বাসে মানুষ পুড়িয়ে মারলে কার ফায়দা হতে পারে ?

1

আপনি কি খেয়াল করেছেন যতবারই বাসের আগুনে মানুষ পুড়ে ততবারই জনবিছিন্ন আওয়ামীলিগ যেনো নয়াজীবন পায়? দেশের ৯০% মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে একদলীয় নির্বাচন করার সিদ্ধ্বান্ত থেকে সরে না আসার জন্য যখন দেশের আপামর জনগণ শেখহাসিনার বেহায়াপনায় বিরক্ত, ঠিক সে সময় কিছু দিন পর পর বাসে আগুন ধরিয়ে সাধারণ মানুষ পুড়িয়ে কার রাজনৈতিক লাভ হয় বলেনতো ? বিএনপি তো সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের লড়াই করছে, তারা কেনো মানুষ পুড়িয়ে মারবে? একটু ভেবে দেখেন যখনি বাস ভর্তি সাধারণ মানুষ পুড়িয়ে মারা হয় তখনই আওয়ামীলীগের দালালরা নড়ে চড়ে বসে। পোড়া মানুষগুলো যেন তাদের নতুন জীবনীশক্তি দান করে। পোড়া দেহ গুলোর ছবিগুলো ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট করে আওয়ামিলীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠন প্রচার শুরু করে এই বলে যে ‘দেখেন বিএনপির নেত্রীতাধীন ১৮ দল কত খারাপ। এরা মানুষ পুড়িয়ে মারে।’ দালাল মিডিয়াগুলাও কোনো প্রমান ছাড়া একই সুরে তাল মিলায়। এর পরে চলে মামলা এবং ধরপাকড়। গ্রেপ্তার করা হয় বিএনপির নেতাদের। এই প্যাটার্নটা এখন খুবই স্পস্ট। এখন বলাই যায় আওয়ামিলীগ তিনটি কারণে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা হতে পারে । ১ নম্বর কারণ হচ্ছে বিরোধী দলের আন্দোলনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরী করা। কারণ এই সরকারের আমলে সীমাহীন দুর্নীতি, অত্যাচার ও লাশের সারি দেখতে দেখতে মানুষ এখন আওয়ামীলীগের উপর বিরক্ত। আওয়ামীলীগের জনসমর্থন শুন্যের কোঠায়। মানুষ পুড়িয়ে মেরে মানুষের পোড়া লাশের গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে বিএনপির উপর দোষ চাপিয়ে আওয়ামিলীগ তার হারানো জনসমর্থন আদায়ের অসুস্থ খেলায় মেতে উঠেছে। ২ নম্বর কারণ হচ্ছে অহেতুক সাধারণ মানুষদের পুড়িয়ে তাদের মেরে ফেলে আওয়ামীলিগ চায় বিরোধীদলের আন্দোলন দমন করতে। এজন্যই তারা কোনো রকম তদন্ত ছাড়া বাসে মানুষ পুড়িয়ে মারার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ৩ নম্বর কারণ হচ্ছে এরকম হৃদয়বিদারক ও নির্মম হত্যাকান্ড ঘটিয়ে আওয়ামীলীগ চায় বিরোধীদলের তত্তাবধায়ক সরকারের যে নায্য দাবী তা থেকে মানুষের মনোযোগ সরিয়ে ফেলতে। কথাগুলোর যৌক্তিকতা একটু ভেবে দেখবেন। পোড়া মানুষের গন্ধে হতবিহব্বল আপনি আমি হতেই পারি, তাদের কষ্টে আমাদের দু-চোখ জলে ভিজে যেতেই পারে , গলা ফাটিয়ে অসহায়ত্তের কান্নায় আমরা ভেঙ্গে পরতেই পারি। কিন্তু আমাদের যৌক্তিক বিচার বুদ্ধি রাখাটা এই সময় সবচেয়ে জরুরী। কারণ এখন একটি পক্ষ যেকোনো মূল্যে ক্ষমতার গদি আকড়ে পড়ে থাকতে চাচ্ছে। মনে রাখবেন কথাটা হচ্ছে —–যে কোনো মূল্যে। তা আপনের আমার পোড়া দেহের মূল্যে হলেও।

কঠোর আন্দোলন ও সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষাঃ পরস্পরবিরোধী? করণীয় কি??

by Shikin Aman

১।   দেশব্যাপী বাকশালের বিরুদ্ধে শক্তিশালী দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার এখনই সময়। হরতাল অবরোধ কখনোই শান্তিপূর্ণ হয়না, অনিবার্যভাবেই সহিংসতা এর সাথে জড়িত। অনেকক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করলেও সরকারী বাহিনীর আক্রমনে বা প্ররোচনায় সহিংসতা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু কিছু ব্যাপারে সতর্ক থাকা দল দেশের স্বার্থে প্রয়োজন অনেকের দ্বিমত থাকতে পারে, সেইসব দ্বিমতের ব্যাপারে আমি শ্রদ্ধাশীল। আমি শুধুই নিজের বিবেক ও জ্ঞানত যা ঠিক মনে হয় তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলামঃ

 hartal

ক।    অবরোধ কার্যকর করার জন্য এর সাথে সম্পর্কযূক্ত নয় এমন কারো প্রাইভেট গাড়ি ভাংচুর করা কতটা যুক্তিসংগত? হরতাল কার্যকর করার জন্য পিকেটিং দরকার আছে, মানলাম। সে জন্যে টায়ার জ়্বালিয়ে বা গুরুতপূর্ণ মোড়ে অবস্থান নিয়ে  রাস্তা দখল করে রাখতে পারলে এমনিতেই সব গাড়ি চলা বন্ধ করবে। এর পরও যদি কোন গাড়ি এগিয়ে আসে, হয়ত তার প্রয়োজনটা তার জানমালের নিরাপত্তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। দুই একটা গাড়ীকে মানবিক বিবেচনায় ছাড় দিলে হরতাল/অবরোধ ব্যর্থ হবেনা। বরং হরতালকারীদের মানবিকতার পরিচয় পাওয়া যাবে। এর সুফল দল নির্বাচনের সময় পাবে। এর বাইরেও অনেক ক্ষেত্রে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি ভাংচুর করা হয়। আমার মনে হয় ত্রাস সৃষ্টির চেয়ে এই ধরণের কাজ মানুষের মনে ঘৃণা সৃষ্টি করে বেশী, আর দল হারায় একটি পুরো পরিবারের সহানূভূতি ও ভোট। আমরা কি আর একটু সুবিবেচক হতে পারিনা?

খ।    হরতাল সফল করার অংশ হিসেবে নিরপরাধ পথচারী, নারী, বৃদ্ধ, শিশুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কিছু করা কি ঠিক? হ্যা আমি জনসমাগম এলাকায় বোমাবাজী, মানুষসহ পাবলিক বা ব্যাক্তিগত ট্রান্সপোর্টে আগুন, বা গরিব রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার জীবিকার একমাত্র সম্বল জ্বালিয়ে  দেয়ার কথা বলছি। আমরা কি একটু মানবিক হতে পারি না? রিকশার হাওয়া ছাড়া আর সিএনজি পথ আটকানো পর্যন্ত মানলাম, এর উপরে যাওয়ার আগে একবার কি আমরা আমাদের মতই একজন গরীব মানূষের তিল তিল করে করে গড়া স্বপ্ন পোড়ার কথা ভেবে দেখি? জেনেশুনে মানূষ পোড়ার কথা আমি বলবনা- আমি বিষ্বাস করতে চাই এই কাজ সুস্থ মস্তিস্কের আমাদের কেউ করেনা। হয় এটা কোন অসুস্থ মস্তিস্ক লোকের কান্ড, অথবা এটা আন্দোলনকে কলঙ্কিত করার অপকৌশল। এভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের স্বপ্ন ভেঙ্গে বা পূড়িয়ে কি আমরা আসলে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে পারবো? ভাবার বিষয় আছে নিঃসন্দেহে!

গ।    এরপর আসি সরকারী বেসরকারী যানবাহন আর সম্পত্তি ধংসের ব্যাপারে।বিআরটিসি বাস, ট্রেন, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, সরকারি গাড়ি, সরকারী সম্পত্তি এগুলো পোড়ালে যে ক্ষতি হয় তা বুবুজানের সংগিদের গায়ে লাগে বলে আপনি মনে করেন?? বুকে হাত দিয়ে বলেন তো! যারা ক্ষমতায় থাকতে দেশ বিক্রি করতে পিছপা হয়না, তাদের কাছে তো সরকারী সম্পত্তি ধ্বংস নস্যি! এইসব নেতাদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট থাকে সুইটজারল্যান্ড, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর, ইউকে এইসব দেশে। সারাদেশ জ্বলে যাওয়ার পর তারা টিভিটা বন্ধ করে পরিবারকে বলবে, চলো কিছুদিন বিদেশ থেকে ঘুরে আসি। এই ট্রেন গাড়ি কিনার জন্য তারা বিদেশ থেকে আপনার আমার নামে লোন নিবে, যা আমাদের ট্যাক্সের টাকা থেকেই বিশ বছর ধরে কাটা যাবে। সুতরাং এগুলো পোড়ানো আর নিজের বাড়িতে আগুন লাগানো একই কথা।

ঘ।    আমি আপনাদের আবেগের কথা অনুভব করতে পারি, হরতাল সফলের জন্য ত্রাসের প্রয়োজনীয়তাও বুঝি। কিন্তু আমাদের সব কার্যাবলী পরিস্থিতি আর দলের প্রয়োজনের সাথে মিলিয়ে করা দরকার। এই মূহুর্তে দলের দরকার সম্পূর্ণ জনগোষ্টির সমর্থন (বালকানা ব্যাতীত) যাতে সতঃস্ফুর্তভাবে মানুষ এই জালিম বাকশাল সরকারকে প্রতিহত করে। তাছড়া এই আন্দোলন দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা আছে নিঃসন্দেহে। সেই ক্ষেত্রে প্রতিদিন এমন হাজার হাজার লোককে খেপিয়ে তোলা কতটুকু কার্যকর হবে?

২।  অভিজ্ঞ কর্মীরা হয়ত বলবেন, এই কাজ তো আমরা একা করছিনা। এই বাল যখন বিরোধী দলে ছিল, তখন তারা এর চেয়ে বেশী নৈরাজ্য করেছে। কিন্তু মনে করে দেখেন, ১৯৯৬ বা ২০০৭ সালে সাধারণ মানুষ হত্যা করে কোন ফলাফল আসেনি। সরকার তখনই আন্তর্জাতিক মহল বা সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছিল যখন রাজনৈতিক দলগুলো মুখোমুখি হয়ে একটা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। অর্থাৎ আপনার আক্রমনের লক্ষ্য হতে হবে আপনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, সাধারণ মানুষ কখনোই না!  সাধারণ মানুষের জানমালে হামলা করতে থাকলে পুলিশ, বিজিবি স্বাভাবিক নিয়মেই তা রক্ষা করতে গুলি চালাবে। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা করা তাদের মৌলিক এবং আইনি দ্বায়িত্ব। এক্ষেত্রে যদি সেনাবাহিনীও নামানো হয়, তারাও নির্দ্বিধায় গুলি চালাবে। কারণ তারা এটাকে সাধারণ মানুষের জীবন বাচানো হিসেবে দেখবে। তখন আন্দোলনের গতি যে থমকে যাবে তা বুঝতে হলে বেশী জ্ঞানী হওয়া লাগে কি? বহির্বিশ্বের কোন দেশও এই ধরণের কাজ ঠেকাতে সরকারের নেয়া কোন পদক্ষেপকে নিন্দা জানাবে না।  গুলি করে শত শত মানুষ মারলেও না। ২৫ নভেম্বরে মজিনা ভাইয়ের বক্তব্যে এর আভাস পাওয়া গেছে। এই বছরও আমেরিকা ড্রোন হামলা করে ইয়েমেনে একজন আমেরিকান নাগরিক হত্যা করেছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে! সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা হুমকী মোকাবেলায় তাদের দেশের পুলিশও গুলি করার ক্ষমতা রাখে। সুতরাং সাধারণ মানুষকে হত্যা করলে, বা সাধারণ মানুষের সম্পত্তি ধ্বংস করে সরকারকে এক চুলও নড়ানো যাবেনা। আপনারা এই কাজ করবেন আশা করেই বুবু তার বিখ্যাত ‘এক চুল না নড়ার’ ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং এখনও পর্যন্ত সফলভাবে কথা রেখে যাচ্ছেন!

৩।  আমার মনে হয় এতক্ষনে আমার উপরে অনেকেই ক্ষেপে গেছেনঃ গালি দিচ্ছেন ভাদা বলে। একটু ধৈর্য ধরে লেখাটা পড়ে শেষ করেন। কিন্ত আমি আসলে নিজেকে বাংলাদেশের দালাল ভাবতে গর্ববোধ করি। আমার চিন্তাচেতনার লক্ষ্য আমার দেশের সামগ্রিক উন্নতি। আমার কাছে দলের চেয়ে দেশ বড়। ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। বাকশাল সরকারকে হটানো দরকার কারণ তারা দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়েছে এবং আরো দেয়ার পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষের জীবন, জীবিকা, শেষ সম্বল ধ্বংস করে দলকে ক্ষমতায় নেয়ার চেষ্টা আমার বিবেকের পরিপন্থী। সেটা আসলে কোন পথও না। কারণটা উপরের প্যারায় বলেছি। এটা এই বাকশাল সরকার জানে, এইজন্যেই তারা এতো আত্মবিশ্বাসী! তাহলে এই জালিম সরকার হটানোর উপায় কি?

৪।  আমাদের এই যুদ্ধকে বিশ্বের দরবারে রক্তক্ষয়ী রাজনৈতিক দন্দ্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হলে তা আন্দোলনকে শুধুই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে! রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মাঠে নামানোর ব্যবস্থা করে তাদের টার্গেট করতে হবে। বেশিদিন তারা ঘরে থাকবেনা, তাদের ইগো তাদের এটা করতে দিবেনা। তখন এই যুদ্ধকে রাজনৈতিক রূপ দেয়ার মোক্ষম সময়। অনেক সময় মিছিলে পুলিশ অকারণে (সাধারণ মানুষের জানমাল বাচাতে নয়) গুলি চালায়। এমন কার্যকলাপকারী সদস্যরা অনেকেই কিছুদিন আগেও ছিল বালের ক্যাডার। এখন উর্দি পরে তারা বেআইনি কাজ করছে। এমন সদস্যদের উপযুক্ত প্রমাণসহ (ভিডিও) চিনহিত করতে হবে এবং পাওনা বুঝিয়ে দিতে হবে। সাধারণ/ নিরিহ পুলিশসদস্য যারা নিতান্তই কর্মকর্তার আদেশে দ্বায়িত্ব পালনে এসেছে, তাদের হঠাত বাগে পেয়ে হেনস্তা করাটা আসলে নিতান্তই অমানবিক। সঠিক লোককে ধরতে হবে। এই ট্রেন্ড যদি শুরু করা যায় খুব শীঘ্রই সাধারণ পুলিশ সদস্যদের সহানুভূতি আপনারা পেতে শুরু করবেন। এটা খুবই গুরূত্বপূর্ণ- বিলিভ মি। হরতাল সফলের জন্য পাড়ায় পাড়ায় জনগণের কাছে দল বেধে যেতে হবে, বুঝাতে হবে। তাদের সাহায্যে রাস্তা দখল করে হরতাল সফল করতে হবে, সেক্ষেত্রে বাধা আসলে উপরে ফেলতে হবে।

৫।  আমি যেগুলো বললাম এটা সাধারণ কর্মীরা হয়তো পুরোপুরি অনুধাবণ করতে পারবে না। এগুলোর সাথে স্বাধীণ দেশের সরকারের কার্যক্রমে (বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া ) যেকোন শক্তির হস্তক্ষেপ রোধকারী আন্তর্জাতিক আইন জড়িত।  আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর শানুভূতি অর্জনের সাথে সম্পর্কিত মানসিক ও মানবিক বিষয়গুলিও জড়িত। তাই নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় মোটিভেশন করতে হবে। কেন্দ্র থেকে এই ব্যাপারে নির্দেশনা আসতে হবে। তবেই এই আন্দোলনের কাঙ্খিত ফল পাওয়া যাবে। যখনই আপনার মনে হবে বালও তো মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, নিজেকে মনে করিয়ে দিবেনঃ মানুষ মানুষের জন্য। আমরা বাল না আমরা মানুষ!!!

Not a mindless atrocity but an atrocity of ‘war’

 

Death relieves his pain | http://www.thedailystar.net

Death relieves his pain |
http://www.thedailystar.net

The boy Monir died at last after three days of indescribable pain from burning of 95% of his body. The whole country silently prayed that Monir die sooner than later, prayed so that the merciful god takes Monir in his peaceful embrace and deliver him from the hell on earth called Bangladesh. We have seen the pictures. Monir sitting on the ground with his whole body blackened with third degree burn. Monir’s father carrying the charred but still living body of his beloved son. No words can convey the thoughts and emotions that go through a sentiment human when watching these images.

 

Read the Rest at AlaloDulal.org

Not a mindless atrocity but an atrocity of ‘war’

Arson attack on bus kills 9 -Daily Star June 05, 2004

Flames grow higher on a state-owned double-decker, left, on the Gulistan-Mirpur Road that came under bomb attack in front of Dhaka Sheraton Hotel yesterday; and a girl, right, tries to climb down the burning vehicle in her desperate bid to survive the terror. PHOTO: Anisur Rahman

Flames grow higher on a state-owned double-decker, left, on the Gulistan-Mirpur Road that came under bomb attack in front of Dhaka Sheraton Hotel yesterday; and a girl, right, tries to climb down the burning vehicle in her desperate bid to survive the terror. PHOTO: Anisur Rahman

 

 

 

Arson attack on bus kills 9
Bomb hurled on transport in several city areas
Staff Correspondent

Unknown assailants carried out an arson attack on a double-decker bus in front of Dhaka Sheraton Hotel, killing nine passengers including a two-year-old girl and injuring 15 in one of a series of assaults on public transport in the capital last night.

The flames soon leapt to both decks of the state-owned BRTC bus on the Gulistan-Mirpur route, prompting most passengers to storm out except for the nine who got trapped inside.

Police and witnesses said six people were incinerated in the bus, a fire-burnt man jumped to death on the street and two others including a two-year-old child died from injuries at Dhaka Medical College Hospital (DMCH).

 

Three of the nine dead are identified as Meem, 2,Yasmin, 25, and Tahura, 27. Thirteen of the 15 injured admitted to the DMCH are Meem’s mother Monwara, 22, Wahed, 14, Abdur Rahim, 35, Abul Kalam, 45, Rowshan Ara, 30, her son Rony, 12, Alamgir, 14, Jognu Akhter, 18, Mustafiz, 40, Saidur, 22, Babu, 8, Kabir, 40, and Rabbi, 4.

 

The fire left the bus in a charred, blackened metal structure, burning out all seats and other flammables before fire fighters could douse the blaze.

“I have no idea who carried out the grisly attack, but they are very cold-blooded murderers who worked to a well-orchestrated plan,” Dhaka Metropolitan Police (DMP) Commissioner Ashraful Huda told reporters after the arson.

 

“This sort of incidents take place before every hartal and you also know the perpetrators,” he said.

Terming the incident a bestial one, the DMP commissioner said, “The nature of the fire suggests the killers poured gunpowder on both decks of the bus before setting it on fire.”

A string of bomb attacks on public transports was also reported in other areas of the city last night, hours before a 24-hour countrywide opposition strike from 6:00am today and visit of US Defence Secretary Donald Rumsfeld in the afternoon.

The attacks largely came on buses and minibuses near Mirpur Heart Foundation Hospital, National Zoo, Pallabi, Rampura TV Station, Mugda and Shyampur.

Explosions also rocked Gulshan-1, Shukrabad, Gabtali, Motijheel and Paltan areas.

The double-decker, coming from Minto Road direction, caught fire soon after it reached the road stretch in front of the hotel, unfolding a scene of horror.

“Sitting close to the driver, I saw fire behind the driver’s seat all on a sudden which was fast spreading,” 35-year-old Rahima Begum said, adding she rushed out of the bus with her son Ali.

 

As the bus driver sped, fire engulfed the vehicle and the busload of passengers including men, women and children found it difficult to come out through an exit and half-closed windows.

“The fire caught my wife Yasmin and burnt her alive before my eyes on the upper deck,” said Abdur Rahim, driver of an autorickshaw, bursting into tears.

 

“But I didn’t lose my sense and whisked my niece Litu off the bus,” said Rahim, who took the vehicle at Gulistan for Mirpur-12.

Meem, who was on the upper deck with her mother and other relatives, was incinerated on her mother’s lap. Her mother Monwara, 22, survived the blaze with serious burns all-over and is now being treated at the DMCH.

Meem’s aunt Rowshan Ara and her 12-year-old son Rony also suffered burns before falling on the street from the bus amid a crushing scramble.

Her cousin Jognu Akhter, 18 and Alamgir, 14, also received injuries jumping to the street from the upper deck.

The fire left Wahed, 13, all burnt and he was fighting a grim battle with death with little hope for his life.

Rana, an 11-year-old boy who survived the inferno, said: “All on a sudden we saw a red flame leaping from just behind the driver’s seat.”

“My elder brother Badal and myself could jump out of the exit, leaving masses of passengers scrambling to get out of the exit behind,” he told The Daily Star, disconsolate with grief.

Habib, a bookseller, said, “The passengers were desperately pushing for the exit, but a crowd blocked the narrow staircase. I saw some trying to get out through the windows.”

“Casualty could have been lowered, had the driver stopped the bus immediately after it caught fire,” he said, adding the driver kept going on despite hearing screams.

 

Sergeant Rakibuddin, who was on duty near the crossing, said, “Flames engulfed the whole bus in a moment.”

“Seeing passengers trying to escape through the door, I shouted at them to jump through the windows,” Rakibuddin said, adding he saved two who jumped down.

একধাপ এগিয়ে এ দলঃ বি দলের করনীয় কি?

132017991_101n

By Shikin Aman      পূর্ববর্তী সূত্রঃ http://shikinaman.wordpress.com/2013/11/03/strategy2/

সরকারী দল হওয়ার সুবাদে এ দলের কিছু ইনহেরেন্ট সুবিধা থাকারই কথা, এবং বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে দলটি তার এই সুবিধাকে ম্যাক্সিমাইজ করতে সক্ষম হয়েছে। পুলিশ, নির্বাচন কমিশন, মিডিয়া ও বিচার বিভাগের উপর প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রন এর বহিঃপ্রকাশ। তাছাড়া ধারণা করা যায় যে জেলা প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বের উপর তাদের যথেষ্ট আস্থা আছে, যা তাদেরকে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের সময় সাহায্য করবে। তারা নিজেদের দুর্বলতাগুলোকে জনগণের দৃষ্টি ও বিরোধীদের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য একটি সমন্বিত ষ্ট্র্যটেজি নিয়েছে যা ইতিমধ্যে তাদেরকে একটি নিরাপত্তাবোধ দিয়েছে। অপরদিকে বি দলকে তারা চতুর্মখী আক্রমনের মাধ্যমে বিপর্যস্ত করে রেখেছে (লিস্ট) যার ফলে বি দল অবিরাম হরতাল ছাড়া আর কিছু করণীয় খুজে পাচ্ছেনা। এ দল পরিকল্পনায় একধাপ এগিয়ে থাকায় হরতালেও তারা বি দলকে ব্যাকফুটে নেয়ার একটি কার্যকর কৌশল বের করে ফেলেছে। তার সাথে তারা পরবর্তী একটি ধাপের জন্য জাল পেতে চলেছে, যেটার লক্ষ্য হতে পারে বি দলের একটি অংশকে পাতানো নির্বাচনে অংশ নেয়ানো। আজকের লেখাতে এই দুইটি বিষয়ে আলোচনা করবো।

হরতাল প্রসংগঃ

শান্তিপূর্ণ হরতাল বলে কোন হরতাল কালচার বাংলাদেশে নেইঃ এটা নিয়ে কোন দ্বিমত করার অবকাশ নাই। এখনকার পরিস্থিতিতে পিকেটিং মানেই পুলিশের বা এ দলীয় ক্যাডারদের সাথে মারামারি অবধারিত। পুলিশ আসলে নিজ দ্বায়িত্ব পালন করছে মাত্র। এ দলীয় ক্যাডাররা করছে মাঠ দখলের চেষ্টা। এক্ষেত্রে পুলিস যে কাজটি আইনসঙ্গতভাবে করছেনা সেটা হচ্ছে, এ দলের সমর্থকরা অস্ত্রধারী হয়েও পুলিশের কাছ থেকে কোন বাধা পাচ্ছেনা। দ্বিতিয়ত কোথাও কোথাও পুলিশ অপ্রয়োজনে গুলি করছে। খালী হাতে থাকা জনতার উপর গুলিবর্ষণ পুলিস কোন আইন দিয়ে বৈধ করতে পারবেনা। উপরস্থ কর্মকর্তার আদেশে হলেও এটা বৈধ আদেশ হিসেবে মেনে নেওয়া ঠিক না। কিন্তু  বেআইনি কাজটাকে এ দল এক ঢিলে দুই পাখি মারতে ব্যবহার করছে। একদিকে এটা দ্বারা বি দলের আন্দোলনকে শক্ত বাধার মুখে ফেলে দেয়া হচ্ছে, অন্যদিকে পুলিশ কর্মকর্তাদের একটা বাকশালী ড্রাগ দেয়া হচ্ছে। ড্রাগ বললাম কারণ সুস্থমাথায় নিজের দেশের লোকের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো সম্ভব না (দলীয় ক্যাডার থেকে পুলিস হওয়া ব্যতীত), অন্যদিকে একবার খুন করার পরে একটা বোধ কাজ করে যে এই কাজের জন্য আবার বিচার হবেনা তো? তখনই না চাইলেও বর্তমান সরকারকে টিকিয়ে রাখার একটা প্রবণতা চলে আসবে। বুদ্ধিমান এ দলের তো লাভই লাভ।

দ্বিতীয় ইস্যু হচ্ছে পুড়িয়ে বা বোমা মেরে সাধারণ মানুষকে হত্যা। এইটাও সাধারণ সুস্থমস্তিষ্কের লোকের কাজ হতে পারেনা। সাধারণ মানুষের সম্পত্তির ক্ষতিও মেনে নেওয়া যায়না।এটা চললে বি দলের জনমতে ক্ষয় ধরবে। বিশ্বজিত হত্যার পরে ছাত্রলিগের ইমেজের একটা বড় ক্ষতি হয়েছিল। লক্ষ্য করে থাকবেন, মনির হত্যার পর কিছু এ দলের নুন খাওয়া ও অন্ধভক্ত কেন এটাকে বিশ্বজিত হত্যার সাথে তুলনা করা হচ্ছেনা এই নিয়ে অনেক কান্নাকাটি করেছে। এই দুইটা সাধারণের চোখে সমান হয়নি কারণ প্রথম হত্যাকান্ডটি চিনহিত এ দলীয় ক্যাডার বাহিনী দ্বারা টিভি ক্যামেরার সামনে করা খুন। আর দ্বিতিয়টি হরতালে গাড়িতে আগুন দেয়ার সময় সঙ্ঘটিত  হত্যাকান্ড (ইচ্ছাকৃত হত্যা কিনা নিশ্চিত না)।

এ হত্যাকান্ডের হোতারা কোন দলের চিনহিত নেতা নয়। সুতরং ঢালাওভাবে এর দায় কারো উপরে দেয়া সম্ভব না। কিন্তু এ দল ইতোমধ্যে দলীয় মিডিয়া ও অনলাইন প্রপাগান্ডার মাধ্যমে একে সম্ভব হলে ম্যাডামের প্রত্যক্ষ আদেশে সংঘটিত হত্যা প্রমাণ করতে চেষ্টা করছে। সাধারণ মানুষের বিপদ এখানেই শেষ না। সাধারণের লাশের রাজনীতির ধারা বলে, এখন বি দলকে কেন্দ্রীয় নির্দেশ দিয়েও এই ধরণের হত্যা রুখতে বেগ পেতে হবে। এখন প্রয়োজনে এ দলের লোক (নিজেরা মেরে হলেও) এই ধারা বজায় রাখবে, কারণ এতে বি দলের ইমেজ নষ্ট হচ্ছে। সাধারণ জনগণ এখানে শুধুই খেলার পুতুল।

সুতরাং বি দলের এই অবস্থায় করণীয় কি?

প্রথমেই কেন্ত্রীয়ভাবে এই ধরণের হত্যাকান্ডের প্রতি দলের অসমর্থন ও নিন্দা জ্ঞাপন করে নিজ দলের সমর্থকদের এ জাতীয় কাজ থেকে বিরত থাকার কঠোর নির্দেশ দিতে হবে। দলের মধ্যে যারা আদেশ পাওয়ার পরও এ কাজে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করবে, তাদেরকে হাতে নাতে ধরে প্রয়োজনে পুলিশে সমর্পন করতে হবে, কারণ তারা আসলে দলের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে (হয়ত এ দলের টাকার বিনিময়ে)।

হরতাল চলাকালীন পয়েন্টে পয়েন্টে নিজস্ব ক্যামেরাম্যান রাখতে হবে। যদি অন্য কোন দলের লোক এই ধরনের কাজ করে, তাদের ছবি তুলে রাখতে হবে। পুলিসের মাত্রাতিরিক্ত শক্তিপ্রয়গের প্রমাণ ও কেন্ত্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে একে সূক্ষভাবে হ্যান্ডেল করতে হবে যাতে এ দলের এক ঢিলে দুই পাখী মারার (উপরে বর্ণিত) নীতি কার্যকর না হয়। সাধারণ মানুষের সম্পত্তি ধংস যথাসম্ভব এড়াতে হবে। টায়ার পোড়ানো বা অবস্থান দখলের মাধ্যমে হরতাল কার্যকর করার চেস্টা করা যেতে পারে। ভাংচুর এর মাধ্যমে নয়। এ দলের ক্যাডারদের রাজপথ থেকে দূরে রাখতে পরলে এম্নিতেই হরতাল সফল ও কার্যকর হবে। বি দল তার সমস্ত শরিকদের নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা করলেই এটা সম্ভব। এ দল গ্রেফতার ও নির্যাতনের শংকা তৈরি করে বি দলের নেতাদের রাজপথে থাকতে দিবেনা, আর পাশাপাশি পোষা মিডিয়াতে সর্বশক্তিতে প্রচার চালাবে যে বি দলের নেতারা মাঠে থাকেনা। আজকের দিনে রেগুলার, অনলাইন সব পোষা লেখকদের লেখা ও ষ্ট্যাটাস এ এর প্রমাণ পাবেন। এতে বি দলের কর্মীদের নেতাদের উপর আস্থা হারালে চলবে না। বরং নেতাদের ছিনিয়ে নিতে আসা যে কাউকে সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করেই এর জবাব দেয়া সম্ভব। এর ফলে সারা দেশের কর্মীদের কাছে পসিটিভ মেসেজ পৌছে যাবে।

নির্বাচন প্রসংগঃ

নির্বাচনে বি দলকে না নিতে পারলে সে নির্বাচন আন্তর্জাতিক সিকৃতি পাবেনা, এটা সবাই বূঝে। সুতরাং এ দল এখন যেসব কাজ করছে তার অন্যতম লক্ষ্য থাকবে বি দলকে নির্বাচনে নেয়া। সম্ভব না হলে বি দলের বর্তমান বা পুরাতন কিছু নেতাকে দল ভাঙ্গিয়ে বি দল হিসেবে নির্বাচনে নেয়ার চেষ্টা করতে পারে। যেহেতু সংসদ চলবে, এক্ষেত্রে কোন নির্বাচনী আইন বা সংবিধান (!)  সংশোধণ প্রয়োজন হলে সেটাও করা হবে! অবাক হওয়ার আসলে আর কোন স্কোপ নাই। প্রয়োজনে কোর্ট আদেশ দিবে দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে বি দলের আগ্রহী অংশকে নির্বাচনে অংশ নিতে। এই মগের মুল্লকে কিছুই অসম্ভব না।

ব্যাপারটা বি দলের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল ও হতে পারে। যাতে চাপে পরে বি দল সাজানো নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে বি দল ইতোমধ্যে তাদের তিন ধাপের কৌশল নির্ধারণ করেছে। তফশীলের আগে, তফশীলের পরে আর নির্বাচনের দিন ও তার পরেঃ এই তার তিন ধাপ। আমি আশা করব বি দল এর বাইরেও কিছু কন্টিনজেন্সি ষ্ট্র্যটেজি নির্ধারণ করেছে। সেনাবাহিনী মাঠে থাকলে নির্বাচন প্রতিহত করার কৌশল কি হবে,  কোন নেতা দলত্যাগের চেষ্টা করলে তার জন্য করণীয় কি, নির্বাচনের জন্য গ্রহণযোগ্য পরিস্থিতি কি ইত্যাদি নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি কুটনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। ডাঃ ইউনুসের প্রভাবকে যতটা সম্ভব দেশের স্বার্থে পসিটিভলি ব্যবহার করা যেতে পারে।

শেষকথাঃ

বি দলের জন্য এই মুহুর্তে সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের সমর্থন।  দল এতে ভাঙ্গন ধরানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। বি দলকে যেকোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে এদিকে লক্ষ রাখতে হবে। JSC  পরীক্ষা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এগুলো ভুলে গেলে চলবে না। মানুষের কাছে নিজেদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা (ইস্তেহার) তুলে ধরতে হবে। প্রিন্ট, ভিজুয়াল ও অনলাইন মিডিয়াতে সমন্বিতভাবে নিজেদের সুস্থ মনোভাব ও দেশের জন্য সুন্দর পরিকল্পনা তুলে ধরতে হবে। প্রয়োজনে থানায় থানায় প্রিন্টিং প্রেস বা বিকল্প প্রিন্টিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে নিজেদের মনোভাবকে পৌছে হবে। মানূষ পরিবর্তন চায়। তাদেরকে সেই স্বপ্নের পথ দেখাতে হবে। এ ব্যাপারে পরে আবার লিখার আশা রইলো।