Flying with broken wings

A magical realist masterpiece, Salman Rushdie’s Midnight’s Children has weird and improbable events and people juxtaposed against the history of the 20th century South Asia up to the late 1970s. One such improbable fact was that at the time of writing, and thus the story’s culmination, military rulers of the erstwhile two wings of Pakistan had the same first name.

This is not the only parallel between the political history of Bangladesh and post-1971 Pakistan.

Both successor states of United Pakistan started with larger-than-life charismatic leaders, whose rules ended in tragic denouement inconceivable in 1972.  Both giants found governance to be much harder than populist rhetoric, both resorted to un-democracy, and both ended up meeting cruel ends at the hand of their trusted guards.  Both countries succumbed to dictatorships in the 1980s, although the extent and mechanism varied.  In both countries democratic opposition developed.  In both countries, some form of democratic politics came into practice by the 1990s.

Continue Reading

On fascism


I wrote in October that if trends in recent opinion polls continue, BNP could get 47% votes against AL’s 39% in the coming election.  Based on the past elections, the two parties vote shares may imply BNP getting around 220 seats, against AL’s likely tally of 60.


There is another way to translate vote shares to seat numbers.  The polls suggest there is a 10 point swing against AL (from 49% to 39%).  Even if BNP had not gained any popularity, such a swing, if applied uniformly across the country, would have cost AL nearly 80 seats where the 2008 winning margin was less than 10%.  Add to that the 14 point swing to BNP (from 33% to 47%), and potentially AL could be reduced to less than 30 seats.

Of course, we have already seen 154 people, from AL and allies, elected unopposed.

I wonder if it would be a stretch to compare this election with the one held in the occupied Bangladesh in 1971.  In 1971, when the Al-Badr and Al-Shams were carrying out their atrocities, their Pakistani masters also held elections in the seats vacated by the ‘outlawed’ Awami League. That by-election saw 55 people elected unopposed to East Pakistan provincial assembly and Pakistan national assembly.

People who flock to Shahbag probably don’t have time to read up on history.  They are busy with online discussions about those dastardly Pakistanis who were questioning our quest for justice in their parliament.

Is it ironic that the Pakistani parliament is actually a genuinely elected one?

‘It’s a fascist regime’ is a common refrain in Bangladesh. Every opposition party in our history has accused the government of being fascist. And every opposition in the past has been wrong. Until now.

Fascism doesn’t mean any odd dictatorship or undemocratic regime. Mere intolerance of the opposition is not enough to be fascist. To be a fascist regime, a government needs a large enough popular base, a cult of personality, and a dogma/ideology which is going to invoked by academics and intelligentsia to support the regime.

The 1/11 or Ershad regimes were not fascist — they had none of these ingredients.

Bakshal had the cult of personality, ideology and intellectual cheerleaders. Had Sheikh Mujib instituted Bakshal in 1972, he would also have had massive popular support. But by 1975, it was too late.

BNP in 2001 had the popular support to become fascist, but for all its manifold mistakes, it wasn’t fascist because there was no ideology or intellectual support.

The AL is still popular enough, has a sufficiently coherent ideology and a cult of personality, and a very strong intellectual support base.

When Ershad or BNP stepped over the line in terms of censorship or rigged election or sheer decency (think about Mrs Zia’s birthday celebration), there were massive outcries. Nothing like that has happened under the current government because those who are supposed to protest are all on the same side as the government.

All that is necessary for the triumph of evil is that good men do nothing —said Edmund Burke.  As I write this, for far too many otherwise sensible intelligent people, what Imran Khan says in an elected parliament in Pakistan causes more anger than the lack of an elected parliament in Bangladesh.

And that’s why, dear reader, for the first time in our history, fascism appears to be imminent in Bangladesh.

কতদূর যাবে আওয়ামী লীগ?


খোমেনী এহসান/অতিথি লেখক :

ভোট ছাড়াই বিজয়ী হয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। হাস্যকর লাগছে অনেকের কাছে। ইতিহাসের নজির খুঁজে না পাওয়ার চমকে যাচ্ছেন।কিন্তু কিছুই হাস্যকর নয়। পথই আজ পথিককে টেনে নিচ্ছে শুয়রের খোয়ারের দিকে। তবে যারা আজো অন্ধ তাদের কাছে আইনী উছিলা আর চেতনা সংক্রান্তির অযুহাত আছে।

সবাইকে বলি বিপদে আপনারা নাই। বিপদ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের। তিনি ফ্যাসিবাদ নামক এমন এক পথে হাটছেন যে গন্তব্য নির্দিষ্ট হয়ে গেছে। সময় এখন আর বাকি নাই। ফিরতে চাইলেও আর পারবেন না। তার থেকেও অনেক বেশি দেশপ্রেমিক ছিলেন মীর কাশিম। বেচারি ইংরেজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে গিয়ে নিহত হলেন, তবুও ফিরতে পারলেন না। ফেরাতে পারলেন না দেশের স্বাধীনতা। শেখ হাসিনা তার দেশপ্রেমের তুলনায় অনেক পেছনের মানুষ। কাজেই তিনি আর পারবেন না।

যেহেতু শেখ হাসিনার পথ ফ্যাসিবাদ কায়েম করা সেহেতু ভোট ছাড়া এমপি বানানোর মতো হাস্যকর কাজ করেই থেমে থাকবেন না। এক সময় তিনি বলতে বাধ্য হবেন যে দেশটা শুধুই তার ও তার দলের। কাজেই তিনি অন্যদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করবেন। এটা নির্মূল ও পালাতে বাধ্য করার মাধ্যমেই তিনি করবেন। এক সময় তিনি নিজেকে আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করবেন। বলবেন তার মৃত্যুর পর বংশানুক্রমিকভাবে তার সন্তান-নাতিন-পুতিনরা প্রধানমন্ত্রী হবেন।

ফ্যাসিবাদ সম্পর্কে যতদূর জেনেছি তাতে এটা পষ্ট ভিন্নমত দমনে নিয়ন্ত্রণ আরো পাকাপোক্ত হবে। সক্ষম লোকেরা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থী হতে বিদেশে চলে যাবে। অক্ষম ও বীর লোকেরা জেলে পঁচবে বা গুম হবে।জামায়াতে ইসলামীকে সন্ত্রাসবাদী দল আখ্যা দিয়ে অবশ্যই নিষিদ্ধ করা হবে। এ দলটির সাথে জড়িত বা এ দলটির ভাবাদর্শ সমর্থন করে এই অভিযোগে একে একে দখল করা হবে সব ব্যাংক-বীমা-ব্যবসায়-শিক্ষা-চিকিৎসা-পরিবহন-রিয়েলস্টেট সহ সব প্রতিষ্ঠান। এ দলটি নিজের বিপদকে কাটিয়ে ওঠার মতো কোনো কাজ করতে জানে না। তাই যত বিপদ আসবে ততোবেশি তাকে সন্ত্রাসবাদের তকমা ধারণ করতে হবে।

বিএনপিকে নিজের মতো গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করবে। যতখানি পারবে, ততখানি ছাড়। না পারার ব্যাপারগুলানে মুগুর পেটা। ধারণা করা যায় বিএনপি নিষিদ্ধ হবে না। তবে খালেদা জিয়াকে মওলানা ভাসানীর মতো পরিণতি বরণ করতে বাধ্য করা হবে। খালেদা জিয়া ঠিকই শেখ হাসিনাকে ছাপিয়ে রাজনীতির প্রধান চরিত্র হয়ে থাকবেন, কিন্তু তার দল বিএনপির অবস্থা ভাসানী ন্যাপের মতো।যতদিন যাবে ফ্যাসিবাদের সব ধরনের অভিযান পরিচালনা করতে বাধ্য হবেন শেখ হাসিনা। তিনি থামতে চাইলেও পারবেননা। পথ তাকে অনেক অনেক দূর হাটতে বাধ্য করবে। একটা পর্যায়ে এই পথের সীমাহীনতার কারণে তিনি ক্লান্ত হবেন এবং অক্ষমতার কারণে ক্ষান্ত হবেন। সেই দিন নিকট ভবিষ্যত নয় নিশ্চয়। অনেক অনেক বছর হয়তো।

যদিও সেনাবাহিনী নিয়ে অনেকেই সাত আসমানব্যাপী আশাবাদী। কিন্তু যা কিছু পরিস্থিতি শেখ হাসিনা তৈরি করে যাবেন তাতে করে এদেশের ইসলামপন্থীরা স্বশস্ত্র আল কায়েদা না হলেও একই ধরনের দমনাভিযান মোকাবেলা করতে হবে। কারণ সোজা। এদেশে ককটেল বিস্ফোরণকে টুইন টাওয়ারে হামলা, সহিংসতাকে জঙ্গীবাদ ও ইসলামপন্থীদের পাদকে পারমানবিক বোম বিস্ফারণ হিসেবে আখ্যা দেওয়ার মতো দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্য গণমাধ্যমের কোনো অভাব নাই।আর উর্বর মস্তিস্কগুলান নিত্যনতুন জঙ্গী সংগঠন আবিষ্কার ও তার সাথে জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততার গল্পগুলান সরবরাহ করতেই থাকবে।কাজেই গণমাধ্যমে চাপে হলেও সেনাবাহিনীকে দমনাভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ আধুনিক বিশেষ সেনাশাসনে মিডিয়ার সহযোগিতা অপরিহার্য। আর অপরিহার্যতার মধ্যে বিনিময়ের সম্পর্ক থাকাই স্বাভাবিক। রাম লীলাকে চায়, লীলা কী চায়?

আর আমরা এটা বলতে পারি না যে, জামায়াত-শিবিরের দুর্দশাকে পুঁজি করে এখানে সক্রিয় জঙ্গী সংগঠন বা বিদেশী এজেন্সির পকেটগুলান সন্ত্রাসবাদী তৎপরতার নজির কায়েম করতে চেষ্টা করবে কি না। পরিস্থিতি যা তাতে এমনটি হয়। যাতে আবার রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনো হাত নাও থাকতে পারে। তখন বাধ্য হয়ে রাষ্ট্রকে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হয়। ব্যবস্থা বেশির সময়েই কিন্তু ঠিক ঠিক তদন্ত দিয়ে নির্ধারিত হয় না। বেশির ভাগ সময়েই কিন্তু তারা জঙ্গীদের বা এজেন্সির শর্তই পূরণ করে দেয়।তারানকো কিন্তু তার ক্ষয়িষ্ণু প্রতিষ্ঠানটির লোকেদের জন্য নতুন চাকরির ক্ষেত্রটা যাচাই করতে এসেছিলেন। শান্তিরক্ষী মিশনে কিন্তু বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও চাকরি করে। কাজেই দেশে বসেই রেমিট্যান্স কামাই হচ্ছে দেখে এ নিয়ে খুশিতে গদগদ হতে লোকের অভাব হবেনা। এনজিও গুলানও তো অনেক প্রজেক্ট পাচ্ছে। টিভিগুলানকে সিসারা দেশে সিসিটিভি বসানোর ফান্ড, হেলিকপ্টার, গাড়িঘোড়া দেয়া হবে। মন্দ কি?

The not-so-quiet Americans

Graham Greene’s The Quiet American was published in 1955, after the Dien Bien Phu, but years before America bumbled into Vietnam.  A film version was released in 2002, after Tora Bora, but before America bumbled into Iraq.  Without giving away the story, anymore than you can discern from the trailer above, this is one of the best work on the unintended consequences of American intervention.

Americans are, of course, interested in Bangladesh too.  They have been for a while.  In the post-9/11 world, how can they be not interested in one of the largest Muslim countries in the world?  And their interest has been registered not as quietly as was the case in Greene’s Saigon.  In 2007, as in now, their interest was expressed vocally.  Nonetheless, the plot went awry in 2007.  Will this time be different?

Continue Reading