influence measured in terms of how many heads of states and business tycoons he knows?” The matter of fact is far from Mr. Ali’s contention. Muhammad Yunus, at the prime of his life, left a very highly ranked university in the US (Vanderbilt to be precise) and settled in the quaint outskirts of Chittagong in early 70’s. He was nothing more than a young economist with a desire to do the best for a nascent nation-state. “We are poor, because we are poor” – this aphorism is economics bothered Yunus. He desired and devined a pragmatic approach to provide capital to the poor without collateral. Thus came the village of Zobra and thus came the Grameen Bank. Yes, the then Prime Minister Sheikh Hasina deserves kudos for her helping hand. “True influence, I believe, has to be bottom up, and not top down” – Yes, this is what the story of Yunus is! He fact that his circle of influence is so wide is a function of his work that he started at the subaltern. It is never top town …

The second cliché point Mr. Ali mentioned is the notion that “Yunus has changed the national image for the better”. This has merit, but I agree with Mr. Ali when writes, “No, just knowing that your country produced a Nobel Laureate does not change their attitude about you overnight.” This especially is true when we also are doing certain non-kosher things like Hawa-Bhavon, Khamba, Hallmark, Padma and etc etc … Image of a nation is more like a kaleidoscope of myriad images that morphs with succession of images – good or bad. More images of the likes of Muhammad Yunus of GB, Sir Fazle Hasan Abed of BRAC and Quader of BIKASH someday shall make the image of Bangladesh brighter…

Yunus’ short but unsuccessful foray into politics in 2007 is dubbed as the “Main Issue” by the erudite scribe. He reasoned that Yunus’ venture to test the water of politics made him a lesser man.“If Dr. Yunus thought his credentials put him on fast track for political success, then he was probably not the man many of us thought he was” – thus goes Mr. Ali, however, he, I hope not, shall argue against the inalienable right of any citizen to enter the crowded political arena. Bangladesh yearns for a man of his stature and integrity to be in politics. I wish, he did not retreat in the face of less-than optimal support. It just is a measure of his less-than-expected political astuteness. It does not make him a lesser man. In fact, this makes him a better man because he tried to do what felt was right!
Then fast forward to Grameen Bank. The scribe says “I fail to understand why the government of a country cannot ask for greater monitoring of an organization that has already been questioned several times as to their methods.” Yes, questions were asked several times but no irregularities were discovered after extensive examinations. A government that loves to govern by judiciary shall not resort to judiciary proceedings in case of irregularities on the part of Yunus are hard to believe. Anyway, end-game is still to unfold. I only hope that the Nobel winning back does succumb to the Sonali-entropy!

The quote on red, Mr. Ali used, to waylay Yunus is jejune at best. It is nothing more than an cliché expression of an exasperated man. In the age of “Da-Kural” and “Logi-Boita” this is very very benign!!

At the end I would like share a personal story. Few years ago, we had a chance to meet Dr. Yunus when he delivered a lecture at Principia college in Illinois, USA. Yunus was simply electric. My daughter who just finished her college was inspired to do public good. She applied for a public service position. During the interview, because of my daughters ethnic origin the issue of Yunus came along. My daughter, believes that the inspirational image of Yunus helped her get that coveted position.

And such is the image of Muhammad Yunus outside the bounds of his own homeland.

(This was sent to bdnews24.com but was not published)

M. Aktaruzzaman (Zaman), MD, FACAAI
Potsdam, New York

Welcome to Mr Arvind Kejriwal ~ long struggle ahead if you are ‘TRUELY true’ to your conviction

Mr Aravind Kejriwal after winning election. Photo copyright Deccan Chronicle.

Mr Aravind Kejriwal after winning election. Photo copyright Deccan Chronicle.

I must admit I didn’t give much of a thought back in 2011 when my co-workers and friends of Indian origin told me about Anna Hazare and his activism against corruption in New Delhi. I tried to read few articles here and there about his activism and came to know that he does not want to take a political platform and do his activism in a ‘non-political’ and ‘non-partisan’ fashion. As an avid follower of news, history and politics I know that activism without political platform and partisanship is recipe for failure specially in Indian subcontinental political eco-system. So, as long as Mr Anna Hazare were to be the face of the activism, this movement was going no where other than passing a law or two about anti-corruption. Laws are made in Indian subcontinent usually for not to be implemented.

Having said so, a few of my Indian friends were very hopeful about an IIT-trained mechanical engineer turned tax department bureaucrat named Mr Arvind Kejriwal who was with Anna Hazare and took part in the political activism against corruption. I must admit that I did not give it a much of a thought either back then.

In the past 2000 years of the history of Indian Subcontinent political power is always ‘handed down’ from one generation to other. The only way to change the political power was by destroying the dynasties. As the subcontinent was sub-divided into 100s of small and big independent or semi/pseudo-independent states for 1000s of years the tradition is such as a state always belongs to its king. Once the East India Company started taking over the subcontinental landscape back in mid 1700s they had to figure out an effective way to by-pass the rules of the kingdoms and thus British-India-bureaucracy was born. And so was the corruption.

Two weeks ago Delhi’s election made a splash on the global news as Mr Kejriwal’s Aam Admi Party defeated other two political powerhouses in the provincial election. And now, skeptics like me had to take notice! Mr Kejriwal is not the first one in recent history to take up such initiative of taking the task to clean corruption from the a sub-continental country bogged into a 200 years old bureaucracy and, at-least, 100 year old political dynasty altogether. Politicians have come as fighters against corruption and gone as corrupt ones themselves in a few years. I think I had the valid reason to be skeptic.

If Mr Kejriwal is true to his conviction he has a long long way to go no doubt. How will he win this battle against corruption and install good governance? I believe the answer is simple ~ by the help of the people who are tired of these all-powerful all-have political power-houses. I believe those are the people who voted for him. As Mr Kejriwal knows very well, politics is a high-stake game where politicians usually always win. This is the ‘business of people’.

Will Mr Kejriwal become ‘the’ politician to make tough decisions and win a political battle against corruption? It will be a new experiment and a new experience for the world to watch (and learn may be). Anna Hazare movement now has a political platform and a human face as a leader. The stage is set. Sounds are checked. Lights are on and focused on Mr Kejriwal ~ to perform. Aam Admis (regular people) are hoping nobody-else will steal the show this time. Much is on stake.

আওয়ামিলীগের প্রহসনের বিচার কাদের মোল্লাকে কিংবদন্তী বানিয়ে দিলো।

মাহবুব মিঠু।

কিছু প্রশ্নের উত্তর অমিমাংসিত রেখেই কাদের মোল্লার ফাঁসীর রায় কার্যকর হোল। অস্বিকার করার ‍উপায় নেই, আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মুসলিম লীগ এবং জামাতে ইসলামের ভূমিকা ছিল দেশের বিপক্ষে। মুক্তিযুদ্ধের গোটা নয় মাস জুড়ে এই দুই দল সারাদেশে পাকীদের সাথে একই কাতারে দাঁড়িয়ে দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অনেক সূর্য সন্তানকে হত্যা করেছিল। ১৪ই ডিসেম্বর, শুধুমাত্র একদিনে তারা খুন করেছিল অগনিত মানুষকে। তাই ৭১ এর নৃশংসতার শাস্তি জড়িতদের অবশ্যই প্রাপ্য।

এই বিষয়ে কারো প্রশ্ন থাকলে সে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি নয়। পুরো বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আজ জাতি যে দ্বিধাবিভক্ত তার উৎসমূলেও কিন্তু “যুদ্ধপরাধীদের বিচার করা যাবে না” তাও নয়। বিভক্তির জায়গাটা একটা নৈতিক অবস্থান থেকে। বিচার প্রক্রিয়ার দলীয়করণ চরিত্র দেখে বিবেকবান মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে, এটা কি ’বিচার নাকি প্রতিশোধ’? প্রতিশোধই যদি নিতে হবে তাহলে ট্রাইবুনাল গঠন করে, এতো এতো লোকজনের বেতন ভাতার ব্যাবস্থা করে জনগণের ট্যাক্সের টাকার শ্রাদ্ধ কেন? আওয়ামিলীগের দৃষ্টিকোণে প্রতিপক্ষের যাকে যাকে মনে হয় যুদ্ধপরাধী তাদের সোজা ধরে এনে লটকে দিলেই হয়!

মূলতঃ বিচার নাকি প্রতিশোধ, এই নৈতিক অবস্থান থেকে সরে যারা কাদের মোল্লার ফাঁসী নিয়ে মাতামাতি করছেন তাদের অপরাধের প্রকৃতিও কিছুটা সেই ৭১ এর ঘাতকদের মতোই জিঘাংসা থেকে উদ্ভুত।

স্বাধীনতার চেতনার একটা বড় অংশ ছিল সমাজে ন্যায় বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। শুরু থেকে যুদ্ধপরাধীদের বিচার নিয়ে সরকার যে প্রহসন করেছে তাতে কি মনে হয় স্বাধীনতার এই চেতনার কোন সংযোগ ছিল? সম্পূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থান থেকে বিচার প্রক্রিয়ার যাত্রা শুরু হয়। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হোল, বিচার কাজে সুষ্ঠুতা  দিতে সরকারের যে অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সেই আইন বিভাগের প্রধান আইনমন্ত্রী, সদা বাচালতায় স্বিদ্ধহস্ত কামরুল ইসলাম এবং তার পরিবার নিয়ে যুদ্ধপরাধ সংক্রান্ত যথেষ্ট অভিযোগ আছে। বেয়াইর কথা বাদই দিলাম। লিখতে লিখতে ক্লান্ত। রাষ্ট্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তৎকালীন প্রধান মহিউদ্দিন খানের বিরুদ্ধে স্বয়ং বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী যুদ্ধপরাধের অভিযোগ তুলেছেন। এভাবে দেখতে গেলে বর্তমান আওয়ামিলীগ করছেন জীবিত এমন অন্ততঃ তিন ডজন রাজাকার এবং যুদ্ধপরাধী নেতা আছেন, যাদের কাউকেই বিচারের আওতায় আনা হয়নি। এই লিষ্ট বিএনপির করা নয়। এটা করেছিলেন প্রয়াত জাহানারা ইমাম।  যুদ্ধপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত সালাহউদ্দিন কাদেরের একটা উক্তি বেশ মজার! তিনি বলেছিলেন, আওয়ামিলীগ এমন একটা কল যার একদিক দিয়ে রাজাকার ঢুকালে অন্যদিক দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হয়। তবে আমরা দেখেছি মুখ দিয়ে খাবার ঢুকালে পাছা দিয়ে হাগু বের হয়। অর্থাৎ কোন ভাল মানুষ আওয়ামিলীগ করলে সে আবুল হোসেন হয়।

আরেকটি হাস্যকর দিক এড়িয়ে যাবার নয়। ‘স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি’ নামে পরিচিত লাভ করা সেই ঘাদানিকের প্রধান শাহরিয়ার কবির যুদ্ধের সময় পাক আর্মিদের মুরগী সাপ্লাই দিত। এরাই হোল বিচারের সংগঠক এবং ব্যবস্থাপক। বুঝুন এবার!

এই ঘটনা উল্লেখ না করলে লেখাটা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।  গত ফেব্রুয়ারী মাসে এই কাদের মোল্লার রায়কে কেন্দ্র করে শাহবাগে যে সত্যিকারের গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল, সেই লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের উপস্থিতি কমে কেন রায় বাস্তবায়নের সময়ে শতেক খানেক লোকে এসে ঠেকল? আজকে তো কোটি জনতার উল্লাসে মুখরিত হবার কথা ছিল শাহবাগ চত্ত্বর। খুব তাড়াতাড়ি সত্যিকার স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী সাধারণ মানুষ বুঝতে সক্ষম হয় তারা সরকারের পাতানো জালে আটকে যাচ্ছে। বন্যার পানি সরে যাবার মতো তাই দ্রুততার সাথে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও কমতে থাকে। মূলতঃ এই ট্রাইবুনালের রায় স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে কিম্বা অপরাধের মেরিট অনুযায়ী যতোটুকু দেয়া হয়েছে তার চেয়ে বেশী প্রভাবিত হয়েছে সরকারের ইশারায়। কাদের মোল্লার রায়ে দেয়া যাবজ্জীবন ছিল পুরো খেলার একটা অংশ। সরকার দুর্নিতি, ভারতপ্রীতি, মানুষ অপহরণ, গুম নিয়ে যে ঝামেলায় পড়ে গিয়েছিল সেখান থেকে উত্তোরণের জন্য এই প্রহসনের খেলা জরুরী ছিল। যদিও শেষমেষ খেলা জমাতে পারে নাই। রায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ জনতা শাহবাগে ভীর জমাতে থাকে। শ্লোগান ওঠে, জামাতের সাথে ’সরকারের’ এই আঁতাতের রায় মানি না। দু’দিন না যেতেই শাহবাগের সেই আন্দোলনের ভিতরের কুশীলবরা আসল পরিচয় নিয়ে হাজির হয়। শুরুতে সরকার ভিলেন থাকলেও তারাই ধীরে ধীরে মঞ্চে এসে নায়কের চরিত্রে অভিনয় শুরু করে। আরো ক’দিন যেতেই মূল ইস্যু অর্থাৎ যুদ্ধপরাধীদের ফাঁসীর দাবীর পরিবর্তে সামনে আসে বিএনপি বিরোধীতা।   বিএনপির এ্যানির নেতৃত্বে প্রাক্তন ছাত্রদলের অনেক নেতা ‘নব্বই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্রনেতার’ ব্যানারে শাহবাগের সেই প্রথমদিককার সত্যিকার গণজাগরণে একাত্নতা প্রকাশ করতে চেয়েছিল। আজকে আওয়ামিলীগ কর্তৃক পিতৃ সম্পত্তি হারানোর শোকে কাতর অঞ্জন রায় কার সাথে পরামর্শ করে তখন এ্যানিকে ‘না’ করেছিলেন? কেনই বা ‘না’ করেছিলেন? এই প্রশ্নগুলোর সদুত্তর পাই নাই তাকে জিজ্ঞেস করে। বাইন মাছের মতো পিছল কেটেছেন।

অঞ্জন রায়কে আরেকটি প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি আমার অনেক প্রশ্নের উত্তর দিলেও এই দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর দিতেও সাহস পাননি। কয়েক সপ্তাহ আগে আমার ফেইসবুকের নিউজফিডে অঞ্জন রায়ের একটা পোষ্ট ভেসে ওঠে। মন্তব্য করতে না করতে মেসেজ আসে, পোষ্টটা ডিলিট করা হয়েছে। ওখানে অঞ্জন রায় লিখেছিলেন যা তার সারমর্ম হোল, তিনিও অনেক আশা নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের সাথে একাত্নতা দেখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে মূল চেতনার সাথে লাইনচ্যুত হওয়ায় তিনি আর পূর্বের অবস্থানে থাকতে পারেননি। উল্লেখ্য, ওনার লেখার ভাষাটা আমি দিতে পারব না। কারণ উনি মুহুর্তের মধ্যে সেটা মুছে দিয়েছেন। যেহেতু আমি একবার পড়তে সক্ষম হয়েছিলাম, তাই মূল কথাটা আমার নিজের ভাষায় লিখে দিয়েছি। অঞ্জন রায়কে প্রশ্ন করেছিলাম কিসের এবং কাদের ভয়ে পোষ্টটা মুছলেন? কি কারণে আপনার অবস্থানের এই পরিবর্তন? উনি নিরব থেকেছেন। আমার মনে হয়েছে অঞ্জন রায়ের সরকারের বিরুদ্ধে যতোটুকু অবস্থান সেটা শুধুমাত্র পিতৃসম্পত্তি হাতছাড়া হবার শোকে। বাকী আনুগত্য ঠিকই আছে। সম্পত্তি ফিরে পেলে পুরোটাই ঠিক থাকবে।

যাইহোক, গণজাগরণ মঞ্চের হঠাৎ ইউটার্ন নেয়া দেখে কারো বুঝতে বাকী থাকল না, কেন কাদের মোল্লাকে ফাঁসী নয় , যাবজ্জীবন দন্ড দেয়া হোল। কেনই বা সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় গণজাগরণ মঞ্চের সৃষ্টি হোল। তারপরেও এখনো কিছু মানুষ গণজাগরণ নিয়ে ভ্রান্তিতে আছেন। তাদের তুলনা শুধুমাত্র নেশাগ্রস্ত মানুষদের সাথে করা যায়। এ এক অদ্ভুদ বাতিকগ্রস্ততা! মনুষ্য সমাজের অনেকেই নিজের অবস্থান ঠিক করতে নিজের মাথা না খাটিয়ে চোখ খাটাতে ভালবাসেন। মাথা অর্থাৎ নিজের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ না করে অন্যের আচরণ দেখে স্বিদ্ধান্ত নেন। মনে পড়ে ছোটবেলায় হাতাকাটা ভোজেন (নামটা ভুল হতে পারে। অনেক ছোটবেলার কাহিনী।) গেঞ্জী পড়ে ‍চুলের দুইদিকের চিপ কানের উপর বরাবর কেটে ভাব নেয়াটাই ছিল ফ্যাশন। স্কুলের অঙ্কের শিক্ষকের চুল টানা খেয়ে শুধরে নিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সিগারেট ফুঁকাও অনেকের কাছে স্মার্টনেস! এই ধরনের ’চোখে দেখে’ স্বিদ্ধান্ত নেবার মতো কিছু লোক এখনো আছে। এরা ’বিচার’ এবং ‘প্রতিশোধ” কিম্বা ‘প্রতিপক্ষকে দমনের’ সরকারী কৌশল বুঝে কিম্বা না বুঝে শুধুমাত্র ‘আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী’ এই তকমা পাবার জন্যই এতদসংক্রান্ত সরকারের সমস্ত অপকর্মে নিজেদের বিবেককে বিসর্জন দিয়ে স্বাধীনতার মূল চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

এই অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তিকে বেকায়দায় পড়তে হয়েছে রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষেত্রে। এই বিচার প্রক্রিয়ার পক্ষে অবস্থান নেবার অর্থ হোল কলঙ্কিত এবং পক্ষপাতদুষ্ট বিচার প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানানো। অর্থাৎ স্বাধীনতার চেতনা যা কিনা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া।

আরো কিছু জিজ্ঞাসার কোন উত্তর পায়নি জনগণ। আওয়ামিলীগের প্রাক্তন এমপি রনির দু’টো লেখায় উঠে  এসেছে কিছুটা। এই কাদের মোল্লা কি সেই ঘৃণিত কসাই কাদের মোল্লা?

কাদের মোল্লার দাবী ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সে জেসিও মফিজুর রহমানের কাছে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ধলা মিয়ার দুই মেয়েকে যুদ্ধচলাকালীন সময়ে কাদের মোল্লার দাবী মোতাবেক তিনি প্রাইভেট পড়াতেন।

কসাই কাদের খ্যাত এতো বড় একজন খুনী কি করে যুদ্ধের ঠিক এক বছর পরে ৭২-৭৩ সালে বাঙলাদেশের শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার সুযোগ পেল? কি করেই বা সে শেখ মুজিবের আমলে স্কুলে চাকরী পেল?

এর একটা প্রশ্নের উত্তরও আমাদের কাছে পরিস্কার নয়।

উপরের দাবীগুলোর সত্যতা বা মিথ্যা প্রমাণে সরকার কি কি পদক্ষেপ নিয়েছিল আমরা তা জানি না। এই অস্বচ্ছতা অনেক মানুষকে বিভ্রান্তিতে ফেলেছে। নামের কারণে যমে টানল না তো বেচারাকে? এই বিভ্রান্তি আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়বে। উত্তর না মিললে এক সময় এটা বিশ্বাসে পরিণত হবে।

যুদ্ধপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকরের দিন ঢাকা আতঙ্কের নয়, বরং উৎসবের নগরী হবার কথা ছিল। যে আকাঙ্খিত রায়ের বাস্তবায়ন নিয়ে আজ সারাদেশে সম্মিলিত আনন্দ উৎসব হতে পারত, বর্তমান সরকারের ঘৃণ্য এবং একপেঁশে বিচার প্রক্রিয়ার কারণে জাতি আজ দ্বিধাবিভক্ত। আখেরে এই পুরো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জামাত শিবিরের উত্থান আরো ত্বরান্বিত হবে।

এতোগুলো প্রশ্নের উত্তর অমিমাংসিত রেখে আওয়ামিলীগ কাদের মোল্লার ফাঁসী দিয়ে যুদ্ধপরাধের বিচার কতোটুকু করতে পারল জানি না। তবে তড়িঘড়ি করে রায়ের বাস্তবায়ন করে কাদের মোল্লাকে অপরাধী হিসেবে নয়, একজন ইসলামী আন্দোলনের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দিল। আগামী অন্ততঃ কয়েক যুগ কাদের মোল্লার গল্প বলে শত শত মুসলিম যুবককে তারা দলে ভিড়াবে।

এমনটিই হয়তো চেয়েছিল আওয়ামিলীগ এবং তাদের একান্ত বন্ধু আমাদের প্রতিবেশী ভারত। বাঙলাদেশকে জঙ্গীবাদের ট্যাগ লাগাতে পারলে সুবিধা বিএনপির অনুকূলে নয়, সেটা যাবে এই দুই শক্তির পক্ষে। বাঙলাদেশ আফগানিস্তান হলে লাভ বিএনপির নয়, পুরোটাই সুদসহ মূলধন এই দুই শক্তির পকেটস্থ হবে।

কিভাবে?

এই বুঝটা যে সব মনুষ্য প্রজাতির নেই তাদের আমার লেখা পড়াটাই ভুল ছিল।

Mahalom72@msn.com

বাসে মানুষ পুড়িয়ে মারলে কার ফায়দা হতে পারে ?

1

আপনি কি খেয়াল করেছেন যতবারই বাসের আগুনে মানুষ পুড়ে ততবারই জনবিছিন্ন আওয়ামীলিগ যেনো নয়াজীবন পায়? দেশের ৯০% মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে একদলীয় নির্বাচন করার সিদ্ধ্বান্ত থেকে সরে না আসার জন্য যখন দেশের আপামর জনগণ শেখহাসিনার বেহায়াপনায় বিরক্ত, ঠিক সে সময় কিছু দিন পর পর বাসে আগুন ধরিয়ে সাধারণ মানুষ পুড়িয়ে কার রাজনৈতিক লাভ হয় বলেনতো ? বিএনপি তো সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের লড়াই করছে, তারা কেনো মানুষ পুড়িয়ে মারবে? একটু ভেবে দেখেন যখনি বাস ভর্তি সাধারণ মানুষ পুড়িয়ে মারা হয় তখনই আওয়ামীলীগের দালালরা নড়ে চড়ে বসে। পোড়া মানুষগুলো যেন তাদের নতুন জীবনীশক্তি দান করে। পোড়া দেহ গুলোর ছবিগুলো ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট করে আওয়ামিলীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠন প্রচার শুরু করে এই বলে যে ‘দেখেন বিএনপির নেত্রীতাধীন ১৮ দল কত খারাপ। এরা মানুষ পুড়িয়ে মারে।’ দালাল মিডিয়াগুলাও কোনো প্রমান ছাড়া একই সুরে তাল মিলায়। এর পরে চলে মামলা এবং ধরপাকড়। গ্রেপ্তার করা হয় বিএনপির নেতাদের। এই প্যাটার্নটা এখন খুবই স্পস্ট। এখন বলাই যায় আওয়ামিলীগ তিনটি কারণে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা হতে পারে । ১ নম্বর কারণ হচ্ছে বিরোধী দলের আন্দোলনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরী করা। কারণ এই সরকারের আমলে সীমাহীন দুর্নীতি, অত্যাচার ও লাশের সারি দেখতে দেখতে মানুষ এখন আওয়ামীলীগের উপর বিরক্ত। আওয়ামীলীগের জনসমর্থন শুন্যের কোঠায়। মানুষ পুড়িয়ে মেরে মানুষের পোড়া লাশের গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে বিএনপির উপর দোষ চাপিয়ে আওয়ামিলীগ তার হারানো জনসমর্থন আদায়ের অসুস্থ খেলায় মেতে উঠেছে। ২ নম্বর কারণ হচ্ছে অহেতুক সাধারণ মানুষদের পুড়িয়ে তাদের মেরে ফেলে আওয়ামীলিগ চায় বিরোধীদলের আন্দোলন দমন করতে। এজন্যই তারা কোনো রকম তদন্ত ছাড়া বাসে মানুষ পুড়িয়ে মারার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ৩ নম্বর কারণ হচ্ছে এরকম হৃদয়বিদারক ও নির্মম হত্যাকান্ড ঘটিয়ে আওয়ামীলীগ চায় বিরোধীদলের তত্তাবধায়ক সরকারের যে নায্য দাবী তা থেকে মানুষের মনোযোগ সরিয়ে ফেলতে। কথাগুলোর যৌক্তিকতা একটু ভেবে দেখবেন। পোড়া মানুষের গন্ধে হতবিহব্বল আপনি আমি হতেই পারি, তাদের কষ্টে আমাদের দু-চোখ জলে ভিজে যেতেই পারে , গলা ফাটিয়ে অসহায়ত্তের কান্নায় আমরা ভেঙ্গে পরতেই পারি। কিন্তু আমাদের যৌক্তিক বিচার বুদ্ধি রাখাটা এই সময় সবচেয়ে জরুরী। কারণ এখন একটি পক্ষ যেকোনো মূল্যে ক্ষমতার গদি আকড়ে পড়ে থাকতে চাচ্ছে। মনে রাখবেন কথাটা হচ্ছে —–যে কোনো মূল্যে। তা আপনের আমার পোড়া দেহের মূল্যে হলেও।

Bangladesh ~ Democracy in peril ~ Extreme Destabilization on hand ?

1
Bangladesh ~ Democracy in peril

Bangladesh ~ Democracy in peril

‘Bangladesh Syndrome’ is a term widely used in global diplomatic and economic think tanks in recent decades as an ever-broken system, which is run by mostly corrupt and dysfunctional political leaderships, progressing forward just by the will and resilience of the citizens themselves. Bangladesh is a place where optimism, hard-work and hope for a better future co-exist side by side with mindless corruption, endless poverty and needless political bickering. As a country and society Bangladesh has failed to address the timely needs of its hard-working regular citizens in most of the years since the time of the inception of the country in 1971. Failing to get a functionally neutral judiciary, failure to ensure the freedom of press and freedom of expression and failure to construct a non-partisan free and fare Election system are among the few of the said failures.

Current prime minister Mrs Sheikh Hasina finishing her 2nd term as the country's head of government. She refused to go to poll in 1996 in a similar situation when then prime minister Mrs Khaleda Zia refused to step down as the head of government.

Current prime minister Mrs Sheikh Hasina finishing her 2nd term as the country’s head of government. She refused to go to poll in 1996 in a similar situation when then prime minister Mrs Khaleda Zia refused to step down as the head of government.

Path towards a multi-party-democracy for Bangladesh has not been easy. Multiple autocratic rulers have tried to install one-party democracy in the ‘70s and ‘80s and was rejected by people. After long history of revolt and political struggle finally in 1990, after the fall of then autocratic dictator H M Ershad, its seemed like that Bangladesh finally has settled into a system where all political parties can co-exist in a parliamentarian democratic eco-system. Well, we were grossly wrong in our calculation and got too hopeful too early I assume.

Vote rigging, voter intimidation and election engineering are among the list of regular corrupt political practices among political parties in Bangladesh. The facts and evidence are so historically true that nobody even denies that. As per the mis-trust of each other among political parties themselves, a ‘neutral non-partisan caretaker government’ was installed just to run the election in 90 days time frame and was constitutionalized in 1996 and so it became the law of the land – same rule for everybody.

Current opposition leader Mrs Khaleda Zia, have been prime minister of the country for 3 times previously, refuses to go to poll while prime minister Mrs Sheikh Hasina stays as the head of the government.

Current opposition leader Mrs Khaleda Zia, have been prime minister of the country for 3 times previously, refuses to go to poll while prime minister Mrs Sheikh Hasina stays as the head of the government.

On a surprise move current ruling political party Bangladesh Awami League, led by Prime Minister Sheikh Hasina, suddenly abolished the ‘neutral non-partisan caretaker government’ from the constitution and thus asked the country to go to pole while she stays as the chief executive of the country during the election time. The main opposition party Bangladesh Nationalist Party (BNP), led by 3-times Prime Minister of the country Khaleda Zia has refused to join the poll if the current Prime Minister Sheikh Hasina stays as the chief executive of the country as wide-spread vote rigging and election engineering is expected by the ruling party. In recent months all the polls, conducted by even the govt-leaning media outlets, have shown that popularity of the current ruling party has taken a deep in past 5 years and if elections are held in a free fare non-partisan way Bangladesh Nationalist Party (BNP) will win a land-slide victory.

Global democratic communities, including European Union and US Congressional body, have openly called for a free a fare election in Bangladesh where an election can not be called a ‘credible one’ without the participation of the main opposition party of last election Bangladesh Nationalist Party (BNP). There were several attempts of dialogue in both domestic and diplomatic arena but have gone in vein due to lack of willingness of the current ruling party Bangladesh Awami League to give up the chief executive position during the election time.

Social Media sites like FaceBook have been flooded by the news of the arrest of opposition supporters and activists as Govt has effectively imposed media-blockade against opposition. University teachers have been apprehended and imprisoned for their stance against govt on FaceBook.

Social Media sites like FaceBook have been flooded by the news of the arrest of opposition supporters and activists as Govt has effectively imposed media-blockade against opposition. University teachers have been apprehended and imprisoned for their stance against govt on FaceBook.

Finally the election commission of Bangladesh has declared the date to conduct poll in a nationally televised broadcast by the chief election commissioner 12 hours ago when this blog is being written. If this election goes throw as it is, this will effectively kill the essence and tradition of multi-party-democracy in Bangladesh for foreseeable future and will install a one-party-parliament by conducting a single-party-poll. Wide-spread protest and political clash has griped the country no sooner than the Election Commission announced the date for the up coming single-party-poll. Lawlessness and uncertainties about the future has made the entire country worrisome as you read. Activists and supporters of main opposition party are being mass-arrested by security forces at this very moment.

Bangladesh has experienced violent history full of bloodshed and destabilization in early '70s when failed leftists movements were fighting among themselves and with the govt.

Bangladesh has experienced violent history full of bloodshed and destabilization in early ’70s when failed leftists movements were fighting among themselves and with the govt.

Although Bangladeshis are mostly peace-loving hard-working people both the extreme-left and extreme-right are vividly present in the political eco-system. The first president of the country Sheikh Mujibur Rahman had decided not to give the extreme-lefts any sort of political accommodation during his tenure from ’72 to ’75 and Bangladesh has seen very violent bloody past of the failed leftists movements in first half of the ’70 decade. In order to restore safety and security in the country, then govt forces have defused the leftists movement through bloodshed where 40,000+ leftists were killed during that time. Extreme-rights have largely been contained by political accommodation as of yet so far. But future of this political accommodation is un-known as current ruling gov of Bangladesh Awami League has taken away the ‘right to do politics’ of Jamaat-E-Islami, the largest Islamist party in the country, for their role during the liberation war in 1971.

The absence of multi-party democracy and meaningful political accommodation will create political vacuums effective enough for the rise of fundamental Islamists.

The absence of multi-party democracy and meaningful political accommodation will create political vacuums effective enough for the rise of fundamental Islamists.

Most of 160 millions of people of Bangladesh are poor while financial concern is #1 in 85% of citizens mind. An absence of multi-party-democracy will not only destabilize the economic rhythm of the nation but also will create political vacuum for the extremists Islamist to make permanent footstep in the country. The rise of extremist Islam always takes place when political accommodation of the Islamists are not possible in a democratic eco-system. ANY political scientists will confirm this fact if you ask.

Current destabilization of the country runs the risk of extreme elements to rise and the country going back to the early ’70s where the country was an effective war-zone while govt forces are always fighting the extremists inside the country. Only difference is this time around it will be the extreme-rights.

Blogger Wahiduzzaman – Release him Immediately

20131107-072315.jpg

This is Bangladesh of 2013. This is Prime Minister Sheikh Hasina’s Bangladesh. In this Bangladesh, even if you chop a local government elected leader Sanaullah Babu to death in broad daylight under rolling TV cameras you will not be brought to justice, you will keep terrorizing people – as long as you are a supporter of prime Ministers party. In this Bangladesh you can commit dozens of most brutal horrific murders, you can cut your opposition politician Nurul Islam into pieces before dumping in river Meghna, you will special presidential pardon to get out of jail – as long as you have the blessings of Prime Minister Sheikh Hasina. In this Bangladesh in front of live news TV camera, a poor Biswajit may be stabbed hundreds of times to death – but the known perpetrators will remain out of reach of any law enforcement – only because the the killers reportedly are followers of Prime Minster Sheikh Hasina’s ideology.

And this is the same country University teacher and blogger Wahiduzzaman will not get a bail on a silly false case and will land in jail – only because he dared speak up in social media against injustices of the government – only because he dared point out the irreparable harm Rampal power plant will bring upon Bangladesh – only because through his writings, he dared expose the extreme injustice imposed the people of Bangladesh by the tyrannical regime of Sheikh Hasina.

Wahiduzzaman is a great geography teacher. He is an environmental activist as well. And more importantly – he is a very popular social media activist and blogger. He is a Bangladeshi nationalist. Through his writings – he brings forward the concerns of the silent and voiceless majority of Bangladesh.

In the past when bloggers representing less than 5% peoples’ views, bloggers disparaging popular faiths, religions were subject to state persecution – the loud progressive class, rightly so, exploded in a chorus of protest. That is the way it should be. Even in farther past when media activist came under the ire of the military regime that preceded this regime, all media and online activists protested in unison. Ideology, party affiliation, faith gaps did not stand in the course of the protests.

But today when Wahiduzzaman spends his first night on the dirty concrete floor of Dhaka central jail, the world is very silent. Painfully silent.

Our progressive class is now dominated by a bunch of Talibans without AK 47. While these so called progressive Talibans can be most lethal, linguistically violent and abusive towards anyone working or writing in favor of any ideology outside of their narrow and petty political standing – when it comes to the writings and commentaries of others – these so called progressive are more intolerant than even the Talibans. That’s why, when Wahiduzzaman lands in in jail, there is hardly any chatter of protests in the social media world.

While the whole world can remain silent about the state oppression and unlawful incarceration of Wahiduzzaman, we cannot keep silent about it.
Wahiduzzaman is one of our own. He is one of the core Nuraldeen bloggers. He is our friend. We demand, in the strongest terms, immediate and unconditional release of Wahiduzzaman.

Because Wahiduzzaman speaks for the oppressed and voiceless silent majority, he is the lonely warrior today. Hardly there is any strong voice out there to speak for him. All the voices who should have spoken out are silenced with state imposed fear tactic, red eye a new draconian law to reign on free cyber activism.

But people fail to recognize one simple fact that if Wahiduzzaman has to land in jail today because he chose not to remain silent and dared criticize anti-people policies of the government – what is the future of a social media activist or blogger under a future government? Where is our constitutionally mandated space for free speech? Or in this new political order all we only have is our right to remain silent?

What are (Were) we thinking? Are ( Were) we out of our minds?

1

I was visiting Bangladesh when pilkhana massacre happened. As the events were unfolding on the morning of February 25 2009, I was returning to Dhaka from Chittagong. As I returned to Dhaka that afternoon the general narrative dominating our media and civil society discourse puzzled me. I wrote the following post during late afternoon of February 25 2009. I lost the post as the blog website hosting the post went offline-
Today, after the trial verdict of the massacre came out, a friend discovered the post for me from a web archive-
The narrative of public mind, our media and educated class as I described that afternoon is a fascinating reminder of the fickleness of our collective thinking process –

20131105-215646.jpg

Feb 25, 2009
Posted by- rumi
Tag – Army

Are we out of our minds?

Lets first see what happened today in BDR HQ in Pilkhana area of Dhaka.

The soldiers of an armed paramilitary border security force staged a public mutiny. As a part of the mutiny, it is near confirmed that they have killed senior leadership and their family members of this force. TV footages have shows footage of uniformed bodies lying on the ground within the HQ campus. They did not stop there. These rampant gun-trotting soldiers attacked civilians around the HQ. Poor people like rickshaw-wallahs, peddlers, pedestrians were killed. TV reporting has shown bodies lying near Dhanmondi lake and bleeding to death. There was no one to save that life. Another footage showed a father was running aimlessly helplessly holding his school dressed daughter on his chest. Undressed bodies are being recovered from sewage draining out of the BDR HQ area.

The government has shown utmost restraint so far. None other than the PM has declared a general amnesty. Political delegation has visited the revolting soldiers. Even PM and other senior leaders of the government met 16 members of the revolting forces.

In TV channels, all day we have heard how corrupt was the reportedly slain officers of BDR. Jawans staging the mutiny got unprecedented media access and a total one-sided propaganda dominated the media as well as the blogs all day. We’ve head all day how bad was BDR DG. We never bothered to dig his side of the story. And we’ve never bothered to ask even if all the corruption charges were true, is there any justification of the mindless killing that took place today?

Electronic media was one step ahead. They have transmitted all the real time info of all army movement to the BDR folks.

We have heard how deprived the BDR folks were. We were told again and again how army gets five times more benefits that of BDR. We were not told how BDR jawans get 100 fold more benefit that police forces. And how police forces gets thousands time more benefit compared to a vegetable vendor or a rickshaw puller.

The morning of August 16 1975 is still very vivid in my mind. The talk of the town that day was similar to all the talks we heard today. Stories of unbelievable massive scale corruption, arrogance of all those killed were all over the town.

We got to remember and remind ourselves that taking up arms and start indiscriminate killing just out of speculation is never a right thing to do.

Our government must take a decisive stand against this mutiny. This mutiny must be trampled first. If an investigating team identifies any injustice, necessary steps must be taken in the future. But negotiations must not be only option in dealing with such a situation. Once the revolting soldiers disobeyed and rejected the amnesty offer of the supreme commander, the immediate next step would be containment.

If government submits to BDR demands today, the police will revolt and kill tomorrow. Then army will also revolt with their demands. Not to mention other professionals like rickshaw pullers, street vendors etc.

I am hearing all the latest developments in negotiations. News tickers are showing that after a meeting with home minister and reps of the mutineers, the rebel soldiers have agreed to lay off their arms. If this turns to be true, this will be great news. I am however very skeptic about this. I fear this will end in total collapse of rebel chain of command.

While government need to be decisive in not tolerating such mutiny, utmost caution must be taken to minimize loss of lives. Sometimes simple waiting and patience game can do the job.

*****************************************************

And BTW, Bangladesh armed forces have done a super job so far. A reminder to all of us, this is the kind of job military is for. They have mobilized and got ready to storm the BDR HQ in a very quick time. Despite all the anger and provocation from inside, they have kept their fingers away from the triggers most of the time. And even they have been quite tolerant to the menacing natured electronic media people of Bangladesh and curious onlookers. 46th independent infantry brigade has done the job it is intended to do.

___________________________________________________________

The following are the comments made by bloggers and readers —

BDR, Mutiny
35 Comments

Globetrotter • Feb 26, 2009 @1:33 am
I agree. There can be no pardon for cold blooded murder. The story about the DG of BDR shooting and killing a Jawan is nonsense, and even if all the allegations of corruption are true, it doesnt justify a mutiny of this scale. The rule of law must be upheld at all cost.

Fariha • Feb 26, 2009 @1:34 am
kintu rumi bhai, amnesty na dile plan-B ta ki hoto?

Globetrotter • Feb 26, 2009 @1:38 am
fariha, the amnesty should cover those jawans who got caught up in the events, and took up arms later. But those who first broke the command structure and slaughtered their officers must be tried and punished.

Fariha • Feb 26, 2009 @1:41 am
hmm..but in the face of the growing unrest in the city, what else could the PM have done but grant them all general amnesty? A full investigation to find out who broke the command chain first would’ve been impossible in the afternoon, no?

Arif • Feb 26, 2009 @1:46 am
Faria,

Plan B jodi kono akta follow hoito, tailay plan A niyee akta lekha akhon lekha hoito.

Globetrotter • Feb 26, 2009 @1:47 am
…and what signal would that send, fariha? If you don’t like your superiors, kill them. Create enough “unrest” and lo and behold! You will be granted amnesty!

Shabab • Feb 26, 2009 @1:50 am
Fariha,

In this extraordinary situation, I think its fair for the government to withdraw its amnesty. I agree with you that there was little to no options for the government in the evolving crisis. It did the right thing to go ahead and negotiate, offering amnesty as the bate. However, there is a serious concern of the precedent this amnesty sets – for the sake of the nation’s integrity, the government will have to deal with this strong handedly, even if that mean going back on their promise.

Fariha • Feb 26, 2009 @1:51 am
but that is exactly what happened.

what do you think the PM should’ve done to tackle the situation?

Globetrotter • Feb 26, 2009 @1:57 am
I think I am repeating myself, but the general amnesty should not cover the ring leaders of the mutiny. Let us uphold the rule of law, otherwise this will happen again and again.

Fariha • Feb 26, 2009 @2:01 am
And you think just granting general amnesty to only the seemingly innocent jawans (who in all likelihood could’ve fired at the civilians and media) as opposed to all of BDR with the mutiny planner would’ve helped resolve the crisis?

The BDR reps who went to Jamuna would’ve happily gone to gallows knowing that their voice was at least heard and their lower ranking jawans would get amnesty?

Either you’re naive or i’m just disillusioned!

Badmarsh • Feb 26, 2009 @2:03 am
Preventing future mutinies should be done through institutional reform. The sub-game perfect outcome (in game theory jargon) of crushing this one violently to prevent future mutinies does not apply here. Institutional reforms in the police & BDR have been long overdue.

mamoon haroon • Feb 26, 2009 @2:09 am
How can Sheikh Hasina “pardon” killers within the BDR while she pursues the killers of her own father and family. Shoudn’t justice be awarded to all, without prejudice!

Bluish red • Feb 26, 2009 @2:29 am
Uff horrible…if i work with a group…and if someone from other part comes and shoots at any of my friend/collegue…i’ll definately shoot them back.,thats a reflex…
Bdr’s dint start it..1stly some of bdr shoulders were killed by DG and highier officials…that is what triggered them up…and i think u guys know it well…after watching whole days news..

Bluish red • Feb 26, 2009 @2:32 am
Someone has compared bdr jawan with veg vendors or rickshaw pullers…well bdr and army’s r said to get the same benefits …ensured by their ranks,,….comparing them with veg vendors or civillians is very low level joke i guess

Globetrotter • Feb 26, 2009 @2:34 am
Fariha, I am not naive, I just believe in the rule of law. And I am against appeasement. I think youre taking a myopic view. Other countries have had mutinies. The lesson to be learnt is appeasement brings more pain, not less. Usually this is done by initially diffusing the situation, and then investigating and bringing the perpetrators to justice.

Globetrotter • Feb 26, 2009 @2:36 am
Let’s use common sense here, shall we? The DG and about 40 of his fellow officers are surrounded by 10000 BDR jawans. But the DG shoots and kills a BDR jawan anyway. Makes sense, doesnt it?

Bluish red • Feb 26, 2009 @3:20 am
Huh…the dg shooted at one shoulder inside the darbar hall…ya use common sense,,how can 10000bdr be inside the darbar hall in a meeting,surounding the dg?? Does it make sense…we all heard it through news channels,only a limited no of jawans had the chance to be in the meeting which were held early in the morningwhere the 1st incident took place…
So i think u guys shuold use commomsense,as well as hear the full news before u make any silly comment here.,

Muhit Rahman • Feb 26, 2009 @5:14 am
It is nice to see and read so much interest in developments in Bangladesh. Most of the comments have some merit and some of the comments have considerable merit. However, if one were to make just one conclusion from all the reports – that would be that it is clear that a definitive account of events is yet to be established. Given that, I’d encourage everyone to be a bit more patient and a bit less judgmental. As facts are determined – and surely [I hope] there will be some serious investigations – the right course of action will become more apparent.

Meanwhile, I will commend the restraint shown by the Bangladeshi government and all other powers, whoever they might be, in their response. I only wish that curfew had been slapped on immediately in the affected neighborhoods (with exceptions to allow people to go home or pick up children, etc., and for reporters and emergency personnel) in order to limit the onlookers who, in famous Bengali tradition, seem to have come out in thousands!

There will be a time for finger pointing and for justice. The first and foremost job at the moment should be to bring the situation under control. I am happy to see that that seems to be the way we are going. Meanwhile, once again, I would suggest that we (the commentators) hold our fire as well.

Regards.

mamun haroon • Feb 26, 2009 @9:05 am
I am curious whether the Prime Minister of our country has the constitutional power to pardon murderers, which she promised to the mutineer.

Doesn’t the ability to arbitarily pardon murderers tentamount to or even exceed dictotorial power??

Does her pardon mean that the families of those who have died during the mutiny will not be able to file charges againts suspects involved in the murders which took place inside the BDR compound?

Asif Syed • Feb 26, 2009 @9:56 am
Why do we hate BD Army so much ?

Arif • Feb 26, 2009 @10:00 am
What is the just thing to do?
– Announce amnesty and solve the crisis for now.
– No amnesty, use force, kill more (including civilians).
– Promise amnesty, make them surrender, break the promise, and lose all trust from the border security force.

I am not sure what is the just thing to do.

Robot • Feb 26, 2009 @10:14 am
Arif, what abot amnesty for the movement but not for killing?

I think Blogger Rumi made a good point on the August 75 issue. Was the young chidren of sheikh family made any crime?

The army budget/army adminstration need to be more transparent.

Arif • Feb 26, 2009 @10:23 am
How you know who killed whom? Did you see Munni Saha’s report? Did you find any command? But lets wait few more hours to figure out actual loses.

Arif • Feb 26, 2009 @10:24 am
ps. 75 has nothing to do with this incident. This analogy is very annoying.

Rakib • Feb 26, 2009 @10:27 am
I am sad to write this. Unconfirmed report indicates much more ghenious disaster. Brutal killing took place. Women, children are taken hostage and here we are doing what! Bashing army! We talk about due process and here we are castigating one side without knowing what is taking place! I hear 100s dfead and here we are pardoning the killers!

From TV, a pregnant lady locked in quarter gurad, woman with children hgiding in bathroom, corpses hidden, thrown in sewerage line, only to float in kamrangir char! I just heard one officer dead, who I know to be honest personally and here we are raping the deads, castigating them without due process without even knowing what they did!

Did the officers commit such crime to deserve such indignity! Such brutal killing! Raped in dead!

Blogger, its time to think. This mutiny will have far reaching consequences if not addressed properly. Tomorrow, Ansar will revolt. Day after Police. Next Army.

Its time, we condemn the killers.

Thank you RUMI……………For being the sane voice in the middle of nowhere.

THANK YOU.

SC • Feb 26, 2009 @10:57 am
Just finished talking to my family in Dhaka. Two of my relatives (both army officers) and their young son are among the hostages. No whereabouts of them till now. Heard Matia Chowdhury is going in again to continue the discussion. Talking to a crying teenager whose mom, dad and brother are still missing in the melee is not easy. Army did not setup any information cell for the families.

I made my opinion known in http://unheardvoice.net/blog/2009/02/25/bdr-mutiny when the events were unfolding. I heard some other voices here and in the TV expressing similar thoughts addressing “amnesty”, “intelligence failure”, “corruption rumor”.

I will start with the quotation from a passionate blogger, “They’ve already killed their officers, so they know that they will have to face the music from the army.” Note that, not “music of the law” not “music of the land”, I guess it was not poor choice of words; it just reflects our national psyche and might be one of the root cause of the somber happenings. “Army as institute, as individual is superior to the rest of us and they can do anything they want” – has destroyed the essential characteristics of a patriotic army. This fact along with the failure to maintain chain of command from the officers, the lack of loyalty among the jawans, killing of a general in front of his officers (I hear the number was around 100 in the Darbar Hall) is disgracing to any professional army. The managers should go back to the drawing board and look deeply in their training program rather than lecturing on democracy.

Another one, “However, there is a serious concern of the precedent this amnesty sets – for the sake of the nation’s integrity, the government will have to deal with this strong handedly, even if that mean going back on their promise”. I was among the first who questioned the amnesty and asked for clear answer from the PM, but, I think it is a heinous suggestion. PM is not a police officer who can make false promises in order to draw a confession.

Another blogger used smiley faces and other jolly expressions in the same link. It is purely distasteful when we are facing a grave situation.

Not everything is dark and gloom. A civil government handled the situation with dignity and without huge loss of life. We have seen courageous young leadership Gini, Taposh, Nanak, Azam. Even at the height of the tension, parliament continued the regular business. The civil government was able to rein in the military. Someone, please, confirm that army was deployed at the direction of PM, not by some general to save their comrades – that will make my day.

Though the slain officers, jawans did not receive the dignity they deserve, we as a country should not treat the rebels the same way. Let them face the army court or civil court as appropriate and NO retaliation against the families.

Ahbab Aziz • Feb 26, 2009 @11:50 am
Many, if not most, of the people of Bangladesh have been surprised by the turn of events surrounding the BDR mutiny. However, is there any reason to be so surprised? I don’t think so, as this sort of event is not totally unexpected when lack of accountability is rampant in the armed forces, as in other sectors of the country. To stop this kind of marauding things from recurring, accountability must be established in the defense services, which cannot be done keeping them beyond the purview of civilian / elected authority. The elected govt. must take the lead in ensuring accountability in the armed forces if healthy chain of command is to sustain.

Fariha • Feb 26, 2009 @11:57 am
Ahbab Aziz, you’re right..

With due respect to the dead, I don’t think anyone was surprised by the stories of rampant army abuse and corruption.

As far as the chain of command of BDR being broken, that is a shame. But we have to remember here that this is, as some have correctly pointed out, a failure of their commanding officers who turned out to be members of the army. Bullying is not the best leadership style.

Abul • Feb 26, 2009 @12:11 pm
The Mutiny and the Untold Stories

The recent mutiny of the BDR is the result of extreme polarisation that have developed within BDR forces along the dividing line of Army vs Non-Army. And this polarisation has come into fruition involving this DAL-BHAT KORMOSHUCHI. This DAL-BHAT has been enough to spark the whole tragic event. In analyzing the even, one must reflect on it. Blame game will not lead anyone to anywhere else.

Indeed, it has been very naive on the part of our army personnel to get involved in profit making activities. For that, they have now paid a heavy price. Their image has been tarnished to a large extent. It is not good for the country. It will only contribute to the loss of people’s trust on them in the long run.

However, one must acknowledge that this state does not appear to have any mind or vision. The short-sighted policy makers never realise that the security forces can never be monetised which can only breed greed. This is not the proper economic force to generate money by doing ’social business’. Indeed such kind of activity always weakens their morale. As a result, in many cases, the border line between an army officer and a businessman gets blurred, creating further ‘anti-army’ sentiment among mass people even.

It is also true that it seems sky is the only limit for the army officers. They get plots at DOHS, almost free of cost and many other facilities which no one can get even by doing a very decent job in Bangladesh. Taking the advantage of their structural closeness with the government, the Army officers always make fortunes not only for themselves, but also for their families. Indeed, they have already established medical college, engineering college, university and what not with the money of the tax payers. Still their children and relatives get preference for admission. Their children/relatives pay less amount of money than general students for studying in those institutions. Just imagine how this structural position of advantage is being institutionalized by the Army officers for their next generations also in a country which already has huge gap between poor and rich.

Bangladesh army is also doing business in many other sectors. Even for purchasing armaments, some retired army officers do commission business. Their ‘military-business empire’ have also extended more rapidly particularly in the last two years. Even the Cantonment area now includes Bijoy Shoroni with a new connecting road for Mirpur and Old Airport cantonments. Still some people are more concerned about the subsidy of the state for the public universities. None raises eyebrows with regard to the business ventures of Bangladesh Army with tax payers’ hard earned money or to the issues of transparency and accountability in financial matters. It reminds me of the book written by a Pakistani Author Ayesha Siddika titled PAKISTAN MILITARY INC. Under the circumstances, Army officers should also realise what actually has gone wrong on their part taking the condition of present Pakistan into account.

In fact, it is the ultimate outcome of the whole society becoming a MONEY SLAVE. Defence officer seeks to have a comfortable life like a businessman and businessmen want to have state-power along with their money power. It is also true for other professionals. None is satisfied in this age of ECONOMIC GLOBALISATION. Thus it is more like that this kind of events will take place in the coming days also.

On the other hand, the whole event has also put the utility and credibility of the DGFI into question. If they are very good in arresting students and teachers and punishing them for collecting statements, why they were not being able to sense this incident! Indeed all the intelligence agencies failed in the past to prevent some zealots from hurling grenades on the political leaders and exploding bombs countrywide.

However, it is really shocking for all citizens of Bangladesh to witness such tragic event. Not a single citizen likes to see such event in the country. As citizens of Bangladesh we must condemn the incident.

Asif Syed • Feb 26, 2009 @8:06 pm
Is it really that hard to condemn the killing of a human being ? Do we always have to find some reason behind the killing ? Do we need numbers to make this situation more dramatic ? Isn’t every single life precious whether that person is an Army, BDR or civilian ? There is no doubt that the demands of the BDR revolters legitimate, but was this the way to go ahead ? Do you think this wound will just heal in few days ? Can anyone here please answer ?

Abul • Feb 26, 2009 @9:44 pm
“An eye for eye an makes the whole world blind”.

Rudro • Feb 26, 2009 @11:48 pm
It is so disheartening to watch this killing and chaos. Our society could not get over with the culture of ‘taking law in own hand’ and ‘extreme mrasures’. If this kind of mutiny still happens, we do not have the assurance that another coup would not happen and disrupt the present positive politacal development in the country.

But I see some encouragement in fact that army showed tremendous restraint so far letting PM, Home Minister and MPs tackle the situation. I think the political leadership has also shown maturity.

Finally one suggestion: Can we start a discussion and campaign for REMOVAL AND RELOCATION OF MILITARY AND PARAMILITARY ESTABLISHMENT FROM THE HEART OF THE CAPITAL DHAKA. It will diminish the influence of the entrenched power structure for the better future of Bangladesh.

Saleh Tanveer • Feb 27, 2009 @3:47 am
This mutiny brings to the fore deep problems within BD society and culture at the present time:

No grievance, no matter how legitimate, gets attention of authorities unless aggrieved people resort to violence and destruction. On the other hand, no matter how unfair demands may be, aggrieved parties feel that violence will get them what they want.
We have degenerated into a culture where burning of random cars following an accident, random killings and destruction of property to advance a political cause, mutiny in the armed forces are all considered legitimate tools by the aggrieved. There is no societal outrage unless it touches our near and dear ones.

Beyond punishing some of the involved Jawans of BDR, which many in the privileged class will call for, our politicians are incapable of arresting this destructive trend since they themselves have contributed to this culture in the name of “brihottoro shartho”.

indianguy • Feb 27, 2009 @1:31 pm
I feel bad for he senseless loss of life. A few important things come to mind. Sheikh Hasina just won a landslide victory, after 2 years of military rule. This is one incident that would at the very least strain her relations with the army.
The army I am sure realises that the mutineers have shaken the very core of the army command structure, and would have pushed to use force. Sheikh Hasina keen to avoid bloodshed would do anything to avoid use of force.
But the general amnesty, granted to those who were supposed to protect Bangladesh but instead turned their guns on their fellow citizens is a terrible idea.
All their gripes do not take away from the fact that they have killed Bangladeshi’s. I am not sure why I don’t sense aany public outrage.

Reza • Mar 1, 2009 @1:24 am
Mr. Saleh Tanveer,

Your comments came across as insensitive and cruel.

Are you sure that only representatives of the “privileged class” will seek punishment for the BDR criminals? Is there no room for punishment proportionate to the criminal act in your book.

I am confident that the vast majority of Bangladesh will seek justice for the prematurely killed soldiers of our army. And as for societal injustices, mass rebellions have never been the solution. By killing innocent officers, the BDR soldiers have made it exponentially difficult for future generations of their rank to seek any benefits.

A look back on the war that was never fought

2

20131105-082040.jpg
Some sort of trial was going on for the Pilkhana massacre of 2009 that killed about 74 people including 57 smart officers belonging to Bangladesh Army. 847 people were charged with murder in a Dhaka civil court. Trial started on August 24 2011.  847 people were tried over a period of nearly 300 days. The verdict was announced yesterday. 152 people were given death sentence while 161 were given life in prison. 362 defendants got various jail terms while 271 were acquitted.

If one wants to put the stats of the trial process – it will be like this –

1 judge
847 defendants
300 plus days of trial
<.5 days for each dependent
152 lives to be taken by state
161 lives to kept behind bars till death
262 will be behind bar on various terms
271 will get Scott free

Wow!

This judge must be a super super superman!

_________________________________________________________________________________

The above stats are sufficient to show the political nature of the trial. Awami League government needed a political gimmick to keep people and the army happy. A major strategic blunder was committed 4 years ago that took 74 lives including 57 of our brightest and the best military officers. If PM Hasina could act swiftly and smartly on the ill fated morning of February 25 2009 – this gimmick of blood feast would not be needed.

The following piece written originally a couple of days after the Pilkhana massacre described how our government failed on February 25 2009.

_________________________________________________________________________________
In February 25-26, 2009 a group of violent soldiers of the Bangladesh border security force, BDR, revolted. They occupied the part of capital Dhaka where their garrison is located and held hundreds of military officers, general soldiers and civilians hostage. During this occupation of nearly two days, the marauding soldiers committed one of the worst massacres in the history of Bangladesh. During this rebellion, 57 senior officers of Bangladesh Armed forces were murdered.

In response, instead of a bold decisive action against the soldiers involved in the killing spree, the one-month old government of Awami League opted to negotiate with the mutineers, thus indirectly giving those soldiers enough time to hunt and kill the senior officers trapped inside the occupied Peelkhana campus and commit an array of other crimes including loot, arson, rape etc.

Immediately after the incident, considering the sensitivity of the issue or out of political indecisiveness, while the main opposition party refrained from being overtly critical of the government’s stand, the media gave the government a free ride by not critically discussing the government’s handling of the mutiny.

The media spin that was most widely used during the immediate aftermath was this — by sacrificing 57 senior army officers, the government prevented an even bigger civilian casualty in the heart of Dhaka. This logic is based on a hypothetical scenario that a group of paramilitary soldiers without heavy weapons will fight a fierce artillery gunfight and war with a combined force of the army, navy and the air force and thus endanger the safety of residents living nearby.

Although the government’s decision got a free ride with the media and civil society at the time of the incident, it is imperative that we discuss the decision from a critical point of view. This kind of discussion is very important for formulating a national strategy for any such problem in the future.

First basic flaw in the civilian casualty spin is the hypothetical nature of the consequences. It is very difficult to believe that a group of BDR soldiers will be able to fight such a fierce war against an all-out ground, aerial and naval assault by the conventional forces. This sort of situation is not unprecedented in Bangladesh. Since independence there are instances where similar occupation/hostage situation in the heart of Dhaka or other parts of the country were dealt with decisive military counter-offensive without any civilian casualty. Examples that can be cited include the 1977 occupation of Dhaka Airport at Tejgaon, 1994 occupation of Ansar HQ in Khilgaon, 1977 revolt in Bogra cantonment.

Second logic was that it was a hostage situation and the government had no option but to give in to the demands of the killers. Examples of Pakistan Lal Mosque, aircraft hijacking, and lately, Mumbai Taj Hotel incident, etc. were cited. But one has to understand that Peelkhana is not an aircraft or a mosque or a hotel. It is a part of Bangladesh, double the size of Vatican City. This area of Dhaka has two graduate level colleges, three schools, several mosques, a botanical garden with rose/orchid sections, paddy fields, markets, shops and even a zoo within its walled boundary. In addition, there are residential quarters, lush green fields and a sports complex. It was not a hostage-like situation; it was occupation of a part of Bangladesh. A war was declared. A soldier, called to duty by the government, was shot and killed on the morning of Feb 25 in front of BDR gate without provocation and another soldier was wounded who later died. Civilians were also shot at indiscriminately and killed by the rebel BDR soldiers.

Although heavily armed military units were deployed within 30 minutes of the first shot at Peelkhana, the forces were kept idle and later withdrawn. While the supreme commander and the army chief is expected to be in a secure war room in defence HQ, our army chief was seen sitting all day at the unsecured civilian residence of the PM that was also within firing distance from Peelkhana.

The rest of the story is more pathetic. Frantic SOS calls from the brightest officers stopped one after one. Mysteriously, after two days of permissive killing, a large number of mutineers fled the campus under the cover of darkness. No effort was made to prevent them from fleeing. Two days later when mass graves, charred bodies were being discovered, most of the killers were out of reach with an unknown amount of weapons and ammunition.

A frequently made point is that bloodshed had been avoided by the government’s ‘cool headed’ act. It is painfully difficult to understand what this school of thought tries to say. In any conventional war of modern time, loss of any general or other senior level military officer is seen as major debacle. In all recent war literature, loss of senior officers, especially generals, is depicted as one of the worst-case scenarios. We did not lose one general but more than 50 of our smartest, brightest and senior-most military officers. The whole of our army’s senior command got destabilised. How can one find solace that Sheikh Hasina’s able leadership had avoided blood loss? What about those 57 military officers’ blood?

In the coming years, there will be more discussion on the handling of Peelkhana massacre. This would look like a big failure of the prime minister and will keep haunting her.

During the wee hours of August 1975, When the killers were encroaching the Dhanmondi compound of PM Hasina’s father, Bangbandhu Sheikh Mujibur Rahman, his frantic phone calls did not bring any help from the army high command or his paramilitary Rakhkhi Bahini. This has always been an issue of pain for Hasina. A 15th August style massacre was replicated under her watch. Children of Major General Shakil or Colonel Mujib lost both of their parents and hundreds of others lost their parents, husbands, brothers, sisters, sons or daughters. Even teen-aged domestic aids were killed.

This failure was not Hasina’s alone. It was a failure of total civilian and military leadership. There was an inherent problem among her advisers. In Pilkhana type situation, it was the job of the military chief to set up a command centre, devise a strategy, design specific plans and present the prime minister with the defence/military perspective in dealing with such scenario. In this regard, the person who failed most miserably is the then army chief. Post 1/11 role of this army chief created an uneasy relationship between him and the civilian leadership. The prime minister probably could not trust this army chief. Hence she kept him sitting in her living room all day under a house arrest of sort.

The government was very new too. It was the job of the chief of army staff to advise and convince the prime minister to take prompt action and present her with the strategy and the plans. But this chief’s post 1/11 activities handicapped his ability to perform his job with authority. This army chief had no moral or legal right to remain as army chief after his failed ‘coup’ of 1/11.

In an ideal world, there must not be any lack of trust between the head of the government and the army chief. If that develops, any patriotic army chief, who cares more for his forces and the country than his own job, should resign. But Moeen U Ahmed was so eager to keep his job that he totally failed to defend the country as well as protect his officers. He failed his army as well as the nation.

We must learn from our experience of 25-26 February, 2009. As a nation, we must know what we will do if Myanmar sends 500 mercenaries to take over Cox’s Bazaar, or the Jamaatul Mujahideen Bangladesh takes over Bholarhat Upazila and impose strict Islamic law or the Maldives sends troops to capture Mongla port. Would we send the local MP with a white flag to negotiate with mutineers/invaders?

We always talk about the spirit of 1971. On the night of 25th March of 1971, EPR jawans/officers were attacked in the same garrison in Peelkhana. Those soldiers did not raise a white flag citing the case of neighbourhood civilians. As a war was declared, EPR jawans fought back. This was the spirit of 1971. A war was imposed on us on Feb 25-26, 2009. We raised a white flag without fighting. This was not in line with the spirit of 1971.

If we have to send local MPs with white flags to deal with occupation and mutiny and make the army retreat with their dead comrades, why do we build and maintain the armed forces?

A battle was imposed on us on Feb 25 2009. We failed to respond appropriately, thus losing 57 of our brightest military officers.

It is a shame. And it was a command failure of the civilian and military leadership.

সংখ্যালঘু নিরাপত্তা প্রসঙ্গ: ইসলাম কী বলে?

আসিফ সিবগাত ভূঞা

আমাদের দেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সবসময়ই একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে পরিগণিত হয়। বিশেষ করে সেক্যুলার ও বামপন্থি রাজনৈতিক মহলের একটি অভিযোগ যে বিএনপি সমর্থিত জোট – যার সাথে ইসলামপন্থি দলগুলো রয়েছে – ক্ষমতায় এলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সমূহ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট ক্ষমতার আসার সাথে সাথে এথনিক ক্লেনজিঙের একটি জোর অভিযোগ উঠেছিলো। বহু পত্রপত্রিকায়, বিশেষ করে ডেইলি স্টারে, সচিত্র কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিলো।

Continue Reading