Hasina Khaleda Telephone Duet- Who is the winner?

Who won the kaijja jhhogra debate dialogue ?

A BNP supporter will say Madam won. Hasina lost.

An AL supporter will say Apa lost. How a soft spoken Apa can win jhhogra with that loud voiced Khaleda.

A Shahbagi ulukhagra will say Khaleda lost – Hasina won and definitely Jamaat Razakars won (in default).

A technical analyst may think it is the telephone bug that tapped Khaleda’s phone and resulted in Khaleda’s voice sound louder may be the ultimate winner.

What do I think? Khaleda is the loser Because  rudeness is not Khaleda Zia’s trademark – that used to be Hasina’s trademark. Mrs. Zia made Hasina sound milder softer. But in my POV, ultimate losers are HT Imam and Shahbagis who started jumping on a lie of HT Imam.

Who you think is the winner?

প্রেমালাপের প্রাথমিক শর্ত এবং একটি রেড (সংঘাতের) সংলাপ।

প্রেমের শুদ্ধ বা ফলপ্রসু আলাপের প্রাথমিক শর্তই হোল হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করা, পারস্পরিক আস্থা এবং সম্মান থাকা। শুরুটা এর উল্টো হলে প্রেম হওয়া তো দূরের কথা, বরং সম্পর্ক চাট্টিবাট্টি গোল করে পালাবে। শেখ হাসিনা হয়তো সত্যি সত্যিই ফোন করে থাকতে পারেন। এবং সত্যি সত্যি খালেদা জিয়ার ফোন বিকল থাকার জন্য যৌক্তিক কারণে রিংটোন শোনা যায়নি। এবার দেখুন গতকাল প্রধান প্রধান খবরের কাগজগুলোতে খবর ছাপা হয়, খালেদা জিয়ার রেড ফোন ঠিক করা হয়েছে। তাহলে কি প্রমাণিত হোল? ডিজিটাল বাঙলাদেশ গঠনের নেত্রী বুঝেন না কোনটা রিং টোন আর কোনটা ফলস টোন!

ওএমজি!
Continue Reading

খালেদা ঠিক কি কি বললে ফোনালাপ ফলপ্রসূ হতে পারতো : পলিটিকাল স্যাটায়ার

Image

হাসিনাঃ আপনার রেড ফোনে অনেক বার কল দিয়েছি। আপনি ইচ্ছা করে রেড ফোন নষ্ট করে রেখেছেন। আমার কল ধরেননি।

খালেদাঃ জি, ঠিক বলেছেন। আসলে হয়েছে কি, সাদেক হোসেন খোকা দা-কুড়াল নিয়ে আমার বাসায় এখন লুকিয়ে আছে। তো কোরবানির দিন খোকা আমার রেড ফোনটাকে গরুর মাংসের দলা ভেবে কোপ মেরেছে। তাই ফোনটা এখন নষ্ট। সুস্থ আলোচনার স্বার্থে আমার ফোনটা মেরামত করে দিলেই পারেন।
Continue Reading

দিনের আলোয় দেখেছিলুম ……… প্রথম আলোর অন্ধকার ………।।

সপ্তাহের প্রতিদিন ভোরে উঠা অভ্যাস ৷ ভোর আমার প্রিয় বলে ৷ কাজে যাবার আগে এক কাপ চা, নিজের কিছু পড়াশোনা আর পায়ের কাছে সকালের একটুকরো রোদের লুটোপুটি খেলা, একান্ত কিছু আনন্দ ৷ যান্ত্রিক পৃথিবীর অবসরে আপন করে কিছু একটায় নিঃশাস ফেলা ৷ কিন্তু আজ ভোরটি একটু অস্থির, একটু চঞ্চল হয়ে উঠলো ৷ দু’কাপ চা খেয়েও সুস্থির হতে পারছিলাম না ৷

প্রথম আলোর একটি খবরকে ঘিরে চিন্তাটাও ঘুরতে লাগলো ৷ দু’দিন আগে প্রথম খবরটা চোখে পড়ে ৷ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির এবং ছাত্রলীগ-পুলিশ এর যৌথ সংঘর্ষের খবর ও ছবি ৷ ওই ছবিটিতে অস্ত্র হাতে একজন লোকের ছবি ছাপিয়ে বলা হয় শিবিরের হাতে এই অস্ত্র কোথা থেকে এলো …. ছবি এবং লেখা দিয়ে হাজার হাজার মানুষের মনে শিবির সম্পর্কে একটা ধারণা দিয়ে উস্কে দেয়ার চেষ্টা করা হলো ৷ আমার মত হাজার হাজার লোক এই খবরে চমকে উঠলো ৷Continue Reading

মিডিয়ার উপরে বোমাহামলা নিন্দনীয়, ফুলস্টপ

৭১ টিভি চরম পার্টিজান একটি মিডিয়া। এরা লজ্জাহীনভাবে একটি রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে এগোয়। নীতিবিহীনভাবে রাজনৈতিক এজেন্ডা অনুসরন করা নিন্দনীয় কিন্তু কোন অপরাধ নয়, অপরাধ হলো সংবাদ ম্যানিপুলেশন করা বা সরাসরি মিথ্যা প্রচার করা। এই অপরাধে ৭১ টিভি’র মতো মিডিয়া হাউসগুলিকে অবশ্যই আইনের সাহায্যে জবাবদিহিতার সম্মুখীন করা উচিৎ।

কিন্তু তাই বলে মিডিয়ার উপরে সন্ত্রাসী আক্রমনকে কোনভাবেই সমর্থন করা যায় না। অনেক পক্ষই আছে যারা বিভিন্ন মিডিয়ার উপরে তীব্রভাবে ক্ষুদ্ধ। কিন্তু এই ক্ষোভ যদি সন্ত্রাস ও ভায়োলেন্সের পথে এগোয় তবে সভ্যসমাজের ভিত্তি ভেংগে পড়ে। মিডিয়ার উপরে বোমা হামলার কোন রকম সমর্থন করা সম্ভব নয় একজন প্রগতিবাদী ও গনতান্ত্রিক এর পক্ষে। বেশ কিছু বুদ্ধিজীবি এই বোমা হামলার সমর্থন করছেন। এদের এই সমর্থন চরমভাবে নিন্দনীয়।যারা অবৈধ শক্তি প্রয়োগ করে দমন করে তাদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিরোধ সমর্থন করা যায়। যারা কথায় দমন-পীড়ন করে তাদের কথাতেই প্রতিরোধ করতে হবে, এখানে কোনো রকম ভায়োলেন্স সমর্থন করা সম্ভব নয়।

দেবতারা সব মর্ত্যে নামুক-১

মিডিয়াতে গরম গরম খবর- দুই নেত্রীর ফোন আলাপ।টিভি সাংবাদিকরা ছুটছে গণভবন আর গুলশানে। আহা, কি কথা দুজনার! আর ওদিকে লাশ পরছে, দুদিনে ১৫টা, গরীব মানুষের লাশ!
ফেসবুকে বিখ্যাত অনলাইন একটিভিস্টরা ব্যস্ত নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে নিজেদের জ্ঞান প্রচারে! আহ, কত্ত বড় সুশীল। আর ওদিকে লাশ পরছে, দুদিনে ১৫টা, গরীব মানুষের লাশ।

Image

২০০৬ এ একদিনে ৬টি লাশে সরকার পরেছিল। আর আজ দুদিনে ১৫টা লাশে কিছুই যায় আসে না! অর্থাৎ লাশেরও দাম কমেছে!

বিএসএফ বাংলাদেশী বৃদ্ধের লাশ ঝুলিয়ে রাখে সীমান্তে, বাংলাদেশের নাকের ডগায়। মেরুদন্ডহীন বিজিবি কিছুই করে না। অথচ নিজের দেশের মানুষের উপরে নির্বিচারে গুলি চালায় এই বর্ডার রক্ষা বাহিনী! বাহ, কত্ত বীর পুরুষ এরা!

<a Continue Reading

মাঝে মাঝেই পিছনে হাঁটতে ইচ্ছে করে….

সেই আশির দশকের কথা। খুব বেশী আগের নয়, আবার একদম কালকেরও নয়। বাস শুধু ঢাকা থেকে পাটগাতী পর্যন্ত চল। বাসগুলো ছিল মুড়ির টিনের চেয়ে কিঞ্চিত উন্নত। বাসষ্টান্ডে নেমেই বাকী ৬/৭ মাইলের চিন্তায় কষ্টে খুব কান্না পেত। বর্ষাকালে অবস্থা ছিল আরো ভয়াবহ।  ঢাকায় দিনটা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে সাধারণত: রাতের গাড়ীতেই রওয়ানা দিতাম। খুব সকালে গাড়ী পৌঁছে যেত টুংগীপাড়া-পাটগাতী বাসষ্ট্যান্ডে। ফজরের আজান পড়তে অনেক দেরী। রাতের কিছুটা কোনমতে বাসে কাটাতে দিলেও সূর্যের আলো ফোটার অনেক আগেই হাঁকডাক পড়ে যেত নেমে যাবার জন্য। গাড়ী সাফ সুতরা করতে হবে।

তখনো অনেক ভোর। সূর্যের দেখা নেই। শুকনো মৌসুমে দু’একটা ভ্যান চললেও বর্ষা মৌসুমে নৌকা, লঞ্চ এবং দু’পাই একমাত্র ভরসা। লঞ্চের অপেক্ষায় বসে থাকলে সকাল আটটা। কমছে কম আরো তিন চার ঘন্টা। এরপরেও কোন নিশ্চয়তা নেই। লঞ্চ চলে বাঙলা টাইমে। একা অপেক্ষার কষ্ট, হাঁটার চেয়েও বেশী। হাঁটলে তবুও গতি থাকে। অপেক্ষা বড় নিথর, চুপচাপ। এতোটা পথ এসে বাড়ী পৌঁছনোর তাড়াও থাকে। সে যুগে কোন মোবাইল ফোনও ছিল না। থাকলে বাটন টিপে সময় পার করা যেত। বাধ্য হয়েই জোর পায়ে হাঁটা ধরতাম। বাসষ্টেশন থেকে পাটগাতী বাজার পর্যন্ত সম্ভবত: তখন ইট সুড়কির রাস্তা ছিল। পাটগাতী বাজারে পৌঁছেই বাম দিকে মোড়। এরপরেই মাটির পথ।Continue Reading

Why would Begum Khaleda Zia postpone the strike?

People with swaying political affiliation are criticizing BNP chairperson Begum Khaleda Zia for not postponing the declared 60 hours long strikes. But I can not understand their logic:

(1) Mr Inu had been marketing that Sheikh Hasin would make a phone call to Begum Zia since last wednesday. Begum Zia declared the program on Friday evening and Sheikh Hasina have made the call even after 24 hours. Is it a sign of good will?

(2) How one can expect that Begum Zia would happily agree to meet and dine just after getting a phone call, even wrapped with imperfect approach, from Sheikh Hasina? The main agenda between these two is ‘neutral election time government’. Have Hasina brought a single word in an anticipation of that issue?

(3) Since Friday, its already 15 people of 18 party coalition killed by Awami activists and law enforcing agencies till Saturday. So how a leader of that coalition can go for a dinner by stepping over the bloods of the 15 poor people?

(4) Its nothing to give the ‘hartal’ statistics again; which party is in top to call strikes? Apart from them countless soberness are shown by BNP led coalition in the last more than 4.5 years. Then how more to expect?

(5) Finally, even two days back Sheikh Hasina used abusing word for Begum Zia’s family and so like most often. So can just a phone call wipe out all the indecent behavior of Sheikh Hasina?

বি এন পি ভুল করছে

হরতাল প্রত্যাহার এবং সংলাপ নিয়ে একটা স্টেটাস এর পর অনেক বন্ধু
সমালোচনা করছেন | তাদের কথা হইলো শেখ হাসিনা চালবাজি করে লাস্ট মোমেনটে
ডায়ালগ এর দাওয়াত দিছে, তাও ডাক দিছে ২৮ তারিখে বসতে , ২৭ তারিখ বসতে
বলে নাই | শেখ হাসিনার উদ্দেশ্য মানুষকে বোঝানো, খালেদা জিয়াই সংলাপকে
ঘোলা করতাছে এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতাছে | তাই এখন অবশ্যই হরতাল
চালু রাখা দরকার |

Continue Reading

The Buck Stops at Sheikh Hasina

by Shafiq

buckstopsherefrontsmall

US President Harry Truman (1945-53) put up a wooden sign saying “The Buck Stops Here” on his desk table at the White House office.  The saying came from the slang “pass the buck” which means passing the responsibility on to someone else. So “the buck stops here” means this is the place of ultimate responsibility, it cannot be passed to anywhere else. Our Prime ministers are emperors sanctioned by the constitution. Everything that happens in their administration is their responsibility, a fact that their myopic supporters fail to recognize.Continue Reading

দানবীয় গণতন্ত্র

“কক্সবাজারের চকরিয়ায় ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল করার চেষ্টা করেন বিরোধী নেতাকর্মীরা। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে বিজিবি-পুলিশ গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই বিএনপি কর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ”
মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা অগণতান্ত্রিক আর স্বৈরাচারী। আর গুলি করে হত্যা, স্রেফ খুন। জনগনের করের পয়সায় কেনা বন্দুক দিয়ে জনগনের সেবায় নিযুক্ত সরকারের বেতুন্ভুক্ত পুলিশ, র্যাব, বি জি বি কে ব্যবহার করে যে রাজনৈতিক দল গ্রেপ্তার-হত্যা-নির্যাতন চালাচ্ছে, তাদের বিচার চাওয়া কি আমাদের স্বাধীনতার চেতনা না?
http://www.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMTBfMjZfMTNfMV8xXzFfODA4OTM%3D

আমি প্রত্যেকটা হত্যার বিচার চাই, প্রত্যেকটা গুলির কৈফিয়ত চাই। যারা আজ নিশ্চুপে হত্যাকান্ড মেনে নিচ্ছেন, নাগরিক অধিকারকে বিসর্জন দিচ্ছেন-তারা শুধু একটা দানব্কেই শক্তিশালী করছেন। এই দানবই একদিন আপনার স্বাধীনভাবে বেচে থাকার অধিকারকে কেড়ে নিবে।

মেহেদীর কার্টুন

ধরা যাক আমি পোকার খেলছি। ব্লাইন্ড বেট। খুব আজব এক বেটের কথা কল্পনা করি। বাংলাদেশের সব কার্টুনিস্ট আমার কার্টুন এঁকেছে, সবাই। আমি কেবল একটা কার্টুন কিনতে পারবো এবং সেই কার্টুনটা আমাকে কিনতে হবে গাটের পয়সা খরচ করে – ১০ হাজার টাকা দাম – কিন্তু কার্টুনটা না দেখে কিনতে হবে। সেজন্যেই ব্লাইন্ড বেট।

এখন আমার কল, ইন করবো না ফোল্ড?

আয়েম ইন – চোখ বন্ধ করে কিনে ফেলবো মেহেদীর আঁকা কার্টুন।

Continue Reading

“উইল ডু” জেনারেশান

ভূমিকা

পশ্চিমের সোশাল এলিটদের একটি গ্রুপকে ’৫০ এর দশকে “জেট সেট” বলা শুরু হয়। এদের দেখা মিলত ইউরোপের সব বড় এয়ারপোর্টে, উড়ালের অপেক্ষায়। তখনকার এয়ার ফেয়ার সাধারণদের জন্য অকল্পনীয় রকমের ব্যয়সাধ্য ছিল বলে জেট প্লেনে ভ্রমণ কেবল অতিধনীদের জন্যই বরাদ্দ ছিল (লন্ডন-নিউ ইয়র্ক এখন যেখানে ৬০০ ডলারে ঘুরে আসা যায়, ’৫০ এর দশকে সেখানে আজকের হিসেবে ৫ থেকে ৬ হাজার ডলার খরচ হতো) । অঞ্জন দত্ত তার ‘মালা’ গানটি যে গানের অবলম্বনে/অনুকরণে রচনা করেছেন, পিটার সার্সটেটের সেই “Where do you go to (my lovely)” গানটিতে জেট সেটদের তীক্ষ্ণধী বিবরণ আছে। সে বর্ণনার সাথে বাংলাদেশের অতিধনীদের মিলিয়ে দেখার ইচ্ছা থেকেই এ লেখার শুরু। সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে জেট সেটদের সমার্থক কোনও শ্রেণী বাংলাদেশে আছে কি না, থাকলে তাদের কী নামে ডাকা যায়, কতো সম্পদ কিংবা ঠিক কী ধরনের আচরণ এদের বিশেষায়িত করে – এ ধরনের বহু প্রশ্ন নিয়ে আমি বাংলাদেশের কিছু অতিধনীদের সাথে কথা বলা শুরু করি, যাদের বয়স ২৫ থেকে চল্লিশের মধ্যে। নিজেরা অতিধনী না বাবা অতিধনী এই পার্থক্যে আমি যাই নি যেহেতু সামগ্রিকতার খোঁজ দেয়া আমার পক্ষে সম্ভবপর না, আমি কেবল নির্মোহভাবে এদের কয়েকজনকে দেখতে চেয়েছি। প্রথমে পরিকল্পনা ছিল যাদের সাথে কথা বলছি তাদের ছবিও জুড়ে দেবো, যেহেতু এই মানুষগুলোকে বোঝার জন্য তাদের চেহারা দেখা খুব জরুরী। সমস্যা হোল, লেখালেখির কথা শুনলে হয় তারা নিজেদের গুটিয়ে নেন, নয়তো বানিয়ে বলা শুরু করেন। একজন বাদে (যিনি নিজেকে অতিধনী মনে করেন না) প্রত্যেকেরই শর্ত, পরিচয় দেয়া চলবে না। তাই আসল পরিচয় ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে দেয়া হোল।

Continue Reading

A Bridge too far

Image

প্রথম কিস্তি
দ্বিমতের  অবকাশ নেই, বাংলাদেশীরা জাতি হিসেবে homogenous ! শ্যামলা গায়ের রঙ, উচ্চতা মাঝারী, চেহারা তেমন sharp নয়, চুল কালো। গড়ে শারীরিক অবয়বটা অনেকটা এরকম। সাধারনত  কমন জেনেটিক মেকআপ এর জন্যই এমনটি হয়।  আমি অনেকদিন ধরেই এ জাতির মানসিক দিকটি নিয়ে ভাবছি।  বিদেশী কিছু সার্ভেতে দেখা গেছে- এরা খুব সুখী। অত্যন্ত আনন্দের কথা। দারিদ্র, উষ্ণ জলবায়ু, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ট্রাফিক জ্যাম, দুর্নীতি, বিশাল জনগোষ্ঠী ইত্যাদি সমস্যার পরেও এ জাতি কেন সুখী? আসলেই কি সুখী?  চাহিদা কম ?  জেনেটিক মেকআপের কথা আগেই বলেছি। জেনেটিক মেকআপ শুধু শারীরিক অবয়ব নির্ধারণ করে না, মানসিকতাও প্রভাবিত করে! এমনও  জিন ( Anger gene) আবিষ্কার হয়েছে, যার একটু “এদিক ওদিক” (gene mutation ) শুধু মাত্র রাগী মানুষদের শরীরে পাওয়া যায়।  কিছু gene mutation  হয়তো কাউকে করে অতিরিক্ত অভিমানী!
আচ্ছা, বাংলাদেশীদের কিছু exclusive  gene mutation তো হতেই পারে! একারণেই বোধ হয়, কেউ কেউ আমরা গাড়ি ভাঙ্গি, রাস্তাঘাটে গালি  গালাজ করি, কথা বেশি বলি, এবং এত সমস্যার পরেও নিজেদের সুখী ভাবি। আমরা কিছুটা পরশ্রীকাতরও  ( আমার জানামতে, পরশ্রীকাতরতার কোনো ইংরেজি নেই, শব্দটি একেবারেই বাঙালী জাতির উদ্ভাবন, এরকম আরেকটি শব্দ হলো অভিমান) ! সব সময় আবেগের তুঙ্গে অবস্থান আমাদের! আবার রানা প্লাজা ধসে পড়ে যখন, এ জাতির মানুষেরাই দিগ্বিদিক ভুলে ঝাপিয়ে পড়ে উদ্ধার কাজে, জীবনের তোয়াক্কা না করে! আমি ভাবছিলাম বাংলাদেশীদের  জেনেটিক মেকআপ নিয়ে। এদের জিনের “এদিক ওদিক” গুলো কেমন? কেন হলো? কিভাবে হলো? কবে হলো?Continue Reading

Doing it the French-style

That’s from the the French comedy OSS 117: Rio ne répond plus. It’s set in the late 1960s. Agent 117 — a French super spy (double one — got it?) — sent to Brazil to track down a en escaped Nazi who has a microfilm of French collaborators and Nazi sympathisers. Our hero successfully concludes the mission, only to find that his boss — the head of the French secret service — is named in the list. The spy chief says something about ‘the war being a difficult, confusing time’ and ‘the need to move forward without opening past wounds’ and appeals to French nationalism, before pinning a medal on the Agent 117.

Continue Reading

Welcome to Nuraldeen.com

Well – yet another blog enters the foray. So why we need a blog? Powerful social media tools like facebook is there – so is twitter and instagram. Facebook has done amazing things in Bangladesh – millions and millions of people – from all ages and all walks of life are using facebook to connect socially and politically and promote the ideology they believe in. And most social and political commentators have moved away from online public weblogs also known as blogs to facebook and resorted to express their opinion in the form of status updates. However despite all the amazing things facebook has done to online activism in Bangladesh – it may also have pushed online activism into small self congratulatory clusters of echo chambers. Some facebook activists of Bangladesh have become so intolerant to opposing views/ opinions – they have started purging persons with non-identical views from their list of friends/ followers. In addition, when an activist writes a status, this status remains visible only for a certain number of hours. Then these expressed opinions becomes untraceable. Continue Reading

নুরালদীন

নুরালদীন আমাদের স্বপ্নপুরুষ, নুরালদীন ঠিক তাই, আমরা যা নই।

নুরালদীন সম্বন্ধে খুব বেশী কিছু যে জানা যায় তা না, কিন্তু দরকারী জিনিসটুকু আমরা জেনেছি। অষ্টাদশ শতকের পিছিয়ে থাকা পূর্ব-বঙ্গের একদম পিছিয়ে থাকা উত্তর অংশের এক সাধারণ কৃষক পরিবারে তার জন্ম। জমিদারী এবং ব্রিটিশ শাসনের যাতাকল তিনি দেখেছিলেন কাছ থেকে এবং ঠিক করেছিলেন অন্য কৃষকদের সাথে নিয়ে বিদ্রোহ করবেন এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। বলাই বাহুল্য, তিনি সফল হতে পারেন নি।

নুরালদীন হেরে যান নি, মারা গিয়েছিলেন, নুরালদীনরা কখনই হেরে যান না। তিনি প্রেরণা, ন্যাশনালিস্টদের। মেল গিবসন ব্রেভ হার্ট ছবিটা করার পর বলেছিলেন যে ভারতবর্ষে এমন অনেক চরিত্র আছে যাদের নিয়ে ব্রেভ হার্টের মতো ছবি করা যায়। আমার কাছে নুরালদীন সেই চরিত্র – স্বপ্ন ও দৃঢ়তায় উইলিয়াম ওয়ালেসের চেয়ে এক বিন্দু কম নন – এমন মহামানব আমার নুরালদীন।Continue Reading

নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে কিছু ভাবনা

By Faysal Kabir Shuvo
দূঃখজনক হলেও সত্যি যে স্বৈরাচার পরবর্তী প্রতি সরকারের শেষ সময়ের মতোই এই মূহুর্তে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অংগনের সবচেয়ে আলোচ্য বিষয় হলো নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা। বলাবাহুল্য এইবারের সমস্যার সূত্রপাত হয়েছে বর্তমান সরকারের অনেকটা ‘জোর জবরদস্তি’ আচরনের কারনে। হঠাত করেই নির্বাচনী এজেন্ডা বহির্ভূতভাবে এবং একক সংখ্যাগরিষ্টতার জোরে বিরোধী দলের সাংসদদের অনুপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে মাত্র ৪ মিনিটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। Continue Reading